ETV Bharat / entertainment

'শেষ অঙ্ক' না-মিললেও 'সুরের আকাশে শুকতারা' হয়েই রয়ে গিয়েছে হেমন্ত-উত্তম জুটি - HEMANTA MUKHERJEE BIRTH ANNIVERSARY

author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : Jun 16, 2024, 8:47 AM IST

Hemanta and Uttam Duo on Silver Screen: তাঁদের নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক ৷ জুটিতে খুব বেশি না-হলেও, যে ক'টি গান উপহার দিয়েছেন তা আজও বাঙালি শ্রোতাদের মুগ্ধ করে ৷ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের 104তম জন্মদিনে গানের তরীতে ভেসে ফিরে দেখা যাক 'উত্তম' স্মৃতি ৷

Hemanta and Uttam Duo
স্মরণে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (ইটিভি ভারত)

হায়দরাবাদ, 16 জুন: সুরের আকাশে আজও তিনি হয়ে রয়েছেন শুকতারা ৷ 'সূর্য ডোবার পালা' যখনই এসেছে তখন তাঁর সুরের ভেলায় ভাসতে পথ চেয়ে থাকতেন অনেক অনুরাগী ৷ বাংলার দুই তারকা জুটি বেঁধে পর্দার সামনে ও পিছনে যে জাদু তৈরি করেছেন, তা এখনও বাঙালির মনে দোলা দিয়ে যায় ৷ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে বারেবারে কালজয়ী হয়েছে উত্তম কুমারের ছবির গান ৷ সেই হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের 104তম জন্মবার্ষিকী আজ ৷

1955 সালে প্রথমবার হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও উত্তম কুমার কাজের সূত্রে সাক্ষাৎ করেন ৷ তখন 'অগ্নিপরীক্ষা', 'সাড়ে চুয়াত্তর', 'বসু পরিবার' ছবি উপহার দিয়ে খ্যাতির মধ্যগগনে রয়েছেন উত্তম কুমার ৷ অন্যদিকে হেমেন গুপ্তা পরিচালিত 'আনন্দ মঠ' ও নন্দলাল জসবন্তলাল পরিচালিত 'নাগিন' ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেন হিন্দি সিনেমা জগতে পরিচিতি পেয়ে গিয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ৷

"মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে", জন্মশতবার্ষিকীতে হেমন্ত কুমার

সেই সময় পরিচালক সুধীর মুখোপাধ্যায় তাঁর ছবি 'শাপমোচন'-এর জন্য সঙ্গীত পরিচালক খুঁজছিলেন ৷ সেই সুবাদেই উত্তম-হেমন্ত সাক্ষাৎ ৷ প্রথমবার এই জুটি সামনে আসতেই তা জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছয় ৷ এরপর বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এই জুটি উপহার দিতে থাকে একের পর এক কালজয়ী গান ৷ উত্তমের লিপে হেমন্তের কণ্ঠ মিলেমিশে হয়ে যায় একাকার ৷ শাপমোচন ছবির সেই গান 'সুরের আকাশে তুমি যে গো', 'শোনো বন্ধু শোনো' কিংবা 'বসে আছি পথ চেয়ে' গানগুলি আলাদা মাত্রা পায় ৷ সেই সময় টানা 77দিন প্রেক্ষাগৃহে চলেছিল 'শাপমোচন' ৷ বাঙালি দর্শক তখন হেমন্ত-উত্তম জ্বরে কাবু ৷

এরপর 1957 সালে অজয় করের পরিচালনায় মুক্তি পায় উত্তম-সুচিত্রার সাড়াজাগানো ছবি 'হারানো সুর' ৷ সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ৷ একদিকে গীতা দত্তের কণ্ঠে ও সুচিত্রা সেনের লিপে 'তুমি যে আমার' মায়া ছড়ায় দর্শক মনে ৷ পাশাপাশি হেমন্তের কণ্ঠে উত্তমের লিপে 'আজ দু'জনার দু'টি পথ' ভারাক্রান্ত করে অনুরাগীদের মন ৷ দুটি গানই লিখেছিলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ৷ একটা সময় এমন গিয়েছে সিলভার স্ক্রিনে যতবার উত্তম কুমারের লিপে গান এসেছে ততবার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সুরের জাদুতে কাবু হয়েছে আপামর বাঙালি ৷

সেই তালিকা নেহাত ছোট নয়, 'শেষ অঙ্ক' ছবিতে 'আমি তো জানি', 'মন নিয়ে' ছবিতে 'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি' বা 'ওগো কাজল নয়না হরিণী', 'ইন্দ্রানী' ছবিতে 'নীড় ছোট ক্ষতি নেই', 'সাথীহারা' ছবির গান 'ও ময়না কথা কও', 'মরুতীর্থ হিংলাজ' ছবিতে 'পথের ক্লান্তি ভুলে', 'বন্ধু' ছবিতে 'মৌ বনে আজ মৌ জমেছে'- গান একুশ শতকে দাঁড়িয়েও শ্রোতাদের সম্মোহিত করার ক্ষমতা রাখে হেমন্ত-উত্তম জুটির প্রতিটি গান ৷

