ETV Bharat / entertainment

অভিনয়-ব্যবসা সামলে ভীষণভাবে মা হতে চাই- সুস্মিতা রায়

'জানি না কোনওদিন বাস্তবায়িত হবে কি না ৷ ভীষণভাবে মা হতে চাই ৷' 'কৃষ্ণকলি'র পার্বতী, সুস্মিতা রায়ের কথা শুনলেন ইটিভি ভারতের প্রতিনিধি পারমিতা কামিলা ৷

SUSMITA ROY
অভিনেত্রী সুস্মিতা রায় (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Entertainment Team

Published : April 8, 2025 at 5:23 PM IST

|

Updated : April 10, 2025 at 3:22 PM IST

10 Min Read
Choose ETV Bharat

হায়দরাবাদ, 8 এপ্রিল: নেতিবাচক চরিত্রে তিনি জনপ্রিয় ৷ 'কৃষ্ণকলি' ধারাবাহিকের পার্বতীকে পর্দায় দেখে দর্শকরা মুখ বেঁকালেও অভিনয়ের জোরে মনে জায়গা পাকা করে নিয়েছেন ৷ গ্রাম বাংলার এক মেয়ে আজ টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে নামকরা অভিনেত্রী ৷ পাশাপাশি বিজনেজওম্যানও বটে ৷ ‘অপরাজিতা অপু’, ‘যোগমায়া’, ‘জগদ্ধাত্রী’-র মতো একাধিক ধারাবাহিকে কাজ করেছেন ৷ তিনি সুস্মিতা রায় (চক্রবর্তী) ৷ ইটিভি ভারতে একান্ত আড্ডায় উঠে এল তাঁর জীবন কথা ৷

বর্তমানে কাজের পরিস্থিতি

অভিনয় ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না ৷ অভিনয় আমার রন্ধ্রে শ্বাসে-প্রশ্বাসে মিশে রয়েছে ৷ ক্যামেরার সামনে না আসতে পারলে ভালো লাগে না ৷ তবে আমাদের জগতে কাজের একটা অনিশ্চয়তা থাকে ৷ কারণ পিআর আমি একদম করতে পারি না ৷ কাজ চাওয়ার বিষয়টা সবাইকে বলতে পারি না ৷ আর এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে এটা তো সত্যি, অভিনয়ে তুমি যোগ্য কি না, সেটা দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাওয়া যায় না ৷ আবার অনেক সময় কার কত ফলোয়ার সেটাও নির্ভর করে ৷ যদিও সেটা আমির ক্ষেত্রে খাটেনি ৷ তাই অনেকের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে ৷ তবে যতক্ষণ না শুটিং সেটে যাচ্ছি ততক্ষণ পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না ৷

সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয়তা

একটা সময়ে সাধারণত শুটিংয়ের একটা ছবি তুলে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে ল্যাদ লাগত ৷ ইচ্ছেই করত না ৷ কিন্তু সায়কই (Sayak Chakraborty) আমাকে বলে, ভ্লগিং শুরু করার জন্য ৷ 2 বছর আগে ভ্লগিং শুরু করেছিলাম তবে সেটা ইউটিউবে ৷ এখন সেটাই ফেসবুকে করি ৷ আমিও দেখলাম, ফ্রি আছি যখন করি ৷ আমাদের ভ্লগটা এতটাই ন্যাচারাল সকলে করি যা দর্শকদের ভালো লাগে ৷ আর আমি এখন 'কুটনি বৌদি' হয়ে গিয়েছে সকলের কাছে ৷

কুটনি বৌদির নেপথ্যের কারণ

আমি বেশিরভাগ ধারাবাহিকে নেতিবাচক চরিত্রেই অভিনয় করেছি ৷ সেখান থেকেই ওই কুটনি বিষয়টা শুরু হয় ৷ কুটনি চরিত্রে পার্ট করি সেই হিসাবে ৷ পরবর্তীকালে সেটা লেগপুলিং পর্যায়ে চলে গিয়েছিল ৷ দর্শকরাও দেখল, একটা বাড়ির মেয়েকে-বৌকে লেগপুল করছে কিন্তু সেই মেয়ের তাতে কোনও প্রতিক্রিয়া আসছে না ৷ হাসিখুশি প্রতিক্রিয়া দিচ্ছি ৷ সেটাই মানুষের মনে দাগ কেটে গেল ৷

