
'হেরিটেজ' শান্তিনিকেতন ভ্রমণ (ইটিভি ভারত)
বোলপুর, 3 জানুয়ারি: ভ্রমণের মরশুম ! 'ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ' শান্তিনিকেতনে থিকথিক করছে পর্যটক । কিন্তু, শান্তিনিকেতনে এলে কী কী দেখবেন ? কোন জায়গার গুরুত্ব কতটা ৷ কোনটা না-দেখলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'প্রাণের আরাম' শান্তিনিকেতন ভ্রমণ বৃথা ? সে সব বিস্তারিত জানুন ইটিভি ভারতে ৷
2023 সালের 17 সেপ্টেম্বর, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীকে 'ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ' (World Heritage) তকমা দিয়েছে ইউনেসকো (UNESCO)। শান্তিনিকেতনে ভ্রমণের এলে যেগুলো অবশ্যই ঘুরে দেখবেন--
13 জুন, 1940 শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে বিশেষ সংবর্ধনা দিয়েছিলেন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ইটিভি ভারত) শান্তিনিকেতন আশ্রম ও বিশ্বভারতী
1883 সালের মার্চ মাসে রায়পুরের জমিদার ভুবনমোহন সিংহের কাছ থেকে ছাতিমতলা-সহ 20 বিঘা জমি বার্ষিক 5 টাকা খাজনায় মৌরসীপাট্টা পেয়েছিলেন প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর । উদ্দেশ্য ছিল অরণ্য বেষ্টিত এই স্থানে একটি ব্রহ্ম আশ্রম প্রতিষ্ঠা করা ৷ তবে জমি পাওয়ার আগে থেকেই এখানে একটি গৃহ ছিল ৷ যা আজ 'শান্তিনিকেতন গৃহ' হিসাবে পরিচিত । এই স্থানেই মহর্ষি শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন ৷
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, পরিকাঠামো নিয়ে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতাদর্শগত পার্থক্য বরাবরই ছিল ৷ শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠার পর এখানে শুরু হয় ব্রহ্ম উপাসনা ৷ পাশাপাশি পঠন-পাঠন শুরুর চিন্তাভাবনা করেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৷ সেই মত 1901 সালে শুরু হয় বিদ্যালয় অধ্যয়ন। প্রথমে এর নাম ছিল 'ব্রহ্মচর্যাশ্রম'। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'বিশ্বভারতী' নামকরণ করেন ৷ 1918 সাল থেকে বিশ্বভারতী সম্পূর্ণ আত্মপ্রকাশ হয় ৷ তবে 1921 সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতীর জন্ম হয় ৷ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পণ্ডিত ব্যক্তিদের আহ্বান করে আনেন রবীন্দ্রনাথ। শুরু হয় বিশ্বভারতীর পথ চলা ৷
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পদক ( বাঁ-দিকে আসল), রেপ্লিকা (ডানদিকে) (ইটিভি ভারত) গীতাঞ্জলি (ইংরেজি অনুবাদ) লিখে 1913 সালের 13 নভেম্বর সাহিত্যে নোবেল পান বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৷ প্রথম বাঙালি হিসাবে নোবেল আসে ৷ এশিয়ায় প্রথম নোবেলজয়ী তিনি ৷ এই নোবেল পদক রাখাছিল বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় ৷ আমাদের সকলের দুর্ভাগ্য 2004 সালের 25 মার্চ সেই নোবেল পদক চুরি হয়ে যায় ৷ যা বিশ্বের ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায়। পরে 2005 সালের 7 মে সুইডেনের নোবেল কমিটি বিশ্বভারতীকে একটি নোবেল পদকের রেপ্লিকা দেয় ৷ যা প্রদর্শিত হয় রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় ৷
1) উপাসনা গৃহ
