ETV Bharat / state

শূন্যপদ 12514; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউয়ে ডাক পেলেন 20500 জন

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ইন্টারভিউতে ডাক পেয়েছেন প্রায় 20500 জন৷

WBSSC Releases Interview List
প্রকাশিত হল একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ এর তালিকা (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : November 15, 2025 at 10:45 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

কলকাতা, 15 নভেম্বর: প্রকাশিত হলো ইন্টারভিউ তালিকা। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সন্ধ্যা সাড়ে 7টা কিছু সময় আগে তালিকা প্রকাশ করল কমিশন। প্রকাশিত ইন্টারভিউয়ের তালিকায় রয়েছে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে 10 নম্বরও। এই তালিকা অনুযায়ী ইন্টারভিউতে ডাক পেয়েছেন প্রায় 20500 জনের একটু বেশি প্রার্থী। আগামী 18 তারিখ থেকে শুরু হবে নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। বিষয়ভিত্তিক করে প্রকাশিত করা হয়েছে তালিকা।

ইন্টারভিউয়ের তালিকায় প্রতিটি বিষয়ের লিঙ্গভিত্তিক এবং জাতিগত (ক্যাটাগরি) ভিত্তিক কত জন সেই বিষয়ে ইন্টারভিউতে যোগ্যতা অর্জন করেছে, তা-ও দিয়েছে এসএসসি। সেই সঙ্গে, প্রতিটি বিষয়ে সর্বনিম্ন কত নম্বরে এক জন প্রার্থী ইন্টারভিউয়ের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছেন, সেই নম্বরও দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা ওয়েবসাইটে তাঁদের রোল নম্বর লিখে প্রাপ্তমান জানতে পারছেন। সেই সঙ্গে, তাঁরা জানতে পারছেন যে, তাঁরা ইন্টারভিউতে ডাক পাচ্ছেন কি না। তবে ফল বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে এত বেশি প্রার্থী এসএসসি ওয়েবসাইট খুলতে শুরু করেছেন যে, ওয়েবসাইট এখন ঠিকমতো খুলছে না।

গত শুক্রবার রাত 9টার পর প্রকাশিত হয়েছিল একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ফসফল। ওদের পরীক্ষা হয়েছিল 14 সেপ্টেম্বর। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল 2,46,543 জন। উপস্থিত ছিলেন 2,29,606 জন। শতাংশের নিরিখে প্রায় 93 শতাংশের একটু বেশি । এর মধ্যে 3,120 জন বিশেষ ভাবে সক্ষম। ভিন রাজ্য থেকে পরীক্ষা দিয়ে এসেছিলেন 13,517 জন। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে মোট শূন্যপদ রয়েছে হল 12,514টি। মোট পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা 478টি।

প্রসঙ্গত, বহু চাকরিহারা শিক্ষকই একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে পরীক্ষায় ভালো ফল করেননি। তাদের নজরে রয়েছে নবম দশম। চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষকদের প্রথম থেকেই দাবি ছিল একজন চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষকেরও যাতে চাকরি না যায়। তাদের কথা এই চাকরি চলে গেলে তার দায় নিতে হবে সরকারকে। তবে একদিকে স্কুল অন্যদিকে আন্দোলন চলার দরুন অনেকেই নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেননি পরীক্ষার জন্য। ফলে বহু চাকরিহারা শিক্ষকই চিন্তায় ছিলেন এই ইন্টারভিউয়ের তালিকা নিয়ে।