প্রয়াত অনীক দত্তকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি কখন-কোথায় দেওয়া যাবে, জানালেন পরিচালকের স্ত্রী-মেয়ে
বৃহস্পতিবার প্রয়াত অনীক দত্তের শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি ৷ কবে-কোথায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো যাবে বিবৃতি প্রকাশ তাঁর স্ত্রী সন্ধি ও মেয়ে রাইয়ের ৷

By ETV Bharat Entertainment Team
Published : May 28, 2026 at 4:15 PM IST
|Updated : May 28, 2026 at 5:11 PM IST
হায়দরাবাদ, 28 মে: আচমকাই পরিচালক অনীক দত্তের প্রয়াণে হতবাক টলিউড ইন্ডাস্ট্রি ৷ সামলে উঠতে সময় লাগবে পরিবার তথা স্ত্রী (প্রাক্তন) সন্ধি ও মেয়ে রাইয়েরও ৷ এই পরিস্থিতিতে প্রথমবার পরিচালকের প্রয়াণের পর কীভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে, কোথায় শ্রদ্ধাঞ্জলির জন্য মরদেহ রাখা হবে, তা নিয়ে পরিবারের তরফে বিবৃতি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে ৷
গড়িয়াহাটের কাছে হিন্দুস্তান পার্কের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয় পরিচালক অনীক দত্তের। তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ৷ বুধবার সন্ধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে বর্তমানে তাঁর মরদেহ পিস ওয়ার্ল্ডে শায়িত রয়েছে। মেয়ে ঐশী (রাই) বিদেশে থাকেন। তিনি ফিরলে তারপরই শেষকৃত্য হবে। কিন্তু কবে?

অনীক দত্তকে শেষ শ্রদ্ধা কোথায় জানাতে পারবেন তাঁর অনুরাগীরা? পরিচালকের স্ত্রী সন্ধি দত্ত ও মেয়ে রাইয়ের তরফে এই বিবৃতি সামনে আনা হয়েছে ৷ সেখানে বলা হয়েছে, নিউ থিয়েটার্স 1 স্টুডিয়োতে অর্থাৎ এনটি 1 স্টুডিয়োতে তিন তলায়, সকাল 11.30টার সময় পরিচালক অনীক দত্তের দেহ আনা হবে ৷ সেখানে রাখা হবে বেলা 12.30টা পর্যন্ত ৷ সেখানেই তাঁর বন্ধুরা, সহকর্মীরা, অনুরাগীরা, শুভাকাঙ্খীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন ৷ এরপর কেওড়াতলা মহাশশ্মানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে ৷
বুধবার, পরিচালকের আকস্মিক প্রয়াণে বাক্যহারা টলি তারকারা ৷ প্রাথমিকভাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, পরিচালক অনীক দত্তের মাথায় ও ঘাড়ে গভীর ক্ষত নজরে আসে ৷ তাঁর মস্তিষ্কেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে ৷ বামদিকের মাথার খুলি থেকে পাঁজর, কোমরের অংশ ভেঙে গিয়েছে ৷ ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেতে সময় লাগবে৷ তার আগে বুধবার সন্ধ্যায় সামনে এসেছে অনীক দত্তর ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট ৷
প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, পরিচালকের মাথার বামদিকে গুরুতর আঘাত নজরে এসেছে। বামদিকের স্কাল বা মাথার খুলির হাড় ভাঙা। অনেক উপর থেকে পড়লে এরকম আঘাত হয়। বামদিকের পাঁজর ভেঙে গিয়েছে। বামদিকের পায়েও গুরুতর আঘাত রয়েছে। বামদিকের কোমর ভেঙে চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গিয়েছে। বামদিকের মুখ-পিঠ ও কোমরে এব্রেশনস বা তীব্র ঘর্ষণের চিহ্ন মিলেছে। ফুসফুসেও রক্ত জমাট বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে মস্তিষ্কে।