হায়দরাবাদ, 16 জুন: সুরের আকাশে আজও তিনি হয়ে রয়েছেন শুকতারা ৷ 'সূর্য ডোবার পালা' যখনই এসেছে তখন তাঁর সুরের ভেলায় ভাসতে পথ চেয়ে থাকতেন অনেক অনুরাগী ৷ বাংলার দুই তারকা জুটি বেঁধে পর্দার সামনে ও পিছনে যে জাদু তৈরি করেছেন, তা এখনও বাঙালির মনে দোলা দিয়ে যায় ৷ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে বারেবারে কালজয়ী হয়েছে উত্তম কুমারের ছবির গান ৷ সেই হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের 104তম জন্মবার্ষিকী আজ ৷

1955 সালে প্রথমবার হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও উত্তম কুমার কাজের সূত্রে সাক্ষাৎ করেন ৷ তখন 'অগ্নিপরীক্ষা', 'সাড়ে চুয়াত্তর', 'বসু পরিবার' ছবি উপহার দিয়ে খ্যাতির মধ্যগগনে রয়েছেন উত্তম কুমার ৷ অন্যদিকে হেমেন গুপ্তা পরিচালিত 'আনন্দ মঠ' ও নন্দলাল জসবন্তলাল পরিচালিত 'নাগিন' ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেন হিন্দি সিনেমা জগতে পরিচিতি পেয়ে গিয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ৷

"মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে", জন্মশতবার্ষিকীতে হেমন্ত কুমার

সেই সময় পরিচালক সুধীর মুখোপাধ্যায় তাঁর ছবি 'শাপমোচন'-এর জন্য সঙ্গীত পরিচালক খুঁজছিলেন ৷ সেই সুবাদেই উত্তম-হেমন্ত সাক্ষাৎ ৷ প্রথমবার এই জুটি সামনে আসতেই তা জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছয় ৷ এরপর বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এই জুটি উপহার দিতে থাকে একের পর এক কালজয়ী গান ৷ উত্তমের লিপে হেমন্তের কণ্ঠ মিলেমিশে হয়ে যায় একাকার ৷ শাপমোচন ছবির সেই গান 'সুরের আকাশে তুমি যে গো', 'শোনো বন্ধু শোনো' কিংবা 'বসে আছি পথ চেয়ে' গানগুলি আলাদা মাত্রা পায় ৷ সেই সময় টানা 77দিন প্রেক্ষাগৃহে চলেছিল 'শাপমোচন' ৷ বাঙালি দর্শক তখন হেমন্ত-উত্তম জ্বরে কাবু ৷

এরপর 1957 সালে অজয় করের পরিচালনায় মুক্তি পায় উত্তম-সুচিত্রার সাড়াজাগানো ছবি 'হারানো সুর' ৷ সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ৷ একদিকে গীতা দত্তের কণ্ঠে ও সুচিত্রা সেনের লিপে 'তুমি যে আমার' মায়া ছড়ায় দর্শক মনে ৷ পাশাপাশি হেমন্তের কণ্ঠে উত্তমের লিপে 'আজ দু'জনার দু'টি পথ' ভারাক্রান্ত করে অনুরাগীদের মন ৷ দুটি গানই লিখেছিলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ৷ একটা সময় এমন গিয়েছে সিলভার স্ক্রিনে যতবার উত্তম কুমারের লিপে গান এসেছে ততবার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সুরের জাদুতে কাবু হয়েছে আপামর বাঙালি ৷

সেই তালিকা নেহাত ছোট নয়, 'শেষ অঙ্ক' ছবিতে 'আমি তো জানি', 'মন নিয়ে' ছবিতে 'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি' বা 'ওগো কাজল নয়না হরিণী', 'ইন্দ্রানী' ছবিতে 'নীড় ছোট ক্ষতি নেই', 'সাথীহারা' ছবির গান 'ও ময়না কথা কও', 'মরুতীর্থ হিংলাজ' ছবিতে 'পথের ক্লান্তি ভুলে', 'বন্ধু' ছবিতে 'মৌ বনে আজ মৌ জমেছে'- গান একুশ শতকে দাঁড়িয়েও শ্রোতাদের সম্মোহিত করার ক্ষমতা রাখে হেমন্ত-উত্তম জুটির প্রতিটি গান ৷

ETV Bharat Logo

Copyright © 2024 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.