পঙ্কজ দত্তের মৃত্যুতে নয়া মোড়, 11 জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-হেনস্থার অভিযোগ স্ত্রী'র
প্রাক্তন পুলিশকর্তা পঙ্কজ দত্তের মৃত্যুতে বড়তলা থানার পুলিশ-সহ 11 জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হেনস্থার অভিযোগ। সুবিচার চেয়ে আইনের দ্বারস্থ প্রাক্তন পুলিশকর্তার স্ত্রী ইন্দ্রাণী।

Published : July 2, 2026 at 9:42 PM IST
কলকাতা, 2 জুলাই: প্রাক্তন পুলিশকর্তা পঙ্কজ দত্তের মৃত্যুর ঘটনায় এবার তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রাণী দত্ত লেকটাউন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ৷ এই অভিযোগে তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্রের দাবি করেছেন এবং জড়িত অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আবেদন জানিয়েছেন।
ইন্দ্রাণী মোট 11 জনের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছেন, যার মধ্যে রয়েছেন সংবাদমাধ্যমের একাংশ, বড়তলা থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের কিছু ব্যক্তিত্ব। তাঁর এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার 351 (2) (হুমকি), 356 (2) (মানহানি) এবং 336 (4) (জাল নথি তৈরি) ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ৷
অভিযোগ পত্রে ঘটনার পূর্বসূত্র উল্লেখ করে ইন্দ্রাণী দত্ত জানিয়েছেন, আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গণ-কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে প্রাক্তন পুলিশকর্তা পঙ্কজ দত্ত আরজি করের নিরাপত্তা নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করেন ৷
অভিযোগ, তাঁর সেই বক্তব্যের সম্পূর্ণ অংশটি প্রকাশ না-করে, কেবল একটি নির্দিষ্ট অংশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এডিট করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তোলেন। এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি (ইটিভি ভারত)। তবে ঘটনার জেরে 2024 সালের 6 অক্টোবর বড়তলা থানায় ডেকে পাঠিয়ে পঙ্কজ দত্তকে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়েছিল এবং তাঁর সঙ্গে মানসিকভাবে হেনস্থা ও অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইন্দ্রাণীর আরও অভিযোগ, ভিডিয়োটি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন টেলিভিশন টক শো-তে কিছু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা পঙ্কজ দত্তের উদ্দেশে অত্যন্ত অবমাননাকর ও মানহানিকর মন্তব্য করেন। এই ধারাবাহিক মানসিক হেনস্থা তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পিছনে অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে তিনি মনে করছেন। এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণও লেকটাউন থানায় জমা দিয়েছেন ইন্দ্রাণী ৷ পুলিশ সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করে সামগ্রিক বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

