আকাশের একচেটিয়া দখল ইন্ডিগোর হাতে ! ফল মারাত্মক
বেনজির বিমান-বিভ্রাট ভারতে ৷ কেন হল এমন পরিস্থিতি ৷ পরিত্রাণের উপায় কী ? রইল বিস্তারিত বিশ্লেষণ ৷

Published : December 9, 2025 at 8:59 PM IST
প্রতিবেদন- সিআর সুকুমার
সম্প্রতি ইন্ডিগোতে হওয়া বিশৃঙ্খলা কোনও সাধারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা নয় ৷ আদতে এটা এক অশনি সংকেত ৷ একটি বেসরকারি সংস্থাকে এতটাই প্রভাবশালী হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যে তাতে বিপর্যয় দেখা দিতেই গোটা দেশের বিমান পরিবহণ মুখ থুবড়ে পড়ল ৷ এখান থেকে সরকারের শিক্ষা নেওয়া দরকার ৷ আইন-কানুনে এমন বদল আনা দরকার যার ফলে কোনও উড়ান সংস্থা যাত্রীদের সময় থেকে শুরু করে তাঁদের নিরাপত্তা ও অর্থ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে ৷ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চলা ভারতের এ ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া একান্ত আবশ্যক ৷
ইন্ডিগোয় সমস্যা, রুদ্ধ ভারতের গতি
গত কয়েকদিনে বেশ কয়েক হাজার বিমান বাতিল করেছ ইন্ডিগো ৷ তার জেরে বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন লক্ষ লক্ষ যাত্রী ৷ কেউ ফিরছিলেন পরিবারের কাছে, কারও ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান, কারও যাওয়ার কথা ছিল পরীক্ষা দিতে অথবা ডাক্তারের কাছে- বাধ্য হয়ে বাতিল করতে হয়েছে সবই ৷ সমস্যার মূলে কয়েকটি কারণ আছে ৷ এই জটিলতার অন্যতম বড় কারণ পাইলটদের বিশ্রাম দেওয়া সংক্রান্ত ডিজিসিএ'র নয়া নিয়ম ৷ ইন্ডিগো এমনিতেই বিমান চলাচলের যে সূচি তৈরি করে তাতে পাইলট-সহ বাকিদের বিশ্রাম বা অন্য কিছুর জন্য খুব সামান্য সময় নির্ধারণ করা থাকে ৷ নয়া নিয়মের জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে ৷ এর সঙ্গে কয়েকটি বিমানের ক্ষেত্রে সফটওয়ার সংক্রান্ত সমস্য়াও দেখা দেয় ৷

পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট দেশের মধ্যে যাওয়াতের জন্য সিংহভাগ যাত্রীই ইন্ডিগোর উপর নির্ভর করেন ৷ তাদের পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার পর যাত্রীদের অন্য সংস্থাগুলি সময়মতো পরিষেবা দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে- এমনটা ধরে নেওয়ার কোনও কারণ নেই ৷ এর নেপথ্যে একটি কারণের কথা আলাদা করে বলা দরকার ৷ সেটা হল ইন্ডিগোর তুলনায় অন্য উড়ান সংস্থাগুলির যাত্রীধারণ ক্ষমতা এতটাই কম যে অতিরিক্ত বিমান পরিবহণ স্বাভাবিক রাখা তাদের পক্ষে কার্যত অসম্ভব ৷ ইন্ডিগো বিভ্রাটের জেরে কয়েকটি রুটে বিমানের ভাড়া বেশ কয়েকগুণ বেড়ে যায় ৷ যাত্রীরাও বুঝতে পারেন, ইন্ডিগোয় সমস্যা দেখা দিলে বিমানে চড়ার বাসনা পরিত্যাগ করাই শ্রেয় ৷

