কেন্দ্রীয় পোর্টালে প্রথম দফায় ভর্তি 3 লক্ষের বেশি, ছাত্রীদের সংখ্যা বেড়েছে 26.45 শতাংশ
গত 2025-26 শিক্ষাবর্ষে প্রথম পর্যায়ে এই সংখ্যা ছিল 2 লক্ষ 57 হাজার 429 জন। এ বছর ছাত্রীদের ভর্তি 26.45 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

Published : July 5, 2026 at 10:53 PM IST
কলকাতা, 5 জুলাই: কেন্দ্রীয় পোর্টালের (সিএপি) মাধ্যমে চলতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতক স্তরের প্রথম পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হয়েছে। প্রথম দফার ভর্তি শেষে রাজ্যের পড়ুয়াদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিস্তারিত পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে গত বছরের তুলনায় ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ছাত্রীদের অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি ৷ রবিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, চলতি শিক্ষাবর্ষে কেন্দ্রীয় ভর্তি পোর্টালের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ৷
তিনি লেখেন, এ বছর প্রথম দফায় মোট 3 লক্ষ 8 হাজার 793 জন পড়ুয়া রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকার-পোষিত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছেন ৷ গত 2025-26 শিক্ষাবর্ষে প্রথম পর্যায়ে এই সংখ্যা ছিল 2 লক্ষ 57 হাজার 429 জন। সেই তুলনায় এ বছর ভর্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন ছাত্রীদের ভর্তির বিষয়টিও। তিনি জানান, গত শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এ বছর ছাত্রীদের ভর্তি 26.45 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিকে তিনি ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এই প্রবণতা আগামিদিনেও বজায় থাকবে বলেই আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুধু প্রথম পর্যায়ে ভর্তি হওয়া পড়ুয়াদের অভিনন্দনই নয়, যাঁরা এখনও কোনও কলেজে ভর্তি হতে পারেননি, তাঁদের জন্যও আশাবাদী বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী 7 জুলাই থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। তাই প্রথম দফায় সুযোগ না-পাওয়া পড়ুয়াদের দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে 7 জুলাই থেকেই স্নাতক স্তরের নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হওয়ার কথাও তাঁর পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। সকল পড়ুয়ার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তাঁদের উদ্দেশে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, চলতি শিক্ষাবর্ষে কেন্দ্রীয় ভর্তি পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল 18 মে এবং তা চলে 1 জুন পর্যন্ত। রাজ্যের 460টি সরকারি ও সরকার-পোষিত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই একক পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে ৷ উচ্চশিক্ষা দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, একজন পড়ুয়া সর্বাধিক 25টি বিষয়ে আবেদন করতে পেরেছেন। কোনও আবেদন ফি নেওয়া হয়নি। দেশের যে কোনও রাজ্যের শিক্ষার্থী, স্বীকৃত যে কোনও বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আবেদন করার সুযোগ পেয়েছেন। মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে 'বেস্ট অফ ফোর' পদ্ধতিতে ৷ নম্বর সমান হলে নির্ধারিত 'টাইব্রেকার' নিয়ম অনুসরণ করে মেধাক্রম স্থির করা হয়।