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইচ্ছানুসারে 1891 সালের 21 ডিসেম্বর 'ব্রহ্ম মন্দির' বা 'উপসনা গৃহ' প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢালাই লোহা ও বেলজিয়ামের কাঁচ দিয়ে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছে 'শিকদার কোম্পানি'। প্রতি বুধবার এখানে ব্রহ্ম উপাসনার রীতি বিদ্যমান। এছাড়া, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় বিশেষ উপাসনাও হয়ে থাকে ৷
2) শান্তিনিকেতন গৃহ'শান্তিনিকেতন গৃহ' থেকেই এই এলাকার নাম 'শান্তিনিকেতন' হয়েছে ৷ অর্থাৎ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠার আগে থেকেই এই গৃহ ছিল ৷ এমনটা জানা যায়, রায়পুরের জমিদার প্রতাপ নারায়ণ সিংহের দলিল থেকে ৷ উপাসনা গৃহ প্রতিষ্ঠার আগে এই শান্তিনিকেতন গৃহেই ব্রহ্ম উপাসনা হত । 1895 সাল থেকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সপরিবারে এই গৃহে বসবাস করতেন ৷
শান্তিনিকেতন গৃহ (ইটিভি ভারত) 3) রবীন্দ্রভবনবিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণের পর তাঁর স্মরণে 1982 সালে সংগ্রহশালার 'রবীন্দ্রনাথ ভবন' নামকরণ হয়। গুরুদেবের ব্যবহৃত মূল্যবান সমস্ত সামগ্রী, ছবি, সৃষ্টি এখানে প্রদর্শিত হয় ৷ এছাড়া রবীন্দ্রভবন চত্বরে রয়েছে উদয়ন, কোনার্ক, শ্যামলী, পুনশ্চ, উদীচী গৃহ ৷ এই এক একটি বাড়িতে এক এক সময় বসবাস করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৷
রবীন্দ্রভবন চত্ত্বরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদয়ন গৃহ (ইটিভি ভারত) রবীন্দ্রভবন চত্ত্বরে শ্যামলী গৃহ ও কোনার্ক বাড়ি রবীন্দ্রভবনের ভিতরে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনা অনুযায়ী প্রখ্যাত শিল্পী রামকিঙ্কর বেইজ 'শ্যামলী গৃহ' নির্মাণ করেন ৷ এই বাড়ির ছাদটিও মাটি দিয়েই তৈরি । ফলে গ্রীষ্মকালে খুব ঠান্ডা থাকে ঘরটি ৷ প্রখর দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতেই এই বাড়িটি নির্মাণ হয়েছিল ৷ একদা এই বাড়িতে থেকে গিয়েছেন, জাতীর জনক মহাত্মা গান্ধি ও তাঁর স্ত্রী কস্তুরবা ৷
রবীন্দ্রভবন চত্ত্বরে শ্যামলী গৃহ, শান্তিনিকেতনে এলে এখানে সস্ত্রীক মহাত্মা গান্ধি থাকতেন (ইটিভি ভারত) কবি যেখানে বসে লিখবেন সেখান থেকে যেন দূরদূরান্ত পর্যন্ত দেখা যায় ৷ মূলত এই ভাবনা থেকেই 1919 সালে তৈরি হল কোনার্ক বাড়ি । উঁচু ভিতের উপর বাড়িটি। চারধার প্রায় খোলা ৷ ছাদটি ধরে রাখার জন্য চারটি থাম রয়েছে ৷ এটিও রবীন্দ্রভবনের ভিতরেই অবস্থিত ।
রবীন্দ্রভবন চত্ত্বরে কোণার্ক গৃহ (ইটিভি ভারত) 4) সঙ্গীত ভবননৃত্য ও সঙ্গীত চর্চার অন্যতম প্রাচীন প্রতিষ্ঠান। সম্ভবত, 1923 সালে দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মারাঠি সঙ্গীত শিল্পী ভীমরাও শাস্ত্রীর তত্ত্বাবধানে 'সঙ্গীতভবন' গড়ে ওঠে ৷ বিশ্বভারতীর যাবতীয় বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলিতে মূলত এই ভবনের পড়ুয়ারাই অংশ নেন।
5) কলাভবনকবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনায় 1923 সালে শিল্পী নন্দলাল বসুর তত্ত্বাবধানে গড়ে 'কলাভবন'। যদিও, এই ভবন গড়তে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুরেন্দ্রনাথ কর, অসিতকুমার হালদারের অবদান স্মরণীয়। পরবর্তীতে যোগ দেন রামকিঙ্কর বেইজ ৷ ষড়ঙ্গ বিভাগের শিল্পকলার অন্যতম প্রতিষ্ঠান এটি ৷