বিভ্রাট কী কী শেখাল ?
গত বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতীয় উড়ান সংস্থাগুলির মধ্যে একটি প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে ৷ বিরাট স্বপ্ন নিয়ে তারা পরিষেবা দিতে শুরু করে ৷ তারপর তাদের পরিণতি হয় নিদারুণ ৷ সর্বস্ব খুইয়ে বন্ধ হয়ে য়াওয়া ছা়ড়া আর কোনও পথ খোলা থাকে না ৷ এর ফলে উড়ান সংস্থার সংখ্যা কমতে থাকে ৷ আরও বেশি করে বাজারের দখল যায় ইন্ডিগোর হাতে ৷ ইন্ডিগোর ব্যবসার মডেলটি খুব সাধারণ-একই ধরনের একাধিক বিমান আছে সংস্থাটির কাছে ৷ খরচ তুলনায় কম ৷ এর পাশাপাশি বিমানকর্মীদের নিয়েও পৃথক পরিকল্পনা আছে ৷ কিন্তু এত কিছু করতে গিয়ে নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়েছে ৷ বিশেষ করে নিয়মে পরিবর্তন হলে অথবা কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটলে নিরাপত্তার দিকটি থেকে যাচ্ছে উপেক্ষিত ৷
কুয়াশা বা কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা হলে দ্রুত সমাধানের জন্য পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া থেকে শুরু করে বিমান পরিবহণকে শক্তিশালী করার ব্যাপারে ভারত পরিশ্রম করেনি তেমন ৷ আর তাই এমন এক ভঙ্গুর ব্যবস্থার জন্ম হয়েছে, যেখানে একটি সংস্থার বিচক্ষণতার অভাবের ফল ভুগতে হয় গোটা দেশের পরিবহণ ব্যবস্থাকে ৷

সরকারের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া : সহয়াক হলেও দুশ্চিন্তার
সমস্য়া শুরু হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করতে পাইলটদের বিশ্রাম দেওয়া সংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করে দেয় ভারত সরকার ৷ সংস্থার পরিচালনায় পরিকল্পনার অভাব আছে বলে দাবি করে ইন্ডিগোকে কড়া শাস্তি পেতে হবে বলেও জানানো হয় ৷ বিমানের ভাড়া নিয়ন্ত্রণের রাখার পাশাপাশি যে সমস্ত বিমান বাতিল হয়েছে তার টিকিটের অর্থ যাত্রীদের ফিরিয়ে দিতেও বলা হয় ৷
কিন্তু উড়ান সংস্থার চাপে পাইলটদের বিশ্রাম সংক্রান্ত নিয়মে পরিবর্তন আনার ফল হয়েছে উল্টো ৷ অনেকের মনে হয়েছে, তাহলে উড়ান সংস্থার থেকে চাপ এলে যাত্রী নিরপত্তার সঙ্গে জড়িত নিয়মেও বদল আনা যেতে পারে ! পাইলটদের সংগঠন ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় কাজ আর সামান্য বিশ্রাম পাইলটদের মধ্যে ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে ৷ আর সেটা সরাসরি প্রভাবিত করবে যাত্রী নিরাপত্তাকে ৷
আমাদের কী কী করা উচিত ?
এখন উড়ান সংস্থার ব্যবসা পরিকাঠামো নতুন করে সাজানোর তুলনায় যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা বেশি জরুরি ৷ তার জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত আবশ্যক-
- স্বচ্ছ এবং স্বয়ংক্রিয় টাকা রিফান্ড: উড়ান সংস্থার কারণে বিমান বাতিল হলে বা ছাড়তে দেরি হলে যাত্রীরা যাতে কোনও চেষ্টা ছাড়াই টিকিটের টাকা ফেরৎ পেয়ে যান তা নিশ্চিত করতে হবে ৷ দিতে হবে ক্ষতিপূরণও ৷
- সঙ্কটের সময়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা: একদিনে বেশ কয়েকটি বিমান বাতিল হয়ে গেলেও যাতে ওই নির্দিষ্ট রুটে ভাড়া নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকে তা সুনিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকা দরকার ৷ যে সংস্থার বিমান বাতিল হয়েছে তার বাইরে অন্য সংস্থার বিমানের সাহায্যে যাত্রীদের গন্তব্যে পাঠানো হয়ে থাকে ৷ এই ব্যবস্থায় আরও গতি আনতে হবে ৷ সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, এই ব্যাপারে বেশ কয়েকটি অনুমোদন নেওয়ার বিষয় থাকে ৷ সেসব কারণে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে বাধ্য করা যাবে না ৷
- যাত্রী সুরক্ষায় ঢিলেঢালা মনোভাব নয়: পাইলটদের বিশ্রাম নেওয়ার মতো ব্য়াপারে কোনও ধরনের আপোস করা চলবে না ৷ এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে সময়ানুবর্তিতাকে ৷ নিয়মে কোনও ফাঁক আছে কি না সেটা কোনও নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে ৷

