ঘরে হাঁটু জল, টানা বৃষ্টিতে দুর্ভোগের চেনা ছবি আসানসোলে

🎬 Watch Now: Feature Video

thumbnail
গাঁড়ুই নদীর জলে প্লাবিত আসানসোলের একাধিক এলাকা (ইটিভি ভারত)

By ETV Bharat Bangla Team

Published : September 2, 2026 at 3:24 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

দু'দিনের টানা বৃষ্টিতে আসানসোলের রেলপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবল গাঁড়ুই নদীর জলে ৷ বিপর্যস্ত উত্তর আসানসোলের রামকৃষ্ণ ডাঙাল, চাঁদমারি, দিলদার নগর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার জনজীবন । আসানসোল উত্তর বিধানসভায় রেলপাড়ের তিনটি ওয়ার্ডের বহু বাড়িতে মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকেই জল ঢুকতে শুরু করে । বুধবার সকালে গোটা এলাকাই কার্যত জলের তলায় । জল ঢুকে গিয়েছে শতাধিক বাড়িতে । বন্ধ হয়েছে রাস্তা । বহু বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে । ত্রাণের ব্যবস্থা করছেন জন প্রতিনিধিরা । বন্ধ হয়েছে রাস্তা, যাতায়াত।

মাত্র কয়েকদিন আগেই আসানসোলের গাঁড়ুই নদীতে রাতারাতি জল বেড়ে যাওয়ায় বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল । ফের দু'দিনের বৃষ্টিতে একই প্লাবনের ছবি দেখা গেল আসানসোল রেলপাড়ে । বিষয়টির আগাম আঁচ ক'রে নদীর পাশে থাকা মানুষজনকে এলাকা থেকে সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে । 

স্থানীয় বাসিন্দা সুজাতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ । কোনও ব্যবস্থা হচ্ছে না । অফিসে যেতে পারি না । কোনও সময় কাজে গেলে জল বেড়ে যাওয়ার কারণে সেখান থেকে ফিরতে পারি না । বাইরে থাকতে হয় । বহু দিনমজুর আছেন, যারা এই সময় কাজ হারান । গরিব মানুষদের বাড়িতে জল ঢুকে যায় । বছরের পর বছর এই সমস্যার কোনও পরিবর্তন নেই । দয়া করে এর একটি স্থায়ী সমাধান করুন জনপ্রতিনিধিরা ।"

আরেক বাসিন্দা বাবলি শর্মা বালতি দিয়ে নিজের বাড়ি থেকে জল বের করতে করতেই বলেন, "সামান্য বৃষ্টি হলেই বাড়ির মধ্যে জল ঢুকে যায় । সারারাত জেগে বসে আছি । কখন জলস্তর বেড়ে যায় সেই ভয়ে । সকাল থেকে বালতি করে জল বের করছি । ঘরের মধ্যে সমস্ত কিছু ভেসে গিয়েছে । সমস্ত আসবাব নষ্ট হয়ে যায় । খাবারদাবারের জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গিয়েছে । আমাদের এইভাবেই বাঁচতে হচ্ছে । কেউ এসে একবারও খোঁজ নিয়ে যায়নি ।"

অন্যদিকে ওই এলাকার কাউন্সিলর গৌরব গুপ্তকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, "আমরা রাত থেকেই মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া শুরু করেছি । মাইকে ঘোষণা করে মানুষজনকে সচেতন করে করা হয়েছে । মানুষজন নিজেরাও নিরাপদ স্থানে বেরিয়ে গিয়েছে । যে সমস্ত মানুষরা বাড়িতে রান্না করতে পারবেন না কিংবা মন্দির জায়গায় স্থান আশ্রয় নিয়েছে তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে । এছাড়াও যাদের কাঁচা বাড়ি সেই সমস্ত মানুষজনদের ত্রিপল দেওয়া হয়েছে, তাদের ত্রাণ সামগ্রীও পৌঁছানো হচ্ছে ।"

দু'দিনের টানা বৃষ্টিতে আসানসোলের রেলপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবল গাঁড়ুই নদীর জলে ৷ বিপর্যস্ত উত্তর আসানসোলের রামকৃষ্ণ ডাঙাল, চাঁদমারি, দিলদার নগর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার জনজীবন । আসানসোল উত্তর বিধানসভায় রেলপাড়ের তিনটি ওয়ার্ডের বহু বাড়িতে মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকেই জল ঢুকতে শুরু করে । বুধবার সকালে গোটা এলাকাই কার্যত জলের তলায় । জল ঢুকে গিয়েছে শতাধিক বাড়িতে । বন্ধ হয়েছে রাস্তা । বহু বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে । ত্রাণের ব্যবস্থা করছেন জন প্রতিনিধিরা । বন্ধ হয়েছে রাস্তা, যাতায়াত।

মাত্র কয়েকদিন আগেই আসানসোলের গাঁড়ুই নদীতে রাতারাতি জল বেড়ে যাওয়ায় বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল । ফের দু'দিনের বৃষ্টিতে একই প্লাবনের ছবি দেখা গেল আসানসোল রেলপাড়ে । বিষয়টির আগাম আঁচ ক'রে নদীর পাশে থাকা মানুষজনকে এলাকা থেকে সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে । 

স্থানীয় বাসিন্দা সুজাতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ । কোনও ব্যবস্থা হচ্ছে না । অফিসে যেতে পারি না । কোনও সময় কাজে গেলে জল বেড়ে যাওয়ার কারণে সেখান থেকে ফিরতে পারি না । বাইরে থাকতে হয় । বহু দিনমজুর আছেন, যারা এই সময় কাজ হারান । গরিব মানুষদের বাড়িতে জল ঢুকে যায় । বছরের পর বছর এই সমস্যার কোনও পরিবর্তন নেই । দয়া করে এর একটি স্থায়ী সমাধান করুন জনপ্রতিনিধিরা ।"

আরেক বাসিন্দা বাবলি শর্মা বালতি দিয়ে নিজের বাড়ি থেকে জল বের করতে করতেই বলেন, "সামান্য বৃষ্টি হলেই বাড়ির মধ্যে জল ঢুকে যায় । সারারাত জেগে বসে আছি । কখন জলস্তর বেড়ে যায় সেই ভয়ে । সকাল থেকে বালতি করে জল বের করছি । ঘরের মধ্যে সমস্ত কিছু ভেসে গিয়েছে । সমস্ত আসবাব নষ্ট হয়ে যায় । খাবারদাবারের জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গিয়েছে । আমাদের এইভাবেই বাঁচতে হচ্ছে । কেউ এসে একবারও খোঁজ নিয়ে যায়নি ।"

অন্যদিকে ওই এলাকার কাউন্সিলর গৌরব গুপ্তকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, "আমরা রাত থেকেই মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া শুরু করেছি । মাইকে ঘোষণা করে মানুষজনকে সচেতন করে করা হয়েছে । মানুষজন নিজেরাও নিরাপদ স্থানে বেরিয়ে গিয়েছে । যে সমস্ত মানুষরা বাড়িতে রান্না করতে পারবেন না কিংবা মন্দির জায়গায় স্থান আশ্রয় নিয়েছে তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে । এছাড়াও যাদের কাঁচা বাড়ি সেই সমস্ত মানুষজনদের ত্রিপল দেওয়া হয়েছে, তাদের ত্রাণ সামগ্রীও পৌঁছানো হচ্ছে ।"