ETV Bharat / state

মানবিক বিএসএফ, শেষবারের মতো মৃত বাবাকে দেখলেন বাংলাদেশে বিয়ে হওয়া মেয়ে

বিজিবি-র সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করে জিরো পয়েন্টে আনা হয় দেহ ৷ সেখানেই মৃত বাবাকে শেষবারের জন্য দেখলেন মেয়ে ৷

HUMANITARIAN FACE OF BSF
বিএসএফ-এর সাহায্যে শেষবারের মতো মৃত বাবাকে দেখলেন বাংলাদেশে বিয়ে হওয়া মেয়ে ৷ (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : January 5, 2026 at 11:03 PM IST

|

Updated : January 5, 2026 at 11:12 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

নদিয়া, 5 জানুয়ারি: কূটনৈতিক স্তরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে চিড় ধরুক না-কেন, সীমান্তে মানবিকতার প্রশ্নে আজও বিএসএফ সদা তৎপর ৷ বাংলাদেশে বিয়ে হওয়া মেয়েকে মৃত ভারতীয় বাবার মুখ দেখার সুযোগ করে দিল বিএসএফ ৷ ঘটনাটি নদিয়া জেলার চাপড়া সীমান্ত এলাকার ৷

বাংলাদেশে বিয়ে হওয়া মেয়ের অনুরোধে জিরো পয়েন্টে 101 বছরের বৃদ্ধের মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় ৷ সেখানেই শেষবারের জন্য বাবাকে দেখেন মেয়ে উম্মেহারা বিবি ৷ এই পুরো প্রক্রিয়ায় বিজিবি বা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পূর্ণ সহযোগিতা করেছে বলেও জানিয়েছে মৃতের পরিবার ৷

বিএসএফ-এর সাহায্যে শেষবারের মতো মৃত বাবাকে দেখলেন বাংলাদেশে বিয়ে হওয়া মেয়ে ৷ (ইটিভি ভারত)

উল্লেখ্য, চাপড়া থানার হাটখোলা গ্রামের বাসিন্দা ইসরাফিল হালসোনা ৷ বয়সজনিত কারণে সম্প্রতি তাঁর মৃত্যু হয় ৷ সেই খবর বাংলাদেশের চুয়াডাঙা জেলার কুতুবপুর গ্রামে বিয়ে হওয়া মেয়ের কাছে পৌঁছায় ৷ বাবার মৃত্যুর খবর শুনে তাঁকে শেষবারের জন্য দেখার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন উম্মেহারা বিবি ৷ বিষয়টি তিনি ফোনে বাপের বাড়ির লোকজনকে জানান ৷

জানা গিয়েছে, চাপড়ায় উম্মেহারার বাপের বাড়ির লোকজন বিষয়টি স্থানীয় হাটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতে জানায় ৷ পঞ্চায়েতের তরফে বিএসএফ-এর 101 নম্বর ব্যাটেলিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ৷ বিষয়টির সংবেদনশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের আধিকারিকদের সঙ্গে দ্রুত একটি ফ্ল্যাগ মিটিং ডাকে বিএসএফ ৷ সেই মিটিংয়ের পরেই দুই পরিবারকে খবর দেওয়া হয় ৷ এরপর হাটখোলা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে ইসরাফিল হালসোনার দেহ আনা হলে, তাঁর মেয়ে শেষবারের জন্য বাবাকে দেখেন ৷ এমনকি বাবার শেষকৃত্যেও অংশ নেন তিনি ৷

এ নিয়ে হাটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতে উপপ্রধান আতিহার হালসোনা বলেন, "ইসরাফিল হালসোনা বয়স একশোর বেশি ৷ সম্প্রতি তিনি মারা গিয়েছেন ৷ তাঁর এক মেয়ের বাংলাদেশে বিয়ে হয়েছে ৷ তিনি বাবাকে শেষবারের জন্য দেখতে চেয়েছিলেন ৷ পরিবারের তরফে আমাদের পঞ্চায়েতে সেকথা জানানো হয় ৷ আমরা বিএসএফ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করি ৷ এরপর বিএসএফ ও বিজিবি ফ্ল্যাগ মিটিং করে তাঁর বাবাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ করে দেয় ৷ বিএসএফ পুরো প্রক্রিয়াতে খুবই সহযোগিতা করেছে ৷ এতে আমরা খুব খুশি ৷"

Last Updated : January 5, 2026 at 11:12 PM IST