আজ রাতেই বঙ্গে শেষ হচ্ছে SIR-এর প্রথম পর্ব, এবার তালিকা ভেরিফিকেশনের পালা
আগামিকাল, 12 ডিসেম্বর থেকে 15 ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে চেকিং রি-চেকিং-এর কাজ। আজ রাত 12 টার পর থেকে 16 ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে হিয়ারিং পর্ব।

Published : December 11, 2025 at 10:42 PM IST
কলকাতা, 11 ডিসেম্বর: বৃহস্পতিবার রাত 12টার পর শেষ হতে চলেছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা SIR-এর কাজ। আগামিকাল অর্থাৎ 12 ডিসেম্বর থেকে 15 ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে চেকিং রি-চেকিং-এর কাজ। এরপর 16 ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে হিয়ারিং-এর পর্ব।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের পক্ষ থেকে আজ বিকেল 4টে পর্যন্ত পাওয়ার তথ্য অনুসারে আজ পর্যন্ত মোট 'uncollectable' ভোটারের সংখ্যা হল 5808232। এই আলিকার মধ্যেই রয়েছে...
- মৃত ভোটারের সংখ্যা 2418699,
- নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা 1201462,
- ডুপ্লিকেট ভোটারের সংখ্যা 137475,
- পাকাপাকিভাবে স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা 1993087,
- অন্যান্য ভোটারের সংখ্যা 57509।
আজ রাত 12 টার পর থেকে আগামী 16 ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে হিয়ারিং পর্ব। ভোটারদের অভিযোগ ও তার নিস্পত্তি নিয়ে চলবে হিয়ারিং পর্ব। ডিএম, এসডিও, বিডিও অফিসে এবং সেই সব অফিসের কাছাকাছি যে সব সরকারি দফতর-কলেজ রয়েছে এবং যদি সে কলেজ বন্ধ থাকে, তাহলে সেই সব জায়গায় চলবে হিয়ারিং। পাশাপাশি, হিয়ারিংকে সম্পূর্ণ ওয়েব কাস্টিং করতে হবে এবং তা সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়াও, মাইক্রো অবজারভারের উপস্থিতির কথাও ভাবছে কমিশন।
ইতিমধ্যেই 30 লক্ষ ভোটারের 'আনম্যাপড' রয়েছে। এখান থেকেই চিন্তা শুরু হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের। বৃহস্পতিবার কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে যে, হিয়ারিং-এর জন্য শুধুমাত্র এই 30 লক্ষ্য নামই নয়, এর সঙ্গে আরও অনেকেই ডাক পাবেন। সেখানে নিজের তথ্য দিয়ে যদি সবকিছু প্রমাণ করতে না পারেন কোনও ভোটার, তাহলে তার নাম ভোটার তালিকা থেকে কাটা যাবে।
অন্যদিকে, যে সমস্ত নাম ইতিমধ্যেই ডিজিটাইজড হয়েছে সেখান থেকেও অনেক ভুয়ো ভোটারের নাম পেয়েছে কমিশন। আর এখানেই সবচেয়ে বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকৃত ভোটার নিয়ে। ভোটার তালিকাকে কীভাবে 100 শতাংশ স্বচ্ছ করা যায়, সেটাই এখন পাখির চোখ নির্বাচন কমিশনের।
এছাড়াও, আসন্ন 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে 25টি নোডাল এজেন্সিকে নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং অন্যান্য আধিকারিকদের জরুরী বৈঠক করেন। সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল আজ মিটিং-এর শেষে বেরিয়ে এসে জানান যে, আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটা একটা রুটিন বৈঠক ছিল। এই মিটিং রাজ্যের সিইওকেই করতে হয়। রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং পুলিশ কমিশনার আসেননি৷ কিন্তু সেটা কোনও অসুবিধার বিষয় নয়৷ কারণ, নোডাল অফিসাররা ছিলেন। তিনি আরও জানান যে, নির্বাচনের মোটামুটি ছয় মাস আগে এই বৈঠক করতে হয়, যাতে নির্বাচনকে মাথায় রেখে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার উপরে আরও জোরদার নজরদারি চালানো হয়।
আজ রাত বারোটার পর থেকে বিএল অ্যাপে আর কোনও রকম নতুন এন্ট্রি করা যাবে না৷ তবে তালিকা রেকটিফিকেশনের কাজ চালিয়ে যাওয়া যেতে পারে।

