ETV Bharat / state

রাজ্যজুড়ে কৃষি দফতরে 122 জন কর্মী ছাঁটাই, পুনর্বাসনের দাবিতে বিক্ষোভ

অভিযোগ, নতুন নিয়োগ না-হলেও কৃষি দফতরে নিযুক্ত মাটি পরীক্ষাগারের অস্থায়ী কর্মীদের কাজ চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই ৷

Agriculture Dept employees layoffs
কৃষি দফতরে 122 জন কর্মী ছাঁটাই (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : July 8, 2026 at 7:27 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

মালদা, 8 জুলাই: রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর একাধিক মন্ত্রী বিপুল সংখ্যক নিয়োগের স্বপ্ন দেখিয়েছেন বাংলার-যুবক যুবতীদের ৷ রয়েছে পুলিশের নিয়োগ, নিয়মিত এসএসসি পরীক্ষা হওয়ার আশ্বাস ৷ অভিযোগ উঠেছে, নতুন নিয়োগ না-হলেও অস্থায়ী কর্মীদের কাজ চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই ৷ এর মধ্যে রয়েছে কৃষি দফতরে নিযুক্ত মাটি পরীক্ষাগারের কর্মীরাও ৷

রাজ্যে হঠাৎ করে কাজ চলে গিয়েছে 122 জন কর্মীর ৷ এঁদের মধ্যে রয়েছেন মালদা জেলার 10 জনও ৷ পুনর্বাসনের দাবিতে বুধবার তাঁরা জেলাশাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন ৷ এদিন তাঁরা নিজেদের দাবি সংবলিত স্মারকলিপি জেলাশাসকের দফতরে জমা দিয়েছেন ৷ তাঁদের আশা, তাঁদের বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের নতুন সরকার নিশ্চিতভাবে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ নেবে ৷

ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের একজন সব্যসাচী আচার্য বলেন, “আমরা প্রায় 11 বছর ধরে মালদা জেলা কৃষি দফতরের মাটি পরীক্ষাগার কেন্দ্রে ল্যাবোরেটরি টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে কাজ করছিলাম ৷ হঠাৎ করে আমাদের জানানো হয়, আমাদের আর কাজে আসতে হবে না ৷ কেন আমাদের কাজ থেকে বাদ দেওয়া হল সেটা আমরা জানি না ৷ দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাজ করার পর আজ আমাদের পেটে লাথি পড়েছে ৷ প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে আমাদের পরিবার বিপদে পড়েছে ৷ শুধু মালদা নয়, কলকাতার টালিগঞ্জ ও বাঁকুড়া জেলা কৃষি দফতরের ল্যাবোরেটরিতেও এই ঘটনা ঘটেছে ৷"

মালদায় মোট 10 জন কাজ করেন ৷ এর মধ্যে তিন জন 2015 সাল থেকে কাজ করছেন ৷ বাকি সাত জন 2025 সালে কাজে যোগ দিয়েছেন ৷ তাঁরা চাইছেন, তাঁদের কাজে পুনর্বহাল করা হোক ৷ ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের আরও একজন বলেন, "এখন আমাদের বয়স হয়ে গিয়েছে ৷ এই পরিস্থিতিতে আমরা কী করব ? আমাদের প্রত্যেকেরই ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ৷”

আরও এক ছাঁটাই হওয়া কর্মী পূর্বাশা দাসের বক্তব্য, “আমাদের দাবি, পুনর্বহালের পাশাপাশি আমাদের 60 বছর বয়স পর্যন্ত কাজে স্থায়ীকরণ করা হোক ৷ হঠাৎ করে কাজ থেকে ছাঁটাই হয়ে যাওয়ার ঘটনা আমরা মেনে নিতে পারছি না ৷ এর একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি করছি ৷ এখন অপেক্ষা করা ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই ৷ রাজ্যের নতুন সরকারের প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে ৷ আশা করি, তাঁরা নিশ্চিতভাবে এই সমস্যার সমাধান করে দেবেন ৷ আমরা বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়েছিলাম ৷ তাঁকে চিঠি দেওয়া হয়েছে ৷ রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডলের সঙ্গেও এনিয়ে কথা হয়েছে ৷”