ETV Bharat / state

সাগরে নদীর বাঁধ উপচে এলাকায় ঢুকছে নদীর নোনা জল, আতঙ্কিত এলাকাবাসী - Remal effect in Sagar

author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : May 28, 2024, 8:39 PM IST

Remal Impact in Sagar: রেমাল চলে গেলেও তার ফলে ঝোড়ো হাওয়া আর প্রবল বৃষ্টি এখনও চলছে সুন্দরবনে ৷ এর জেরে সাগরে মাটির তৈরি নদী বাঁধ ভাঙার উপক্রম হয়েছে ৷ যে কোনও মূহূর্তে বাঁধ ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীদের ৷

Remal Effect in Sunderbans
রেমালের জেরে নদী বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা সাগরে (ইটিভি ভারত)

গঙ্গাসাগর, 28 মে: ঘূর্ণিঝড় রেমালের চোখ রাঙানি দেখেছে সুন্দরবনবাসী ৷ কিন্তু রেমালের আতঙ্ক কেটে যাওয়ার পর নতুন আতঙ্কে সুন্দরবন এলাকার মানুষেরা ৷ মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ 24 পরগনার গঙ্গাসাগরে চক ফুলডুবি মন্দিরতলা এলাকায় নদীর বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে ৷ সেই ফাটলের মধ্যে দিয়ে হুগলি নদীর জল ঢুকতে শুরু করেছে এলাকায় । মাটির নদী বাঁধ হওয়ার কারণে যে কোনও মুহূর্তে বাধ ভাঙতে পারে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী ৷ তাঁরা নদী বাঁধের কাছে এসে ভিড় জমিয়েছেন ৷

সাগরে মাটির বাঁধ উপচে হুগলি নদীর জল ঢুকছে গ্রামে (ইটিভি ভারত)

এদিন সকাল থেকে সুন্দরবনের উপকূল তীরবর্তী এলাকায় চলছে বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার দাপট ৷ বৃষ্টি ও ঝোড়ো হওয়ার জোড়া ফলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী বাঁধগুলিতে দেখা দিয়েছে ফাটল ৷ সেই ফাটল দিয়ে এলাকায় নদীর নোনা জল প্রবেশ করছে ৷

সাগর-সহ জেলাজুড়ে রেমালের তাণ্ডব, ভাঙল গাছ-দোকান; দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে গঙ্গাসাগরের চক ফুলডুবি মন্দিরতলা এলাকায় হুগলি নদীর মাটির নদীবাঁধ বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে ৷ প্রশাসনের তরফে কাজ শুরু করা হলেও সেই কাজ এখনও সম্পন্ন করা যায়নি ৷ রবিবার, 26 মে রাতে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব দেখেছে গোটা বাংলা ৷ রেমালের আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে গোটা বাংলা ৷ কিন্তু নদী বাঁধ উপচে এলাকায় নদীর নোনা জল ঢোকার কারণে নতুন করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে গঙ্গাসাগরের চক ফুল ডুবির মন্দিরতলা এলাকার কয়েকশো গ্রামবাসীরা ৷

এ বিষয়ে এক স্থানীয় বাসিন্দা তিনি বলেন, "বেশ কয়েক বছর ধরে এই নদীবাঁধের বেহাল দশা হয়েছিল ৷ প্রশাসনের তরফ থেকে কাজ শুরু করা হলেও সেই কাজ এখনও শেষ করেননি ৷ ঝোড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে নদী বাঁধ উপচে এলাকায় নদীর নোনা জল ঢুকছে ৷ নদী বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ৷"

তিনি আরও জানান, বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল ৷ স্থায়ী কংক্রিটের নদী বাঁধ একমাত্র সমাধান ৷ এই মাটির নদী বাঁধ বড় বড় ঝড়ে মানুষকে রক্ষা করতে পারবে না ৷ এ বিষয়ে মুড়িগঙ্গা 2 নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাপতি আব্দুল সামাদ শাহ বলেন, "এই নদী বাঁধে মেরামতের কাজ চলছিল ৷ কিন্তু হঠাৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয় আসায় সেই কাজ বন্ধ হয়ে যায় ৷ নদীর জোয়ারের জল এলাকায় ঢুকছে ৷ সেই কারণে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এলাকার মানুষদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে ৷ দুর্যোগ কেটে গেলে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বেহাল নদী বাঁধ মেরামতির কাজ করা হবে ৷"