6) সিংহ সদন1927 সালে রায়পুরের জমিদার সিংহ পরিবারের 11 হাজার টাকা ব্যয়ে এই 'সিংহ সদন' তৈরি হয়। আগে এর নাম ছিল 'সিংহ ভবন'। লর্ড সত্যেন্দ্রপ্রসন্ন সিংহের স্মরণে এই সদন ৷ এখানে একটি বৃহৎ ঘড়ি রয়েছে । এই ঘড়ি ধরেই আশ্রমের কাজকর্ম হয়ে আসছে ৷
7) শ্রীনিকেতন কুঠি বাড়িগ্রামের কৃষিকাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীনিকেতন স্থাপন করেন ৷ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তত্ত্বাবধানে রেললাইন স্থাপন হচ্ছিল ৷ সেই সময় কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার উইলিয়ক্সনের অফিস ছিল সুরুল কুঠি বাড়িটি ৷ পরবর্তীতে এই বাড়িটি কোম্পানির কাছ থেকে কিনে নেন রায়পুরের জমিদার নরেন্দ্রনাথ সিংহ । 1912 সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়পুরের জমিদারদের কাছ থেকে কুঠিবাড়িটি ক্রয় করেন ৷ পরিত্যক্ত জঙ্গলময় কুঠি পরিষ্কার করে 1914 সালে কুঠিবাড়িতে গৃহপ্রবেশ হয় । সুরুল কুঠি বাড়িই 'শ্রীনিকেতন কুঠিবাড়ি' নামে পরিচিত। পরবর্তীতে কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বাড়ি থেকে কৃষি গবেষণার কাজ শুরু করেন।
8) আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবনবাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বাবধানে বিশ্বভারতীতে গড়ে ওঠে বাংলাদেশ ভবন ৷ 2018 সালের 25 শে মে ভারত এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনা এই ভবনের উদ্বোধন করেন। এই ভবনের জাদুঘরে রয়েছে ২৫ হাজার বছরের পুরনো বাংলার সভ্যতা, কৃষ্টির নিদর্শন। রয়েছে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় তথ্য। দুই বাংলার সম্পর্ক ও মেলবন্ধন অটুট রাখার উদ্দেশ্যেই মূলত গড়ে ওঠে "বাংলাদেশ ভবন"।
আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবন (ইটিভি ভারত) 9) সৃজনী শিল্পগ্রামভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনস্থ পূর্বাঞ্চল সংস্কৃতি কেন্দ্রের অন্যতম এই সৃজনী শিল্পগ্রাম। 1996 সালে ভারতের দ্বাদশ প্রধানমন্ত্রী এইচডি দোদ্দেগৌড়া দেব গৌড়া শান্তিনিকেতনে এই শিল্পগ্রামের উদ্বোধন করেন। এখানে এক একটি ঘরে পশ্চিমবঙ্গ-সহ অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মণিপুর, ওড়িশা, সিকিম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, আন্দামান-নিকোবর প্রভৃতি 9টি প্রতিবেশী রাজ্যের লোকসংস্কৃতি প্রদর্শিত হয় ৷
পূর্বাঞ্চল সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সৃজনী শিল্পগ্রাম (ইটিভি ভারত) 10) সুরুল জমিদার বাড়ি বর্ধমান জেলার নীলপুর গ্রাম থেকে বীরভূমের শান্তিনিকেতন লাগোয়া সুরুল গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন ভরত চন্দ্র ঘোষ ('সরকার' পদবি ইংরেজ প্রদত্ত)। তাঁকে সরকার বাড়ির প্রাণপুরুষ বলা হত । জানা যায়, তাঁরই পুত্র কৃষ্ণহরি সরকার জমিদার বাড়ির অভ্যন্তরে আনুমানিক 287 বছর আগে দুর্গাপুজোর সূচনা করেন । আজও তা প্রথা মেনে চলে আসছে । বহু মানুষ সুসজ্জিত জমিদার বাড়িটি দেখতে ভিড় জমান ৷ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল এই সরকার জমিদার বাড়ির ৷
