প্রত্যন্ত এলাকায় যাক বিশুদ্ধ পানীয়, শপথ নিয়ে পালিত বিশ্ব জল সপ্তাহ
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছয়নি এমন এলাকার জনগোষ্ঠীর জন্যও জল না পাওয়ারা কারণে তৈরি হওয়া সঙ্কট অন্যদের থেকে আরও বেশি তীব্র

Published : August 31, 2026 at 6:54 PM IST
কলকাতা, 31 অগস্ট: সম্প্রতি পালিত হল বিশ্ব জল সপ্তাহ। এই উপলক্ষ্যে একটি সম্মেলন আয়োজিত হয় সুইডেনে। সেখানে অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিয়া এভিডেন্স অ্যাকশন প্রোগ্রামের ডিরেক্টর বিমলেশ কুমার ।
জল মানব জীবনের অগ্রগতির সূচক। এই বিষয়কে মাথায় রেখেই পালিত হল 'বিশ্ব জল সপ্তাহ 2026'। সকলে যাতে নিরাপদ পানীয় জল পান তা নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়নের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় এই প্রয়োজনটা আরও বেড়ে যায়। তাছাড়া আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছয়নি এমন এলাকার জনগোষ্ঠীর জন্যও জল না পাওয়ারা কারণে তৈরি হওয়া সঙ্কট আরও বেশি তীব্র । তাঁদের জন্য় সমস্যার সমাধান এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কয়েকটি বিষয় খুব বেশি দরকারি ।

যদিও এলাকায়, এলাকায় এবং বাড়িতে বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার পরিকাঠামো সম্প্রসারিত হয়েছে । ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ এখন কল বা ট্যাপের মাধ্যমে জল পাচ্ছেন। তবুও ব্যবহারের সময় সেই জল যাতে সম্পূর্ণ জীবাণু মুক্ত হয় তা নিশ্চিত করার বিষয়টি মৌলিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে । বর্তমান সময় সমাজকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে এনে ফেলেছে । জল পানযোগ্য না হলে জীবন যে কোন বিরূপ পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না ।
নিরাপদ জলের প্রাপ্তি বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হলে বিমলেশ কুমারের গবেষণা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে। তিনি নিরাপদ জলের গুরুত্ব এবং জল শোধনের পদ্ধতি যেমন 'ইন-লাইন ক্লোরিনেশন' যা বড় পরিসরে এই ব্যবস্থার প্রয়োগযোগ্য প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।
উল্লেখ্য, জল বাহিত রোগজীবাণু দূর করতে এবং পাইপলাইন বা গৃহস্থালির জলেরর পাত্রে পুনরায় দূষণ রোধে 'ইন-লাইন ক্লোরিনেশন' হল সবচেয়ে কার্যকর, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য সমাধান । এমনটাই দাবি করছেন জল বিশেষজ্ঞ এভিডেন্স অ্যাকশনের ডিরেক্টর বিমলেশ কুমার । কুমার সংস্থাটির 'ইন্ডিয়া সেফ ওয়াটার প্রোগ্রাম'-এর দায়িত্বে । তিনি বলেন, "বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ জল নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে 'স্বয়ংক্রিয় ক্লোরিনেশন হল সবচেয়ে বাস্তবসম্মত ও তথ্য-প্রমাণভিত্তিক পদ্ধতি।"

