ভোট পরবর্তী হিংসা, তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা
2021-এর নির্বাচন পরবর্তি সময়ে বিভিন্ন লোকের বাড়িতে অগ্নি সংযোগ, বাড়ি ভাংচুর, মারধর, তোলাবাজি, আর্থিক প্রতারণার একাধিক অভিযোগ রয়েছে দীপক রায়ের বিরুদ্ধে।

Published : June 2, 2026 at 3:22 PM IST
জলপাইগুড়ি, 2 জুন: ভোট পরবর্তী হিংসা। অগ্নিসংযোগ, তোলাবাজি সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। ময়নাগুড়ি সাপ্টিবাড়ি এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত তৃণমূল নেতা তথা ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ দীপক রায়কে গ্রেফতার করল ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। 2021-এর নির্বাচন পরবর্তি সময়ে বিভিন্ন লোকের বাড়িতে অগ্নি সংযোগ, বাড়ি ভাংচুর, মারধর, তোলাবাজি, আর্থিক প্রতারণার একাধিক অভিযোগ রয়েছে দীপক রায়ের বিরুদ্ধে। আজ ধৃতকে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হবে।
ময়নাগুড়ি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, দীপকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে৷ ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ দীপককে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। বেশ কয়েক বছর ধরেই সাপ্টিবাড়ি এলাকায় দীপক ত্রাস চালিয়েছে । 2023 সালে তৃণমূলের টিকিটে পঞ্চায়েত জয় লাভ করে ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ হন দীপক। জলঢাকা নদী থেকে বেআইনি ভাবে বালি উত্তোলন সহ সরকারি আধিকারিকদের মারধোরের পাশাপাশি সরকারি গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় নাম ছিল দীপকের বিরুদ্ধে।

দীপকের এমন কর্মকাণ্ডের পরেও দল বা পুলিশ কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয়নি। গত কয়েক বছরে আর্থিক ভাবে ফুলে ফেপে উঠতে থাকে তৃণমূল নেতা তথা ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ দীপক রায়। সূত্রের খবর, রাজ্যে পালাবদলের পর বিপদ আচ করে অসমে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল দীপক। ময়নাগুড়ি ফিরে আসতেই রামশাই থেকে দীপক রায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুমুদ রঞ্জন রায় বলেছেন, "দীর্ঘ দিন ধরেই দীপক পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে আসতেন না। দীপকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন আইনের পথে চলা উচিত।" ময়নাগুড়ি 2 নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি শিবশঙ্কর দত্ত বলেছেন, "দীপককে দল থেকে সরিয় দেওয়া হয়ছিল।" বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি চঞ্চল সরকার বলেছেন, "এতদিন গুন্ডাগিরি করে বেরিয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দীপকদের মতো গুন্ডারা গ্রেফতার হচ্ছে।"

