ETV Bharat / technology

অতি পরিচিত এই হ্রদের নাম বদলে দিল Google Maps ! কারণ কী ?

Google জানিয়েছে, এই পরিবর্তন তাদের দীর্ঘদিনের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংস্থার দাবি, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Geographic Names Information System (GNIS)-এ নির্ধারিত নাম অনুসরণ করে।

lake ontario lake america google maps us canada trade war
প্রতীকী ছবি (ছবি- Getty Images)
author img

By ETV Bharat Tech Team

Published : August 31, 2026 at 9:03 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

হায়দরাবাদ : Google Maps-এ এবার বদলে গেল উত্তর আমেরিকার অন্যতম পরিচিত হ্রদের নাম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) ব্যবহারকারীদের জন্য Lake Ontario-এর নাম ‘Lake America’ করেছে Google। Maps-এ নতুন এই নাম দেখা যাচ্ছে ৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর একটি Executive Order সই হওয়ার পরই এই পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Google-এর একটি ব্লগ পোস্ট অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এল যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন আরও বাড়ছে। দুই দেশই একে অপরের পণ্যের উপর কয়েক বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে 2025 সালের একটি সিদ্ধান্তেরও মিল রয়েছে। সেই সময় Trump-এর নির্দেশের পর Google Maps-এ Gulf of Mexico-এর নাম বদলে ‘Gulf of America’ করা হয়েছিল।

Google কেন নাম বদলাল?

Google জানিয়েছে, এই পরিবর্তন তাদের দীর্ঘদিনের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংস্থার দাবি, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Geographic Names Information System (GNIS)-এ নির্ধারিত নাম অনুসরণ করে।

Google-এর বক্তব্য অনুযায়ী, US-এ Maps ব্যবহারকারীরা ‘Lake America’ নামটি দেখতে পাবেন। অন্যদিকে US এবং Canada-এর বাইরে থাকা ব্যবহারকারীরা দুটি নামই দেখতে পাবেন। বিভিন্ন দেশে একই জলভাগের নাম আলাদা হলে Google যে নীতি অনুসরণ করে, এই পরিবর্তনও সেই নীতির আওতায় করা হয়েছে। নতুন নামটি ধীরে ধীরে ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ।

তবে Trump-এর Lake Ontario-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যঙ্গ ও উদাসীনতা দেখা গিয়েছে।

কানাডার Ontario প্রদেশের Premier Doug Ford-ও এই সিদ্ধান্তের পাল্টা জবাব দিয়েছিলেন। তিনি একটি বড় বিলবোর্ড প্রকাশ করেন, যেখানে লেখা ছিল— ‘Lake Ontario Now and Always’।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত Google-এর সিদ্ধান্ত নিয়ে White House, কানাডার প্রধানমন্ত্রী Mark Carney-এর দফতর অথবা Doug Ford-এর অফিসের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

কেন বাড়ছে আমেরিকা-কানাডা সংঘাত?

মূলত বাণিজ্যিক শুল্ক নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তৈরি হওয়া বিরোধ থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে কোনও বাণিজ্য চুক্তিতে সমঝোতা না হওয়ার পর Trump কানাডার কিছু পণ্যের উপর নতুন করে 50 শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেন। এর মধ্যে গাড়ি, অটো পার্টস এবং স্টিলের মতো পণ্য রয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে কানাডাও মার্কিন পণ্যের উপর একই ধরনের শুল্ক আরোপ করে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী Mark Carney অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে নিজেদের অধীনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। তাঁর মতে, Trump প্রশাসনের বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তগুলি কানাডার গুরুত্বপূর্ণ শিল্প— বিশেষ করে অটোমোবাইল, স্টিল এবং অ্যালুমিনিয়াম শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাইছে।

Read More - PhonePe UPI 123Pay : এবার ইন্টারনেট ছাড়াই অনলাইন ট্রানজ়াকশন সম্ভব, সুবিধা পাবেন ফিচার ফোন ব্যবহারকারীরাও