ETV Bharat / state

Wrong Treatment by Quack Doctor: জল নয়, রক্ত বন্ধ করতে ব্যক্তির কানে এমসিল লাগানোর পরামর্শ হাতুড়ের

author img

By

Published : Feb 16, 2023, 11:05 PM IST

Updated : Feb 17, 2023, 8:43 PM IST

হাতুড়ের কথা মতো রক্ত বন্ধ করতে কানে এমসিল লাগিয়েছিলেন ব্যক্তি (Quack Doctor Advised to Put M Seal in Ear)৷ তারপর কী হল ?

ETV Bharat
কানে এম সিল লাগানো ব্যক্তি

কাটোয়া, 16 ফেব্রুয়ারি: পেশায় গাড়িচালক শ্যামল প্রামাণিক । কানে সমস্যা হওয়ায় তিনি গিয়েছিলেন স্থানীয় এক হাতুড়ের কাছে কান পরিষ্কার করাতে ৷ খোঁচাখুঁচি করতে গিয়ে কান থেকে রক্ত বের হতে শুরু করে । তখন তাঁকে সেই হাতুড়ে এমসিল লাগানোর পরামর্শ দেন । যে এমসিল কিনা জলের পাইপ বা দেওয়ালে ফাটল ধরলে তা সারাতে ব্যবহৃত হয় ৷ হাতুড়ের কথা মতো এমসিল লাগান ওই ব্যক্তি । ফলে শুরু হয় কানে যন্ত্রণা । এরপর তাকে তড়িঘড়ি কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে (Katwa Sub divisional Hospital)ভরতি করা হলে সেখানে তার কানের অস্ত্রোপচার হয় । ঘটনার পর থেকে ওই হাতুড়ে পলাতক ৷

কাটোয়া হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার কোয়ারা গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল প্রামাণিক । কানে সমস্যা দেখা দেওয়ায় তিনি একজন হাতুড়ের কাছে যায় কান পরিষ্কার করার জন্য । এরপর তাঁর কান থেকে রক্ত বের হতে শুরু করে । সেই রক্ত কিছুতেই বন্ধ করতে না পেরে তখন হাতুড়ে কানে এমসিল লাগানোর পরামর্শ দেয় । ওই হাতুড়ে তাঁকে বুঝিয়েছিল এমসিল লাগানোর পরে সেটা শুকিয়ে গেলে খুলে পড়ে যাবে । এদিকে এমসিল লাগানোর পরে শ্যামল প্রামাণিক অসুস্থ হয়ে পড়েন । কানে শুরু হয় অসহ্য যন্ত্রণা । এরপর তাঁকে কাটোয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয় । এই বিষয়ে শ্যামলের স্ত্রী সঞ্চিতা প্রামাণিকও একই কথায় জানান ৷

কাটোয়া হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বুঝতে পারেন কানে শক্ত কোনও পদার্থ আটকে আছে । কিন্তু কী জিনিস প্রথমে বুঝতে পারেনি । সেটা বের করতে গেলে ওই ব্যক্তি চিৎকার করতে শুরু করে । পরে অবশ করার ইনজেকশন দেওয়া হয় ৷ তাও সেটা বের করা যায়নি । পরে অজ্ঞান করে অপারেশন করা হয় । কানের পর্দা নষ্ট হয়ে গিয়েছে । তিন চারমাস পরে মাইক্রোসার্জারি করে সেই পর্দা লাগানো হবে ।

আরও পড়ুন : গর্ভপাত করাতে এসে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, আটক হাতুড়ে চিকিৎসক

Last Updated : Feb 17, 2023, 8:43 PM IST
ETV Bharat Logo

Copyright © 2024 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.