ETV Bharat / state

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধাভোগীদের দরজায় পর্যটনমন্ত্রী, শিলিগুড়িতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন কর্মসূচি

স্থানীয় বুথ সভাপতি, শক্তি কেন্দ্র প্রধান ও ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটরদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় জনসংযোগে বেরিয়েছিলেন মন্ত্রী।

Shankar Ghosh Annapurna Bhandar
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধাভোগীদের দরজায় পর্যটনমন্ত্রী (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : August 27, 2026 at 10:38 AM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

শিলিগুড়ি, 27 অগস্ট: রাজ্যের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুফল পৌঁছে গিয়েছে কয়েক লক্ষ পরিবারের কাছে। এবার সেই সুবিধাভোগীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ও তাঁদের ঘরে ঘরে গিয়ে ধন্যবাদ জানানোর বিশেষ উদ্যোগ নিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বুধবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের 15 নম্বর ওয়ার্ডে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বাড়িতে গিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন তিনি এবং তাঁদের বাড়িতে প্রকল্পের বিশেষ পরিচিতি স্টিকার লাগানোর কর্মসূচির সূচনা করেন।

​এদিন স্থানীয় বুথ সভাপতি, শক্তি কেন্দ্র প্রধান ও ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটরদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় জনসংযোগে বেরিয়েছিলেন মন্ত্রী। পরে শঙ্কর ঘোষ জানান, মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রেই ইতিমধ্যে প্রায় 32,000 যোগ্য মহিলা প্রতি মাসে 3,000 টাকা করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আর্থিক সহায়তা পেতে শুরু করেছেন। এছাড়া আরও প্রায় 3,000 থেকে 3,501টি আবেদন বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

​রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, "সরকার গঠনের মাত্র দুই মাসের মধ্যে 1 কোটি 45 লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে 3,000 টাকা করে পৌঁছে দেওয়া অভূতপূর্ব ঘটনা। ভারতবর্ষের অন্য কোনও রাজ্যে এমনটা ঘটেনি। অনেক রাজ্যে পারিবারিক আয়ের যে সিলিং রয়েছে তা অত্যন্ত কম এবং ভাতার পরিমাণও 1500 বা 2000 টাকায় সীমাবদ্ধ। অথচ রাজ্যে 12 লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক পারিবারিক আয় থাকা সত্ত্বেও এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, রাজ্য সরকারের প্রায় 8 লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা থাকা সত্ত্বেও সামাজিক প্রকল্প, সরকারি কর্মচারীদের ডিএ প্রদান কিংবা আবাস যোজনার কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

​যে সমস্ত যোগ্য আবেদনকারী এখনও এই প্রকল্পের সুবিধা পাননি বা যাদের আবেদনপত্র কোনও কারণে বাতিল হয়েছে, তাঁদের হতাশ না হওয়ার বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রী। শিলিগুড়ির 'নেতাজী সুভাষ বিধায়ক সেবা কেন্দ্র'-এ আবেদনপত্র, টোকেন ও আইডি নম্বর জমা দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি আশ্বাস দেন, "প্রত্যেকটি আবেদন আমরা রাজ্য নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরে পাঠাচ্ছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি দফতরের সঙ্গে কথা বলে যোগ্য বঞ্চিতদের সুবিধার আওতায় আনার চেষ্টা করব।"