বকেয়া ডিএ-র 50 শতাংশ মিলতে পারে এক লপ্তে, কাদের দেওয়া হবে?
শুক্রবার রাজ্য ও সংগ্রামী যৌথমঞ্চের মধ্যে আধা-সরকারি, বোর্ড, কর্পোরেশনের কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে আলোচনা হয়৷

Published : July 4, 2026 at 8:00 PM IST
কলকাতা, 4 জুন: রাজ্য সরকারি কর্মীদের 20 শতাংশ ডিএ দেওয়ার ঘোষণা হয়েছে সম্প্রতি। এবার মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তের সঙ্গে আধা-সরকারি, বোর্ড, কর্পোরেশনের কর্মীদের বকেয়া ডিএ কীভাবে মেটানো যায়, সেই নিয়ে হল আলোচনা। পাশাপশি আরও বেশি কয়টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে শুক্রবার জানাল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্ব। জটিলতা মিটলেই তাঁরা বকেয়ার 50 শতাংশ অ্যাড হক পেতে পারে বলেই দাবি যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বের।
রাজ্যের ক্ষমতায় এসেই সরকারি কর্মীদের ডিএ মেটানো নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সেই মতো বাজেট পেশে নতুন বিজেপি সরকারের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত কর্মীদের 20 শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেন। দীর্ঘ লড়াই আন্দোলনের জয় হিসেবে বিষয়টি দাবি করেছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তারা জানিয়েছিল যে তারা খুশি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু যাঁদের বকেয়া ডিএ ঘোষণা হল না, তারা এই বিষয়টি নিয়ে সরকারের কাছে দাবি তুলবেন। তাদের প্রাপ্য যাতে পান দ্রুত সেই বিষয় সরকার যাতে উদ্যোগী হন।
এদিন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্য উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত। একাধিক বিষয় আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করা হয়।
সাংবাদিক বৈঠক সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘‘রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া 20 শতাংশ ডিএ-র ঘোষণা করেছে সরকার। তবে আমরা জানিয়েছিলাম এই সিদ্ধান্তে খুশি হলেও যে সমস্ত কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ঘোষণা করা হয়নি, তাদের বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিগোচর করব। আলোচনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তের সঙ্গে। আধা সরকারি বোর্ড ও কর্পোরেশনের কর্মীদের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু নিয়মের জটিলতা আছে বলে তিনি জানান৷ এই জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে তাদের বকেয়া প্রাপ্য মেটানো হবে বলেও উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন।’’
ভাস্কর ঘোষ আরও বলেন, ‘‘অ্যাড হক 50 শতাংশ দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি সরকারের বহু প্রতিষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ চুক্তিভিত্তিক কর্মী বা ঠিকাদার মারফত নিয়োগ কর্মীরা কাজ করেন। সেই নিয়োগ সংক্রান্ত নানা সমস্যা বা অভিযোগের কথাও আমরা জানিয়েছি। এজেন্সিগুলি নানাভাবে শ্রমিক কর্মচারীদের হকের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত রাখে। সেই তথ্য আমাদের দিতে বলেছে এবং এই বিষয়ে তারা তাদের মেকানিজমে নজরদারি শুরু করবে বলে জানিয়েছেন।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক যে দুর্নীতি সেই বিষয় নিয়েও করা মনোভাব গ্রহণ করবে রাজ্য। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান যে সমস্ত দুর্নীতি আছে সেগুলি তদন্ত বা নজরে আনার জন্য আমাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে আমরা সেই বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতা করব বলে জানিয়েছি।’’