সুরুল জমিদার বাড়ি (ইটিভি ভারত) 11) কোপাই নদী
ময়ূরাক্ষী নদীর একটি ছোট্ট উপনদী হল কোপাই ৷ শান্তিনিকেতনের সৌন্দর্যের অন্যতম ধারক ও বাহক এই নদী ৷ কবিগুরুর বর্ণনায় 'আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে...' বা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'হাঁসুলি বাঁকের উপকথা'। সবই এই নদীকে ঘিরেই ৷ ইদানিং, গোয়ালপাড়ায় কোপাই নদীর তীরে একটি হাটও বসছে।
12) সোনাঝুরি জঙ্গলে খোয়াই হাটশ্যামবাটি থেকে বল্লভপুর জঙ্গলের ক্যানেল লাগোয়া অরণ্যসমুদায় 'সোনাঝুরি'র জঙ্গল নামে পরিচিত ৷ এই 'সোনাঝুরি' নাম কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরই দেওয়া ৷ আনুমানিক 1998 সালে এই জঙ্গলে স্থানীয় আদিবাসী মানুষজনের তৈরি শিল্পকর্ম নিয়ে একটি হাটের সূচনা করেন প্রয়াত আশ্রমিক শ্যামলী খাস্তগীর। প্রতি শনিবার বসত এই হাট ৷ বর্তমানে হাটের পরিসর অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে ৷ শনি ও রবিবার এই হাট বৃহৎ আকারে বসলেও সপ্তাহের অন্যান্য দিনও ছোট করে বসে 'খোয়াই হাট'। পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ জঙ্গলের হাটটি ৷
সোনাঝুরি জঙ্গলে খোয়াই হাট (ইটিভি ভারত) 13) সতীপীঠ কংকালীতলা মন্দিরকোপাই নদীর তীরে সতীর একান্নপীঠের অন্যতম কংকালীতলা মন্দির৷ কথিত আছে দক্ষযজ্ঞের সময় দেবী পার্বতীর অস্থি পবিত্র কুণ্ডতে পড়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে এটি ২৮ নম্বর সতীপীঠ৷ বৎসরে বিভিন্ন সময়ে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে এখানে।
সতীপীঠ কংকালীতলা মন্দির (ইটিভি ভারত) 14) রায়পুর রাজবাড়ি বর্গী আক্রমণ থেকে বাঁচতে 1780 দশকে মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থেকে প্রায় 1 হাজার তাঁতশিল্পীকে নিয়ে বীরভূমের অজয় নদের তীরে রায়পুরে চলে এসেছিলেন লালচাঁদ সিংহ ৷ পরে এখানে তাঁর ছেলে শ্যামকিশোর সিংহ জমিদারি শুরু করেন। এই সিংহ পরিবারের গুরুদেব ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ৷ 1863 সালে ভুবনডাঙ্গার পুকুর-সহ প্রায় 20 বিঘা জমি মহর্ষিকে দান করেন এই সিংহ পরিবার ৷ আজ সেই স্থান শান্তিনিকেতন ও বিশ্বভারতী নামে আদৃত। আজও রায়পুর গ্রামে সিংহ পরিবারের ভগ্নপ্রায় রাজবাড়ি বহু ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ।
রায়পুর রাজবাড়ি (ইটিভি ভারত) বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালা ঘুরে দেখতে সামনের টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে ৷ বুধবার বন্ধ থাকে এই সংগ্রহশালা।
প্রবেশ মূল্য- সর্বসাধারণের জন্য- 100 টাকা ৷
গাইড সহ- 250 টাকা।
পড়ুয়াদের জন্য (আই-কার্ড দেখিয়ে)- 50 টাকা।
বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে- 500 টাকা
প্রতি শনি ও রবিবার পর্যটকদের বিশ্বভারতীর 'হেরিটেজ' ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার সুযোগ রয়েছে । এক্ষেত্রেও রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালার টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হয় ৷
প্রবেশ মূল্য- সর্বসাধারণের জন্য- 300 টাকা।
পড়ুয়াদের জন্য- 150 টাকা।
বিদেশি পর্যটকদের জন্য- 1000 টাকা।
অনলাইনে টিকিট কাটার কোন সুবিধা এখনও পর্যন্ত নেই ৷