কংক্রিটের জঙ্গল নয়, গ্রাম বাংলার মেঠো হাওয়া পছন্দের

ছোটবেলায় বাড়িতে কারেন্ট ছিল না ৷ হ্যারিকেনের আলোয় পড়াশোনা ৷ জল-কাদা মারিয়ে যেতে হত স্কুলে ৷ কলকাতায় আসা কলেজে পড়ার সময় ৷ আমার গ্রাম ভীষণ ভালো লাগে ৷ আমি গোবর দিয়ে ঘুঁটেও বানাই ৷ আমি পুকুরে নেমে সাঁতার কাটি, মাছ ধরি ৷ গাছে উঠি ৷ এই নয় যে, এগুলো কন্টেন্টের জন্য বানাচ্ছি ৷ গ্রাম দেখলেই লাফালাফি করতে থাকি ৷ সেই ভিডিয়ো দর্শক দরবারে গেছে, মানুষ ভালোবেসেছে ৷ গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে ৷

বিজনেসওম্যান সুস্মিতা

ছোটবেলা থেকেই ব্যবসা করব এই একটা ঝোঁক ছিল ৷ অভিনয়টা ছিলই ৷ অভিনেত্রী আমাকে হতেই হবে ৷ সেটা আলাদা ৷ কিন্তু এর পাশাপাশি ব্যবসা করতে হবে এটা মাথায় ছিল ৷ আমাদের পরিবারের কেউ অভিনয় বা ব্যবসা এর কোনওটাতেই নেই ৷ সবাই সরকারি চাকরি করেন ৷ আমার কোনওদিনই সরকারি চাকরি করার প্রতি ঝোঁক ছিল না ৷ মা-বাবাকে দেখতাম ওরা সকালে বেরিয়ে যেতেন, রাতে ফিরতেন ৷ আমি ছোটবেলায় ওদের ঠিকভাবে পাইনি ৷ ছোটবেলায় বাড়ির জিনিসপত্র বাইরে বের করে বিক্রি বিক্রি খেলা খেলতাম ৷ অভিনয় জীবন চলার পাশাপাশি ম্যাগাজিন চালানো শুরু করেছিলাম ৷ মাঝে নিজের প্রযোজনা সংস্থাও শুরু করার চেষ্টা করেছিলাম ৷ গথিক কোনও কিছুই আমার কোনওদিন ভালোলাগেনি ৷ জেনেরালি অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দেখা যায় হয় বুটিক বা রেঁস্তোরা খুলতে ৷ আমার প্রথম থেকেই হটকে কিছু করার ইচ্ছে ছিল ৷ সেখান থেকে ব্যবসা শুরুর যাত্রা শুরু ৷

মেডো কার্ট বিজনেস

এটা অনলাইন বিজনেস ৷ আমার ব্র্যান্ডের নাম মেডো কার্ট ৷ এখানে দুঘ, ঘি, মধু, ডিম, দই, ফল, গ্রসারি আইটেম ইত্যাদি ডেলিভার করা হয় ৷ আমার এই প্রোডাক্ট বাংলার আর কোথাও পাওয়া যায় না ৷ ফার্ম টু কাস্টোমার হাউস ৷ কাচা দুধ কোনও রকম প্রক্রিয়াজাত না করেই তা গ্রাহকদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় ৷ আমার ব্র্যান্ডের এটা স্পেশাল ব্যাপার ৷ অভিনয়ের পাশাপাশি এই ব্যবসা আমার চলছে ৷ এই মুহূর্তে, কলকাতা ও হাওড়াতে এই ব্যবসা চালু রয়েছে ৷ প্যান ইন্ডিয়া এই ব্যবসাটাকে নিয়ে যাওয়া লক্ষ্য আমার ৷

অনুরাগীদের ভালোবাসায় আপ্লুত

সুন্দরবন আমার ভীত ৷ কাজের জন্য এখানে ব্যস্ত ৷ বহুদিন সেখানে যাওয়া হয়নি ৷ তবে আমি যখন কোনও গ্রামে যাই বা কোনও অনুষ্ঠানে যাই ভীষণ আতিথেয়তা পাই ৷ ভীষণ সম্মান পাই ৷ সম্প্রতি একটা প্রদর্শনীতে গিয়েছিলাম ৷ বেশ কিছু গৃহবধূ একসঙ্গে মিলে সেই প্রদর্শনীর আয়োজন করেন ৷ সেখানে যখন যাই তাঁদের ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে যাই ৷ তাঁরা বলেন, "আমি নাকি তাঁদের মডেল ৷" আমাকে দেখেই তাঁদের নাকি শুরু করা ৷ গ্রামবাংলা থেকে এসে আমার মতো একটা মেয়ে যদি এই শহরের বুকে জমি শক্ত করতে পারে, তাহলে তাঁরা কেন পারবে না ? এমন কথা যখন অনেকের মুখে শুনি, আমাকেও যে কেউ আইজল ভাবছে, আমাকে দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছে, আমার কাছে এটাই জীবনের বড় অ্যাচিভমেন্ট ৷

গডফাদার নেই, টিকে থাকার লড়াই...