একচেটিয়া আগ্রাসন রুখতে
আগামী 2 থেকে 5 বছরের মধ্যে একটি উড়ান সংস্থার উপর নির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্য মাত্রা নিক সরকার ৷
কোন রুটে কার দখল: দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত বিমানবন্দর থেকে ছাড়া বিভিন্ন রুটের বিমানের উপর নজরদারি বাড়াতে হবে ৷ কোনও একটি উড়ান সংস্থার হাতে নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে কি না সেটা দেখা প্রয়োজন ৷ একই সংস্থা যাতে প্রাইম টাইমে বেশি স্লট না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে যে কোনও মূল্যে ৷ এর ফলে তুলনায় ছোট উড়ান সংস্থাগুলিও বড় সংস্থার সঙ্গে সমানে সমানে পাল্লা দিতে পারবে ৷

রুটে দখল বাড়লে আরও কড়া নিয়ম: যদি দেখা যায় কোনও একটি উড়ান সংস্থা একটি বিশেষ রুটে নিজেদের দখল আগের থেকে বাড়িয়েছে তাহলে তাদের জন্য আরও কড়া নিয়ম তৈরি করতে হবে ৷ বেশি সংখ্যক পাইলট নিয়োগ করতে হবে ওই সংস্থাকে ৷ স্ট্রেস টেস্টের নিয়মও হবে আগের থেকে হবে বেশি কঠিন ৷ নতুন নিয়ম ওই সংস্থা ঠিকভাবে মেনে চলছে কি না সেটার উপর নজরদারি আবশ্যক ৷
যাত্রীদের অধিকারের অধিক গুরুত্ব: যাত্রীদের অধিকার নিয়ে আইনে স্বতন্ত্র ধারার উল্লেখ থাকা জরুরি ৷ শুধু নির্দেশিকা দিয়ে দায় সারলেই হবে না ৷ আইন থাকলে যাত্রীরাও জানতে পারবেন তাঁদের অধিকারের পরিধি ঠিক কতটা ৷
দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা: শুধু ভাড়া কমানো নয়, চাই স্থিতিশীলতা
ভারতের এমন দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা দরকার যা দেশের আর্থিক আকাঙ্খা এবং ভূগৌলিক বিন্যাসের সঙ্গে মানানসই ৷
যাত্রীধারণ নিয়ে জাতীয় পরিরকল্পনা: আগামিদিনে দেশের চাহিদা কোন জায়গায় যেতে পারে সেটা এখন থেকে আন্দাজ করে বিমানবন্দরের আকার বাড়ানো, উন্নত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ব্যবস্থা তৈরি এবং পাইলটদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা- এসবই করতে হবে একটির সঙ্গে অন্যটির মধ্য়ে সমন্বয় সাধন করে ৷ আলাদা আলাদা উদ্যোগ নিলে কাজের কাজ হবে না ৷

