ETV Bharat / state

ছেলের স্কুলের গাড়ির চালকের সঙ্গে পরকীয়া ! এক হতে না-পারায় একসঙ্গে চরম পদক্ষেপ

মহিলার চার বছরের ছেলে রয়েছে ৷ স্বামী ভিনরাজ্যে কাজ করেন ৷ সেই সুযোগে তিনি পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ছেলের স্কুলের গাড়ির চালকের সঙ্গে ৷

death over extramarital affair
পরকীয়ার জেরে মৃত্যু মহিলা ও যুবকের (ফাইল চিত্র)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : January 5, 2026 at 8:38 PM IST

3 Min Read
Choose ETV Bharat

জলপাইগুড়ি, 5 জানুয়ারি: ছেলের স্কুলের গাড়ির চালকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন মহিলা । কিন্তু সমাজ তাঁদের এক হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ৷ তাই একসঙ্গে চরম পদক্ষেপ নিলেন মহিলা ও যুবক ৷ ঘটনাটি ঘটেছে ময়নাগুড়ি থানা এলাকার কন্যাবাড়ির দারিকামারিতে ।

সোমবার সকালে দারিকামারি এলাকার চা বাগান থেকে দু'জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় । দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে । পাশাপাশি ঘটনার তদন্তে শুরু করেছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ ৷ পুলিশ জানিয়েছে, দেহগুলি উদ্ধার করা হয়েছে । ময়নাতদন্তের পরেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে । ঘটনার তদন্ত চলছে ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মহিলার বাপের বাড়ি ময়নাগুড়ির বাংলার ঝাড় এলাকায় । তাঁর বিয়ে হয় বেতগাড়া এলাকায় । তাঁর চার বছরের একটি বাচ্চাও রয়েছে । মহিলার ছেলে ময়নাগুড়ির একটি স্কুলে পড়ে । মহিলার স্বামী ভিনরাজ্যে কাজ করেন । সেই সুযোগে ওই মহিলা ছেলের স্কুলের গাড়ির চালকের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে যান ।

death over extramarital affair
ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলি পাঠানো হয়েছে (নিজস্ব ছবি)

এরপর তিনি একবার বাড়ি থেকে পালিয়েও যান ওই গাড়ির চালকের সঙ্গে । তারপর পরিবারের লোকেরা তাঁকে বাড়িও ফিরিয়ে নিয়ে আসেন । কিছুদিন থাকার পর আবার ওই গাড়ি চালকের সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে চলে যান তিনি । এরপর সোমবার সকালে চা বাগানে দু'জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় ।

মৃতের দাদা বলেন, "প্রথমে ভাই এক বিবাহিত মহিলাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল ৷ তারা কিছুদিন একসঙ্গে বাইরে ছিল । এরপর ভাই ওই মহিলাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে । আমরা মেনেও নিই । কিন্তু পরে মহিলার শ্বশুর বাাড়ির লোকেরা এসে তাদের বউমাকে নিয়ে চলে যায় ।"

তাঁর কথায়, "তারপর সব ঠিক ঠাকই ছিল । এরপর মাসখানেক আগে ভাই আবার ওই মহিলাকে নিয়ে পালিয়ে যায় । তারপর আর ওই মহিলাকে নিয়ে বাড়িতে আসেনি । ভাই কোথায় থাকছে, আমরাও কোনও খোঁজ পাইনি । রবিবার আমাদেরকে ফোন করে জানায় সে বাড়িতে আসবে । সে সত্যিই বাড়ি আসবে, সেটা আমরা বুঝতে পারিনি । কিন্তু আজ সকালে আমরা খবর পাই দু'জনে চরম পদক্ষেপ নিয়েছে । বাড়ির কিছুটা দূরে চা বাগানে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তাদের ।"

আত্মহত্যা কোনও সমাধান নয়: যদি আপনার মধ্যে কখনও আত্মহত্যার চিন্তা মাথাচাড়া দেয় বা আপনার কোনও বন্ধু বা পরিচিত এই সমস্যায় জর্জরিত হন, তাহলে ভেঙে পড়বেন না। জানবেন, এমন কেউ আছে যে আপনার যন্ত্রণা, আপনার হতাশা ভাগ করে নিতে সদা-প্রস্তুত। আপনার পাশে দাঁড়াতে তৎপর। সাহায্য পেতে দিনের যে কোনও সময়ে 044-24640050 এই নম্বরে কল করুন স্নেহা ফাউন্ডেশনে। টাটা ইন্সটিটিউট অফ সোশাল সায়েন্সের হেল্পলাইন নম্বরেও (9152987821) কল করতে পারেন। এখানে ফোন করতে হবে সোমবার থেকে শনিবার সকাল 8টা থেকে রাত 10টার মধ্যে।