ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

🎬 Watch Now: Feature Video

thumbnail
মৎস্যজীবীদের পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন শুভেন্দু (ইটিভি ভারত)

By ETV Bharat Bangla Team

Published : August 30, 2026 at 4:36 PM IST

1 Min Read
Choose ETV Bharat

15 জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর থেকে গত 2 জুলাই রওনা হয়েছিল মা কালী নামের ট্রলার। কয়েকদিন পর গভীর সমুদ্রে ট্রলারটি নিখোঁজ হয়ে যায়। 5 জুলাইয়ের পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর দক্ষিণ 24 পরগনার থানার পুলিশ ও বন দফতর এবং ভারতীয় উপকূল দক্ষিণ বাহিনী বাঘের চরের কাছ থেকে ডুবন্ত ট্রলার শনাক্ত করে । পরে সেটিকে উদ্ধার করে গোবর্ধনপুরে আনা হয়। ট্রলারের ভিতর থেকে 9 জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। 

পরে আরও 3 জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এখনও নিখোঁজ তিনজন ৷ শনিবার রাত 10টা নাগাদ দিঘা থানা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের মৃত 9 মৎস্যজীবীর পরিবারের হাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিয়োগপত্র তুলে দেন। তাঁরা বলেন, "মানবিক মুখ্যমন্ত্রী আমাদের হোমগার্ডের চাকরি দিয়েছেন। এতে আমরা খুব খুশি।" এনিয়ে রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও শঙ্করপুর ফিশারমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ নায়ক বলেন, "আমি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বিষয়টি জানায়। উনি দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারের কাজ শুরু করান‌। মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের সদস্যদের তিনি চাকরি দেওয়ায় ভীষণ খুশি। 

যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা ৷ সুমন রাউত, দেবব্রত রাউত, সন্তোষ গিরি, দীপক সিট, অমিত কুমার মাঝি, সুমিত মাঝি, মধুস্মিতা মাঝি, শান্তিবালা গিরি, কল্পনা গিরি ৷ 

15 জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর থেকে গত 2 জুলাই রওনা হয়েছিল মা কালী নামের ট্রলার। কয়েকদিন পর গভীর সমুদ্রে ট্রলারটি নিখোঁজ হয়ে যায়। 5 জুলাইয়ের পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর দক্ষিণ 24 পরগনার থানার পুলিশ ও বন দফতর এবং ভারতীয় উপকূল দক্ষিণ বাহিনী বাঘের চরের কাছ থেকে ডুবন্ত ট্রলার শনাক্ত করে । পরে সেটিকে উদ্ধার করে গোবর্ধনপুরে আনা হয়। ট্রলারের ভিতর থেকে 9 জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। 

পরে আরও 3 জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এখনও নিখোঁজ তিনজন ৷ শনিবার রাত 10টা নাগাদ দিঘা থানা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের মৃত 9 মৎস্যজীবীর পরিবারের হাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিয়োগপত্র তুলে দেন। তাঁরা বলেন, "মানবিক মুখ্যমন্ত্রী আমাদের হোমগার্ডের চাকরি দিয়েছেন। এতে আমরা খুব খুশি।" এনিয়ে রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও শঙ্করপুর ফিশারমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ নায়ক বলেন, "আমি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বিষয়টি জানায়। উনি দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারের কাজ শুরু করান‌। মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের সদস্যদের তিনি চাকরি দেওয়ায় ভীষণ খুশি। 

যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা ৷ সুমন রাউত, দেবব্রত রাউত, সন্তোষ গিরি, দীপক সিট, অমিত কুমার মাঝি, সুমিত মাঝি, মধুস্মিতা মাঝি, শান্তিবালা গিরি, কল্পনা গিরি ৷