শুরুতে টার্গেট ছিলই আমাকে কাজে রপ্ত হতে হবে ৷ কিছুটা ভিতরে ছিল, বাকিটা রপ্ত করেছি ৷ সব থেকে আগে শিখেছি, চোখ দিয়ে কীভাবে এক্সপ্রেশন দিতে হয় ৷ কোনও সংস্থা থেকে অভিনয় আমি শিখিনি ৷ ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, অভিনয় শেখা যায় না ৷ ওটা ভেতরেই থাকে ৷ শুধু চোখ-নাক-কান খোলা রাখতে হয় ৷ যে চরিত্রটা করছি, তার কথা বলার ধরন, বডি ল্যাঙ্গোয়েজ কী হবে সেটা আসল বিষয় ৷ আমরা চোখ খোলা রেখে আশেপাশের মানুষজনদের দেখি তাহলে সেখান থেকেই উদাহরণ পেয়ে যাই ৷

'কৃষ্ণকলি' ধারাবাহিকে আমার মানে পার্বতী চরিত্রের অন্যরকম বলার ধরণ ছিল ৷ সেটা আমি ভীষণভাবে লক্ষ্য করেছি বা ফলো করেছি সামনে থেকে দেখা কিছু মানুষকে ৷ এখনও পর্যন্ত দর্শক সেই চরিত্রে আমাকে মনে রেখেছেন ৷ সেটাও আমার কাছে ভালো লাগার বিষয় ৷

কয়েকমাসেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ধারাবাহিক

আসলে এখন ইন্ডাস্ট্রিতে কোয়ালিটি ওয়ার্কটা নষ্ট হয়ে গেছে ৷ একই ধরনের গল্প হয়ে গেছে ৷ যাঁরা অভিনয় করছেন তাঁরাও যে চিত্রনাট্য পড়ার খুব সময় পাচ্ছেন তা কিন্তু নয় ৷ সবার হাতে সময় কম ৷ অনেক সময় হয় ফ্লোরে গিয়ে চিত্রনাট্য হাতে পাচ্ছি ৷ তৎক্ষনাৎ পরে অভিনয় করছি ৷ এখানে কাউকে কোনওভাবে দোষ দেওয়া যায় না ৷ সবকিছুই ইন্সট্যান্ট ৷ সেটা কখনই কোয়ালিটি ওয়ার্ক হতে পারে না ৷ যে কারণে ধারাবাহিকের মান পড়ছে ৷ তবে কিছু ধারাবাহিক আছে যেগুলো হাজার পর্ব অতিক্রম করেছে ৷ যেমন সম্প্রতি জগদ্ধাত্রি ধারাবাহিকে কাজ করেছি আমি ৷ সেই ধারাবাহিক হাজার পর্ব হতে চলল ৷ কিছু কিছু সিরিয়াল আছে যেগুলো গল্পের জোরে চলছে ৷

হঠাৎ করেই তারকাদের জনপ্রিয়তা, তারপরেই হারিয়ে যাওয়া

ধারাবাহিকে হিট হওয়ার পর কাজের সুবাদে একজন মুখ্য অভিনেত্রী সিনেমায় কাজ পেয়ে গেলেন, এমনটা ব্যক্তিগতস্তরে আমার মনে হয় না ৷ এটার সঙ্গে আরও দুটো কারণ জড়িয়ে থাকে ৷ এক পিআর, দুই ভাগ্য ৷ লাক ফ্যাক্টরটা লাগে ৷ পিআর স্ট্রং হলে যোগাযোগ ভালো হয় ৷ কাজ আসে ৷ কাজ করতে করতে যে সেটা শিখছে, ভালো কাজ আসছে, সেটা আলাদা বিষয় ৷

সিনেমা-সিরিয়ালে লিড করার ইচ্ছা

আমি আমার জীবনের লিড অ্যাক্টর ৷ আমার কখনই মনে হয়নি মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করব ৷ সবসময় লক্ষ্য ছিল একজন ভালো অভিনেত্রী হওয়ার ৷ যে চরিত্রেই আমাকে ফেলো না কেন আমি সেটায় আমার সেরাটা দেব ৷ আমি কখনই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করার জন্য ছুটিনি ৷

