বিধাননগরের 21টি ওয়ার্ডে পৌঁছাবে পরিস্রুত পানীয় জল, উপকৃত হবেন 4 লাখ মানুষ
কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় তৈরি হবে পানীয় জলের নেটওয়ার্ক। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় 4 লাখ বাসিন্দা উপকৃত হবেন। এর জন্য বরাদ্দ 330 কোটি টাকারও বেশি।

Published : December 7, 2025 at 8:11 PM IST
কলকাতা, 7 ডিসেম্বর: বিধাননগর কর্পোরেশনের আওতায় রাজারহাট গোপালপুর এলাকা এসেছে দীর্ঘ 10 বছর কেটে গিয়েছে। তবে এখনো সল্টলেকের মতো ঘরে ঘরে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছায়নি। এবার নাগরিকদের সেই আক্ষেপ মেটাতে চলেছে বিধাননগর কর্পোরেশন। সিদ্ধান্ত হয়ছে প্রায় কমবেশি 21টি ওয়ার্ডে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে পানীয় জলের নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। হবে একাধিক জায়গায় ওভারহেড ট্যাঙ্ক। উপকৃত হবেন কমবেশি 4 লাখ মানুষ।
বিধাননগর কর্পোরেশন সূত্রে খবর, রাজারহাট গোপালপুরের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জল নিয়ে কষ্টের অধ্যায়ের ইতি হতে চলছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় তৈরি হবে পানীয় জলের নেটওয়ার্ক। তৈরি হবে একাধিক ওভারহেড ট্যাঙ্ক, আন্ডার গ্রাউন্ড রিজার্ভার। এর জন্য বরাদ্দ 330 কোটি টাকারও বেশি। প্রায় 17 মিলিয়ন গ্যালন জল যায় প্রতিদিন বিধান নগরের যার সিংহভাগ টালা থেকে যায়। আর বেশ কিছুটা জল যায় নিউটাউন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে।
তবে সল্টলেক এলাকা ও আশপাশেই এই জল পান বাসিন্দারা। এয়ারপোর্ট এলাকা, বাগুইআটি, কৈখালী, কেস্টপুর, তেঘরিয়ায় এখনও বাসিন্দাদের ভরসা ভূগর্ভস্থ জল। এবার সেই সব অঞ্চলের বাসিন্দারা পাবেন এই পরিস্রুত পানীয় জল। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় 4 লাখ বাসিন্দা উপকৃত হবেন। এই পরিকল্পনার মধ্যে 4টে আন্ডার গ্রাউন্ড রিজার্ভার, 14টা ওভারহেড রিজার্ভার, এই সমস্ত এলাকায় পানীয় জল সরবরাহের নেটওয়ার্ক তৈরি।
এই প্রসঙ্গে বিধাননগর কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কাজটি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় হবে। বছর দুই সময় লাগবে। পাশাপশি সল্টলেক একাধিক এলাকায় পানীয় জলের পুরোনো পাইপ বদল করে নতুন পাইপ বসানো হবে। দ্রুত রাজারহাট গোপালপুর এলাকাগুলি মানুষ পানীয় জলের সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাবেন।
2015 সালে বিধান নগর কর্পোরেশন সঙ্গে রাজারহাট গোপালপুর জুড়ে যাওয়ার পর 10 বছর অতিক্রান্ত হলেও সেই সমস্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় পরিস্রুত পানীয় জল না পৌঁছানো নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ছিল বিস্তর ক্ষোভ বিক্ষোভ। তবে সেই ক্ষোভের অবসান ঘটবে বছর দুই পর যখন এই সমস্ত এলাকায় ঘরে ঘরে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে যাবে।

