প্রয়াত ধর্মেন্দ্রর জন্য আলাদা প্রার্থনা সভা ! সম্পর্কে চিড় ? মুখ খুললেন হেমা
27 নভেম্বর সানি-ববি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন ৷ হেমা মালিনী আলাদা করে প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন 11 ডিসেম্বর ৷

By ETV Bharat Entertainment Team
Published : January 5, 2026 at 2:46 PM IST
হায়দরাবাদ, 5 ডিসেম্বর: হিন্দি সিনেমার 'হি-ম্যান' ধর্মেন্দ্র তাঁর 90তম জন্মদিনের মাত্র কয়েক দিন আগে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৷ দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে প্রায় দু'মাস ৷ বর্ষীয়ান অভিনেতা বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পর 24 নভেম্বর মুম্বইতে পরলোকগমন করেন ৷
ধর্মেন্দ্রের মৃত্যু পরিবারের পাশাপাশি দেশবাসী তথা অনুরাগীদের শোকাহত করে ৷ কিন্তু চর্চায় আসে যখন দেওল পরিবার ও হেমা মালিনী আলাদা করে ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে স্মরণসভার আয়োজন করেন ৷ প্রশ্ন ওঠে, দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের চিড় নিয়েও ৷ এই বিষয়ে প্রথমবার মুখ খোলেন হেমা ৷ এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী তাঁর আজীবনের সঙ্গীর চলে যাওয়ায় তৈরি হওয়া শূন্যতা, ধর্মেন্দ্রের সঙ্গে কাটানো কিছু প্রিয় মুহূর্ত ও ধর্মেন্দ্রের স্মরণে আয়োজিত আলাদা প্রার্থনা সভা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন ৷
অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ হেমা মালিনী, সানি-ববি এবং তাঁদের পরিবারের তরফে আয়োজিত প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন না ৷ উপস্থিত ছিলেন না, হেমার দুই মেয়ে এষা ও অহনাও ৷ যে কারণে জল্পনা শুরু হয়, কেন হেমা ও তাঁর মেয়েদের দেখা যায়নি সানি-ববির আয়োজিত প্রার্থনা সভায় ৷ হেমাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সংক্ষিপ্ত জবাব দেন ৷ অভিনেত্রী বলেন, "এটা আমাদের বাড়ির ব্যক্তিগত ব্যাপার।"
অভিনেতা-রাজনীতিবিদটি আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, "আমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমি আমার বাড়িতে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছিলাম, কারণ আমার পরিচিত মানুষজন ভিন্ন ধরনের। এরপর আমি দিল্লিতেও একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করি, কারণ আমি রাজনীতিতে আছি ৷ সেই ক্ষেত্রের বন্ধুদের জন্য সেখানে একটি প্রার্থনা সভা করা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মথুরা আমার নির্বাচনী এলাকা, এবং সেখানকার মানুষজন তাঁর জন্য পাগল। তাই আমি সেখানেও একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছি। আমি যা করেছি তাতে আমি খুশি।"
হেমা মালিনী আরও জানান যে, 8 ডিসেম্বর ধর্মেন্দ্রর 90তম জন্মদিন উপলক্ষে পরিবার একটি জমকালো উদযাপনের পরিকল্পনা করছিল। তিনি এও জানান যে, সানি দেওল ধর্মেন্দ্রর স্মৃতিতে একটি জাদুঘর তৈরিরও পরিকল্পনা করছেন। হেমার কথায়, "সে (সানি) বাবার নামে এই মিউজিয়াম অবশ্যই করবে। সবকিছু সুন্দরভাবে হচ্ছে। তাই চিন্তা করার কোনও দরকার নেই... যে দুটো আলাদা পরিবার, কে জানে কী হবে। কাউকে এত চিন্তা করার দরকার নেই। আমরা সবাই একদম ভালো আছি ৷"
প্রসঙ্গত, ধর্মেন্দ্র এবং হেমা মালিনীর প্রথম দেখা হয় 1970 সালে 'তুম হাসিন ম্যায় জাওয়ান' ছবির সেটে। তিনি তখন প্রকাশ কৌরের সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন ৷ যাঁর সঙ্গে ধর্মেন্দ্র চারটি সন্তান রয়েছে ৷ দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল এবং দুই মেয়ে বিজেতা ও অজিতা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধর্মেন্দ্র এবং হেমা মালিনী একে অপরের প্রেমে পড়েন ৷ অবশেষে 1980 সালে তাঁরা সব বাধাকে অতিক্রম করে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে, এষা দেওল এবং অহনা দেওল।

