ETV Bharat / state

নিয়োগ দূর্নীতির মামলায় এবার কি কল্যাণময়ের জামিন ? মঙ্গলবার ফের শুনানি

আগামিকাল দুপুরে ফের শুনানি এই মামলার৷ আদালতের মনোভাব থেকে স্পষ্ট, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের জামিন পাওয়া এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা ৷

Kalyanmoy Ganguly
নিয়োগ দূর্নীতির মামলায় এবার হাইকোর্ট থেকে জামিন পেতে চলেছেন কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : November 17, 2025 at 6:20 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

কলকাতা, 17 নভেম্বর: নিয়োগ দূর্নীতি মামলায় এবার কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেতে চলেছেন মধ্যশিক্ষা পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়৷ সোমবারই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ শর্ত সাপেক্ষে কল্যাণময়ের জামিন মঞ্জুর করে দিচ্ছিলেন৷ বিচারপতি বলেন, "যে সাক্ষীদের বয়ান গ্রহণ বাকি আছে, তাদের সাক্ষ নেওয়া হয়ে গেলেই জেল থেকে ছেড়ে দিতে নির্দেশ দিচ্ছি ৷"

কিন্তু, প্রথমে কল্যাণময়ের পক্ষের আইনজীবীরাই আপত্তি করে বলেন, "নিম্ন আদালতে এই মামলার পরবর্তী শুনানি জানুয়ারি মাসে৷ এতদিন জেলে থাকবেন তিনি? সমস্ত অভিযুক্তরা জামিন পেয়ে গিয়েছেন এই মামলায়৷" সিবিআইয়ের পক্ষ থেকেও আপত্তি করে জানান হয়, "এখনও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বয়ান গ্রহণ করা হয়নি৷ আগে সাক্ষীদের বয়ান নেওয়ার কাজ শেষ হোক ৷ নাহলে সাক্ষীরা প্রভাবিত হতে পারেন৷"

কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের পক্ষে আইনজীবী সন্দীপন গাঙ্গুলি জানতে চান, "গুরুত্বপূর্ণ কোন সাক্ষীর বয়ান নেওয়া এখনও বাকি রয়েছে? সমস্ত সাক্ষীরই তো সাক্ষ গ্রহণ হয়ে গিয়েছে? "

সিবিআইয়ের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী বলেন, "তাহলে সময় দেওয়া হোক আগামিকালই সাক্ষীদের তালিকা আদালতকে দেওয়া হবে ৷" তারপরই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলার শুনানি আজকের মতো মুলতুবি করেছেন৷ আগামিকাল দুপুরে ফের শুনানি এই মামলার৷ তবে আদালতের মনোভাব থেকে স্পষ্ট, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের জামিন পাওয়া এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা ৷

কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে সিবিআই 2022 সালের সেপ্টেম্বর মাসে গ্রেফতার করে৷ নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক কমিটিতে যুক্ত ছিলেন কল্যাণময়৷ তিনি বেয়াইনি চাকরি প্রাপকদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিতেন বলে অভিযোগ ওঠে৷ সিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় গ্রেফতার করে তাঁকে ৷ এরপর 2023 সালের নভেম্বর মাসে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও সিবিআই অন্য মামলায় ফের তাঁকে গ্রেফতার করে নেয়৷ তাঁর পক্ষে আদালতে সওয়াল করা হয়, 'বছরের পর বছর ধরে গ্রেফতার করে রাখার যুক্তি কী? মুল অভিযুক্তরা একেএকে জামিন পেয়ে গেলেন৷ সিবিআই এখনও কী তদন্ত করছে যে তাঁকে জেলে রাখা হচ্ছে?

  1. পার্থর নির্দেশেই কাজ করতেন প্রাক্তন কর্মী, SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দাবি নতুন সাক্ষীর
  2. নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জীবনকৃষ্ণ সাহার নামে ইডির চার্জশিট