20 তারিখ জল্পেশে পুজো দেবেন মুখ্যমন্ত্রী, মন্দিরের উপর হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি
এবার থেকে পুণ্যার্থীদের তিস্তা ঘাটে নামতে কোনও টিকিট কাটতে হবে না। বিনামূল্যেই জল নিতে পারবেন পুণ্যার্থীরা।

Published : July 4, 2026 at 3:31 PM IST
জলপাইগুড়ি, 4 জুলাই: আগামী 20 তারিখ জল্পেশ মন্দিরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার 20 জুলাই জল্পেশ মন্দিরের ওপর হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে বলেও খবর। সেদিনই জল্পেশ মন্দিরে পুজো দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এই প্রথম তিস্তার ঘাট থেকে পুণ্যার্থীদের জল নিতে কাউকে টিকিট কাটতে হবে না। এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপী গোস্বামী।
তিনি বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তিনি আগামী 20 তারিখ আসতে পারেন জল্পেশ মন্দিরে। জল্পেশ মন্দিরে সেদিন হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি হবে।" উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শৈব তীর্থ জল্পেশ মন্দির। শ্রাবণ মাসের লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে জল্পেশে। শ্রাবণ মাসে জল্পেশ মন্দিরকে ঘিরে শ্রাবণী মেলার আয়োজন করা হয় ৷ এবার রাজ্যে পালাবদলের পরেই জল্পেশ মন্দিরকে ঘিরে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সুত্রের খবর ৷ এবার তিস্তা নদীতে স্নান করে জল নিতে এবার থেকে আর টিকিট কাটতে হবে না। পাশাপাশি জল্পেশ মন্দিরে আসা পুণ্যার্থীদের জন্য মেডিক্যাল ক্যাম্প থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থাই থাকছে ৷
শ্রাবণী মেলা উপলক্ষ্যে জল্পেশ মন্দিরে প্রবেশ মুল্য এবছর 50 টাকা থেকে 10 টাকা কমিয়ে 40 টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ এবার থেকে তিস্তা নদীতে স্নান করে তিস্তার জল নিতে পুণ্যার্থীদের তিস্তা ঘাটে নামতে কোনও টিকিট কাটতে হবে না। বিনামূল্যেই তিস্তা ঘাটে নেমে জল নিতে পারবেন পুণ্যার্থীরা।

প্রতি বছর তিস্তা ঘাটের জন্য ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে টেন্ডার ডাকা হয়। এবার টিকিট না-থাকায় কোনও টেন্ডার ডাকা হচ্ছে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ জল্পেশ মন্দিরকে ঘিরে শ্রাবণী মেলা আগামী 20 জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে ময়নাগুড়ির জল্পেশ মন্দিরেে শ্রাবণী মেলায় হাজার হাজার ভক্ত আসেন শিবের মাথায় জল ঢালতে। রোদ বৃষ্টিতে লাইনে দাঁড়িয়ে মন্দিরে প্রবেশ করেন পুণ্যার্থীরা। তাই পুণ্যার্থীদের জন্য স্কাইওয়াকের ব্যবস্থা করা হয়েছে ৷
উত্তরবঙ্গের বিখ্যাত শৈবতীর্থ জল্পেশ মন্দিরকে কেন্দ্র করে শ্রাবণী মেলা হয়ে থাকে। শৈবতীর্থ জল্পেশকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। জল্পেশ মন্দিরের সৌন্দর্যায়ন ও জল্পেশ মন্দিরের সংস্কার করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে ৷ কিন্তু সামনেই জল্পেশ মেলা সেই মেলায় যাতে কোনভাবেই সমস্যা না হয়। যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না-ঘটে সেই বিষয়ে কড়া সতর্কতা নিয়েছে রাজ্য সরকার।
ময়নাগুড়ির বিডিও সৌমেন দাস জানিয়েছেন, এই প্রথম তিস্তা নদীর ঘাটে কাউকে টিকিট কেটে তিস্তার জল নিতে হবে না। ফলে কোনও টেন্ডার ডাকা হচ্ছে না। জল্পেশ মন্দির কমিটির সম্পাদক গিরিন্দ্রনাথ দেব বলেন, "জল্পেশ মন্দিরে প্রবেশের জন্য 50 টাকা টিকিট নেওয়া হত ৷ এই বছর 50 টাকা থেকে কমিয়ে টিকিট মুল্য 40 টাকা করা হয়েছে ৷"