সঠিক বিনিয়োগ: দেশের আরও অনেক সংখ্যক পাইলট থেকে শুরু করে ইঞ্জিনিয়র এবং বিমানবন্দরের নানা দায়িত্ব সামলানোর মতো কর্মী চাই ৷ এর জন্য দরকার আরও বেশি সংখ্য়ক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সহজে লোন পাওয়া এবং নিরাপত্তাকে সবার্ধিক প্রাধান্য দেওয়া ৷ এভাবে চললে নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপোস করতে হবে না ৷
নিরাপত্তার দায়িত্বে আলাদা সংস্থা: এমন একটি সংস্থা তৈরি করা দরকার যারা নিয়মিত পাইলটদের ক্লান্তি থেকে শুরু করে অন্য বিষয়ে যত্নবান হবে ৷ বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত এমন যে কোনও বিষয় নিয়েও চর্চা করবে এই সংস্থা ৷
বর্তমানে 1934 সালের এয়ারক্রাফট আইন এবং ডিজিসিএ-র নির্দেশিকা মেনে উড়ান সংস্থা যাত্রীদের টাকা ফেরায় বা অন্য বিমানের ব্যবস্থা করে ৷ বিমান চলাচলে দেরি হলে বা সেটি বাতিল হলে ক্ষতিপূরণ বাবদ 20 হাজার টাকা পর্যন্ত দেয় উড়ান সংস্থা ৷ কিন্তু এই ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ভাবার কোনও কারণ নেই ৷ নেই আইনি বাধ্যবাধকতাও ৷ তাই উড়ান সংস্থাগুলি এসব নিয়ে বিশেষ ভাবিত হয় না ৷ ইন্ডিগো বিভ্রাটেও সেটাই দেখা গিয়েছে ৷ কর্মীর অভাবে হাজারেরও বেশি বিমান বাতিল হয়েছে ৷ তার জেরে বিমানবন্দরে বসে থাকতে হয়েছে লক্ষ লক্ষ যাত্রীকে ৷ তাঁদের দ্রুত টাকা রিফান্ড করা উচিত ছিল ৷ তা না হলে সে সময় যখন বিমানের টিকিটের দাম ক্রমশ বাড়ছিল তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত ছিল ইন্ডিগোর ৷ এসব কিছুই হয়নি ৷ এমতাবস্থায় আমাদের আরও কড়া নিয়ম আনা দরকার ৷ উড়ান সংস্থাগুলির জন্য থাকা দরকার মোটা জরিমানার ব্যবস্থা ৷ এর পাশাপাশি যাত্রীদের অভিযোগের সুরাহা যাতে অনলাইনেই হয়ে যায় দেখা দরকার সেটাও ৷ একটি বিশেষ সংস্থা তৈরিও করা দরকার যাত্রীদের সুরক্ষার্থে ৷
সাম্প্রতিক বিমান বিভ্রাটকে একটি সাধারণ ঘটনা বলে ধরে নিলে ভারত কিছুই শিখবে না ৷ পরে নতুন কোনও ধাক্কা খেল আবার এই এক ভুলই করবে ৷ তা না করে এই বিভ্রাট পর্বকে যদি একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত হিসেবে ধরে নেওয়া যায় তাহলে দেশ এমন এক বিমান পরিবহণ ব্যবস্থা তৈরি করতে পারবে যেখানে যাত্রীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হবে, যাত্রী নিরাপত্তা পাবে সর্বাধিক গুরুত্ব এবং কোনও একটি সংস্থার দখলে চলে যাবে না দেশের আকাশ এবং আকাশ-অর্থনীতি ৷

তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চলা দেশ শুধুমাত্র এমন বিমান পরিবহণের উপর নির্ভর করতে পারে না যা আগে থেকে সঙ্কটের জন্য় প্রস্তুত থাকতে অপরাগ ৷ সমস্য়া এলে শেষ মুহূর্তে যা হোক করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কাজের কথা নয় ৷ ইন্ডিগো বিভ্রাটকে আমাদের শাসন-পরিকাঠামোর অংশ হিসেবে দেখা উচিত ৷ এই গোলমাল আমাদের উড়ান-নীতিতে বদল আনার পরামর্শ দিচ্ছে ৷ সেই নীতি হবে স্থিতিশীল, অপ্রয়োজনীয় উপাদান বর্জিত এবং স্বচ্ছ ৷ তাতে শুধু ভাড়া নিয়ন্ত্রণের বিষয় থাকবে না সেখানে ৷ থাকবে উন্নয়নের রূপরেখাও ৷
এই সঙ্কটকে মাথায় রেখে সরকারের উচিত এক নিরাপদ-যাত্রী কেন্দ্রিক এবং প্রতিযোগিতা বান্ধব বিমান পরিবহণ ব্যবস্থা তৈরি করা ৷ এটা করতে পারলে ভারত এমন এক দেশে পরিণত হবে যার আকাশ-অর্থনীতি বহু মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে ৷ কিন্তু তা না করে যদি শুধুই কাজ চালানোর মতো ব্যবস্থা করে সবচেয়ে বড় সংস্থাটিকে আড়াল করার চেষ্টা হয় তাহলে পরের ধাক্কাটি হতে চলেছে আরও বড় ৷ যাত্রীদের উপরও প্রভাব পড়বে এবারের থেকে অনেক বেশি ৷ তাঁরা অবশ্য ইতিমধ্যেই বুঝে গিয়েছেন ইন্ডিগোর মর্জি ছাড়া প্লেনে চড়ার কোনও বিকল্প তাঁদের হাতে নেই ৷

