এই নিয়ম না মানলে বন্ধ হবে WhatsApp, বড় নির্দেশ কেন্দ্রীয় সরকারের
Whatsapp SIM Binding Feature : ভুয়ো WhatsApp অ্যাকাউন্ট ঠেকাতে Sim Binding সাপোর্ট চালু করা হচ্ছে ৷

Published : February 24, 2026 at 5:28 PM IST
হায়দরাবাদ : যত দিন যাচ্ছে সাইবার প্রতারণার সংখ্যাও বাড়ছে ৷ প্রতারকরা মূলত হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে লিঙ্ক পাঠিয়ে ফাঁদ পাতছে ৷ ভুল করে যেখানে পা দিলেই বিপদ ৷ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৷ নিরাপত্তার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে সিম বাইন্ডিং (Sim Binding) চালু করল WhatsApp ৷ তবে এই ফিচারটি এখনই রোল আউট করা শুরু হয়নি ৷ এর জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে ৷
সিম বাইন্ডিং কী ?
ভুয়ো WhatsApp অ্যাকাউন্ট ঠেকাতে Sim Binding সাপোর্ট চালু করা হচ্ছে ৷ যে নম্বর দিয়ে WhatsApp ব্যবহার করা হচ্ছে, সেই নম্বরের সিম ফোনে রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হবে Sim Binding সাপোর্টের মাধ্যমে ৷ যেহেতু এটি একটি সিকিউরিটি সাপোর্ট সিস্টেম সেই কারণে এই কাজটি প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে বাধ্যতামূলকভাবে করতে হবে ৷

কেন সিম বাইন্ডিং জরুরি ?
প্রতারকরা যে নম্বর দিয়ে WhatsApp ব্যবহার করে সাধারণত সেই নম্বরের সিম ফোনে ব্যবহার করে না ৷ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাক্টিভ করার পর ওই নম্বরের সিমটি নষ্ট করে দেয় ৷ এর ফলে তদন্তকারী অফিসাররা অপরাধীকে ট্র্যাক করতে পারেন না ৷ এই সমস্যা সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে Sim binding সাপোর্ট চালু করার নির্দেশ দেয় ৷ সেই নির্দেশ পেয়ে Meta র তরফে নম্বর যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে ৷
এই প্রক্রিয়া শুরু হলে, যে নম্বর দিয়ে WhatsApp ব্যবহার করা হচ্ছে সেই নম্বরের সিম অবশ্যই স্মার্টফোনে রাখতে হবে ৷ তা না হলে পুরোপুরি বন্ধ করা হবে ওই নির্দিষ্ট নম্বরের WhatsApp অ্যাকাউন্ট ৷
সম্প্রতি WABetainfo-র তরফে একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়েছে ৷ যেখানে Sim Binding সাপোর্ট পেজটি দেখানো হয়েছে ৷ ওই স্ক্রিনশট অনুযায়ী ব্যবহারকারীকে ফোন নম্বর দিতে হবে ৷ 10 সংখ্যার ফোন নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি পপ-আপ ওপেন হবে ৷ যেখানে লেখা থাকবে, ভারত সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী ফোনে সিমকার্ড রয়েছে কিনা তা চেক করবে হোয়াটসঅ্যাপ (Due to regulatory requirement in India, WhatsApp needs to check that your SIM card is in your device.)৷ ওই উইন্ডোতে Continue অপশনে ক্লিক করার পর Next অপশনে ক্লিক করতে হবে ৷ তাহলেই Sim Binding সাপোর্ট সম্পন্ন হবে ৷
2025 সালে কেন্দ্রীয় সরকারের ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকম (DoT) এর তরফে হোয়াটসঅ্যাপকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ৷ মূলত ফেক হোয়াটসঅ্যাপ একাউন্ট কমাতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে ৷