ঘূর্ণিঝড়-টানা বৃষ্টিতে বাড়ি ভেঙে আহত 1, তারে গাছ পড়ে বিঘ্নিত ট্রেন চলাচল

গঙ্গাসাগর, 28 মে: ঘূর্ণিঝড় রেমালের চোখ রাঙানি দেখেছে সুন্দরবনবাসী ৷ কিন্তু রেমালের আতঙ্ক কেটে যাওয়ার পর নতুন আতঙ্কে সুন্দরবন এলাকার মানুষেরা ৷ মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ 24 পরগনার গঙ্গাসাগরে চক ফুলডুবি মন্দিরতলা এলাকায় নদীর বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে ৷ সেই ফাটলের মধ্যে দিয়ে হুগলি নদীর জল ঢুকতে শুরু করেছে এলাকায় । মাটির নদী বাঁধ হওয়ার কারণে যে কোনও মুহূর্তে বাধ ভাঙতে পারে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী ৷ তাঁরা নদী বাঁধের কাছে এসে ভিড় জমিয়েছেন ৷

সাগরে মাটির বাঁধ উপচে হুগলি নদীর জল ঢুকছে গ্রামে (ইটিভি ভারত)

এদিন সকাল থেকে সুন্দরবনের উপকূল তীরবর্তী এলাকায় চলছে বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার দাপট ৷ বৃষ্টি ও ঝোড়ো হওয়ার জোড়া ফলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী বাঁধগুলিতে দেখা দিয়েছে ফাটল ৷ সেই ফাটল দিয়ে এলাকায় নদীর নোনা জল প্রবেশ করছে ৷

সাগর-সহ জেলাজুড়ে রেমালের তাণ্ডব, ভাঙল গাছ-দোকান; দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে গঙ্গাসাগরের চক ফুলডুবি মন্দিরতলা এলাকায় হুগলি নদীর মাটির নদীবাঁধ বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে ৷ প্রশাসনের তরফে কাজ শুরু করা হলেও সেই কাজ এখনও সম্পন্ন করা যায়নি ৷ রবিবার, 26 মে রাতে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব দেখেছে গোটা বাংলা ৷ রেমালের আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে গোটা বাংলা ৷ কিন্তু নদী বাঁধ উপচে এলাকায় নদীর নোনা জল ঢোকার কারণে নতুন করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে গঙ্গাসাগরের চক ফুল ডুবির মন্দিরতলা এলাকার কয়েকশো গ্রামবাসীরা ৷

এ বিষয়ে এক স্থানীয় বাসিন্দা তিনি বলেন, "বেশ কয়েক বছর ধরে এই নদীবাঁধের বেহাল দশা হয়েছিল ৷ প্রশাসনের তরফ থেকে কাজ শুরু করা হলেও সেই কাজ এখনও শেষ করেননি ৷ ঝোড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে নদী বাঁধ উপচে এলাকায় নদীর নোনা জল ঢুকছে ৷ নদী বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ৷"

তিনি আরও জানান, বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল ৷ স্থায়ী কংক্রিটের নদী বাঁধ একমাত্র সমাধান ৷ এই মাটির নদী বাঁধ বড় বড় ঝড়ে মানুষকে রক্ষা করতে পারবে না ৷ এ বিষয়ে মুড়িগঙ্গা 2 নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাপতি আব্দুল সামাদ শাহ বলেন, "এই নদী বাঁধে মেরামতের কাজ চলছিল ৷ কিন্তু হঠাৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয় আসায় সেই কাজ বন্ধ হয়ে যায় ৷ নদীর জোয়ারের জল এলাকায় ঢুকছে ৷ সেই কারণে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এলাকার মানুষদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে ৷ দুর্যোগ কেটে গেলে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বেহাল নদী বাঁধ মেরামতির কাজ করা হবে ৷"

ঘূর্ণিঝড়-টানা বৃষ্টিতে বাড়ি ভেঙে আহত 1, তারে গাছ পড়ে বিঘ্নিত ট্রেন চলাচল

ETV Bharat Logo

Copyright © 2024 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.