ধারাবাহিক না ওটিটি

যাঁরা সিরিয়ালের দর্শক তাঁরা কিন্তু সিরিয়ালটাই দেখেন ৷ ইয়ং জেনারেশন কতটা দেখে জানি না ৷ বাড়িতে যাঁরা সারাক্ষণ থাকেন হোম মেকার বা প্রবীণ যাঁরা, কোনও কোনও পুরুষ, যাঁরা বাড়িতেই থাকেন তাঁরা ধারাবাহিক দেখেন ৷ ওয়েব সিরিজ দেখে ইয়াং জেনারেশন ৷ বিনোদনের এই ক্ষেত্রে দর্শক আলাদা ৷

কাজের ইচ্ছা

আমার ভীষণ কাজ করার ইচ্ছে পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে ৷ এছাড়া অভিনেতাদের মধ্যে অনির্বান চক্রবর্তীর সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে ৷ আমি পাগল ওনার জন্য ৷ অভিনেত্রীদের মধ্যে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের কাজ ভীষণ ভালো লাগছে ৷ ম্যাচিওর অভিনেত্রী একজন ৷

সন্তান হারানোর যন্ত্রণা...এগিয়ে চলা

আমার বাচ্চার মৃত্যু চিকিৎসকের ভুলে হয়েছে ৷ সেই কারণে একটা অঘটন ঘটে গিয়েছে ৷ মানুষ মাত্রই তো ভুল হয় ৷ যেটা হওয়ার নয়, সেটা হয়েছে ৷ সেখানে তো আর কিছু করার নেই ৷ সেটা নিয়ে যদি আমি বসে থাকি, তাহলে খারাপ লাগার ভারটা বাড়বে ৷ কিছু ফিরে আসবে না ৷

আমি আমার প্রথম সন্তানের মৃত্যুতে কাঁদতে পর্যন্ত পারিনি ৷ সি সেকশন হওয়ার পর যে কোনও মা তার সন্তানের মুখ দেখে অপারেশনের যন্ত্রণা ভুলে যায় ৷ আমার পেটে যেহেতু কাটা ছিল কাশতে পর্যন্ত পারছিলাম না ৷ কাঁদতে গেলে তো শরীরে ঝাঁকুনি হবে ৷ সেটা হলেও অপারেশনের জায়গায় টান পড়বে ৷ ফলে আমার ইমোশনটাকে মেরে ফেলেছিলাম ৷ আমার স্বামী (সব্যসাচী চক্রবর্তী) হয়তো একটু কেঁদে ছিল ৷ কিন্তু আমার সামনে নয় ৷

আমি মনে করি ওটা আমার আর একটা জন্ম ছিল ৷ জীবনের একটা পার্ট ৷ ঘটেছে একটা ঘটনা ৷ যেদিন থেকে আমি বুঝতে শিখেছি সেদিন থেকেই বাচ্চা, সংসার আমার চাই ৷ কাজের পাশাপাশি এটাও আমি ভীষণভাবে চাই ৷ অনেক সময় পরিস্থিতি সঙ্গ দেয় না ৷ জানি না কোনওদিন বাস্তবায়িত হবে কি না ৷ আমি ভীষণভাবে মা হতে চাই ৷

অপেক্ষা-অবসাদ কাটানোর মন্ত্র

শরীরের পাশাপাশি মনেরও ব্যায়াম হয় ৷ সেটা আমি করি ৷ সেই ব্যায়াম করলে বোঝা যায়, অবসাদ বিষয়টা আসে না ৷ ওটা আমরা চুস করি ৷ আমাদের কাছে চয়েস থাকে ৷ প্রবাদ আছে, ভেবে কথা বলো ৷ কিন্তু কথা বলার আগে ভেবে ভাবো ৷ অর্থাৎ তুমি যেটা ভাবছ সেটা কি ভাবার মতো তবেই তুমি ভাবো ৷ অনেক সময় অনেক কথা মুখে বলতে না পারলেও মনের ভিতর তোলপাড় করে ৷ না বলতে পারা কথার পিছনে একশোটা ভাবনা ৷ সেখান থেকেই মানসিক অশান্তি শুরু ৷ তারপর আসে অবসাদ ৷ সেই ভাবনাটা ভাবার যে অবসর সেটাই যগি মনটাকে না দিই বা মস্তিষ্ককে না দিই তাহলেই আমাদের অবসাদ আসবে না ৷ আমি কোনওভাবে নেতিবাচক ভাবি না ৷ যেটা আমার হয়নি বা যেটাই অসফল হয়েছি, সেটা থেকে আমি শিক্ষা পেলাম ৷ সেটা আমার লস্ট নয় ৷ এইভাবেই নিজেকে মোটিভেট করি ৷ আশাপাশের মানুষকেও এইভাবেই মোটিভেট করি ৷

Last Updated : April 10, 2025 at 3:22 PM IST