'মদন মিত্র ইজ দ্য সাবজেক্ট অফ ট্রোলিং'- দেবলীনাকে দেখতে এসে কেন বললেন বিধায়ক?
দেবলীনাকে দেখতে এসে নিজের মনের যত্ন নিতে কীভাবে করেন তাও জানালেন কালারফুল মদন মিত্র ৷

By ETV Bharat Entertainment Team
Published : January 8, 2026 at 9:31 AM IST
কলকাতা, 8 জানুয়ারি: এখন অনেকটা সুস্থ আছেন ইউটিউবার-গায়িকা দেবলীনা নন্দী (Debolina Nandy)। তাঁর দিদি শর্মিষ্ঠা বুধবার বিকেলে জানিয়েছেন এই কথা। সামাজিক মাধ্যম থেকে সংবাদ মাধ্যম- সকলেরই এই মুহূর্তে নজর দেবলীনা নন্দীর দিকে। নেটিজেনদের মধ্যে কেউ তাঁর আরোগ্য কামনা করছেন, কেউ আবার তাঁর পক্ষ নিয়ে সহমর্মিতা দেখাচ্ছেন, কেউবা তাঁর স্বামীর পক্ষ নিয়ে সমালোচনা করছেন সদর্পে। মোদ্দাকথা, গান গাইবার পাশাপাশি যে ফোনই ছিল তাঁর সবসময়ের সঙ্গী সেই ফোনই এখন হয়ে উঠেছে দেবলীনার সবথেকে বড় শত্রু। তাই ফোন থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তাঁর চিকিৎসারত ডাক্তার ডা. অতনু পাল।
বুধবার বিকেলে দেবলীনাকে দেখতে এসএসকেএম হাসপাতালে আসেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। তিনি বলেন, "আমি দেবলীনাকে চিনি। ঘটনাচক্রে ওকে যিনি চিকিৎসা করছেন ডা. অতনু পাল আমাকেও দেখেন। ডাক্তারবাবু দেবলীনাকে অতিরিক্ত ফোন দেখতে বারণ করেছেন। এতে মানসিক চাপ বাড়বে। গান হয়ত সুস্থ হলে মনের জোরে গেয়ে দিতে পারবে দেবলীনা। কিন্তু বেশি ফোন দেখা ওর মানসিক চাপ বাড়াবে। এমনিতে এখন ভালো আছে দেবলীনা। যেটা ঘটেছে সেটা দুর্ভাগ্যজনক। আমরা ওর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। আমি দেবলীনাকে বলেছি এবার সুস্থ হয়ে কাজে ফিরে যাও। সবার আগে আমার কামারহাটিতে গান গাইতে হবে।"
দেবলীনাকে অতিরিক্ত ফোন দেখতে বারণ করেছেন চিকিৎসক। ফোনে নানাবিধ তির্যক পোস্ট তাঁর মনের উপর কুপ্রভাব ফেলছে বলে মত চিকিৎসকের। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে সামাজিক মাধ্যমে এই একটি বিষয় নিয়েই চর্চা তুঙ্গে। দেবলীনার আরোগ্য কামনার পাশাপাশি চলছে ট্রোলিং। এই প্রসঙ্গে মদন মিত্র তাঁর স্বভাবোচিত কায়দায় বলেন, "এত বড় পৃথিবীতে এতগুলো জঙ্গল তাতে জন্তু থাকবে না? কিছু যদি বিদঘুটে, কুৎসিত, অসভ্য ট্রোলার মজা দেওয়ার মতো মানুষ না থাকে তা হলে চলবে? আমাকে নিয়ে কেউ ট্রোলিং করলে আমি খুব খুশি হই। তাতে টিআরপি বেড়ে যায়, গ্রহণযোগ্যতাও আরও বেড়ে যায়। আমি তো দাঁড়িয়েই আছি ট্রোলিং-এর উপরে। 'মদন মিত্র ইজ দ্য সাবজেক্ট অফ ট্রোলিং'।"

ইটিভি ভারতের তরফে প্রশ্ন করা হয়, নিজের মনের যত্ন নিতে কী করেন তিনি? কালারফুল বিধায়ক বলেন, "সেটা বলে দিলে সবাই করতে শুরু করে দেবে। তা হলেই সমস্যা। তাও বলি, আমি মন ভালো রাখতে কাজ করি। কাজ খুঁজে নিই। কোনও কাজ না থাকলে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ি বন্ধুদের কাজকর্ম দেখতে। ওদের কাজের মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে দিই।"
কেমন দেখলেন দেবলীনাকে? এই প্রশ্নে তিনি বলেন, "এখন অনেকটা ভালো। ট্রমা অনেকটা কাটিয়ে উঠেছে। আরও কাটিয়ে উঠতে হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি কামারহাটিতে দেবলীনাকে গান গাওয়াব। দিনের শেষে দেবলীনা একজন পেশেন্ট। সে সুস্থ হবে না, তাকে সুস্থ করাতে হবে। তার কাছে যারা আসবে তারা যদি নেগেটিভ কথা বলে তা হলে ও আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে। ওর সঙ্গে পজিটিভ কথাবার্তা বলা হলে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে। রোগীর মন ভালো থাকা দরকার।"

