ETV Bharat / entertainment

অভিনয় জীবনে কাদের ভয় পেতেন উত্তম কুমার? ফাঁস করলেন ছায়াসঙ্গী সাধন বাগচী

'উত্তম কুমারের প্রজন্মের শিল্পীরাই তাঁকে বোঝেননি'-উত্তম কুমারকে ঘিরে এমনই উপলব্ধি মহানায়কের ছায়াসঙ্গী সাধন বাগচীর। ইটিভি ভারতের প্রতিনিধি নবনীতা দত্তগুপ্তর সঙ্গে আড্ডায় উঠে এলো অজানা কথা।

actor-sadhan-bagchi-remembers-mahanayak-uttam-kumar-ahead-of-his-100th-birth-anniversary
মহানায়ককে নিয়ে অজানা কথা, আড্ডায় ছায়াসঙ্গী সাধন বাগচী (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Entertainment Team

Published : September 1, 2026 at 4:28 PM IST

10 Min Read
Choose ETV Bharat

কলকাতা, 1 সেপ্টেম্বর: সাধন বাগচী (Sadhan Bagchi), যিনি ছিলেন মহানায়ক উত্তম কুমারের (Mahanayak Uttam Kumar) ব্যক্তিগত সহকারী (Personal Assistant বা P.A.) এবং ছায়াসঙ্গী। তিনি 1973 সাল থেকে শুরু করে 1980 সালে উত্তম কুমারের মৃত্যুর দিন পর্যন্ত অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। দীর্ঘ 7 বছর ধরে সাধন বাগচী ছায়ার মতো উত্তম কুমারের পাশে ছিলেন। শুটিং ফ্লোর থেকে শুরু করে মহানায়কের প্রাত্যহিক জীবনের বহু অজানা মুহূর্ত এবং ভালো-মন্দের সাক্ষী ছিলেন তিনি। উত্তম কুমার দুঃস্থ ও প্রবীণ শিল্পীদের সাহায্য করার জন্য যে 'শিল্পী সংসদ' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সাধন বাগচী সেটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি এই 'শিল্পী সংসদ'-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৷ পাশাপাশি উত্তম কুমারের স্মৃতি ও তাঁর সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। 3 সেপ্টেম্বর মহানায়কের শততম জন্মবার্ষিকীতে (Uttam Kumar birth centenary), তাঁকে নিয়ে আড্ডায় ইটিভি ভারতের মুখোমুখি সাধন বাগচী ৷

ইটিভি ভারত: আপনাদের প্রথম আলাপ কীভাবে?

সাধন বাগচী: 1973 সাল। আমি বিভূতি লাহার ছবি 'সেদিন দুজনে'তে অভিনয় করি। নিউ থিয়েটার্সে চলেছিল ছবিটা। এরপর আমি বিশ্বরূপা থিয়েটারে আসি। তখন 'চৌরঙ্গী' নাটকটি মঞ্চস্থ হচ্ছিল তিন-চার বছর ধরে। তরুণ কুমার ও বিকাশ রায়ের সহযোগিতায় আমি শিল্পী সংসদে সভ্যপদ পাই। প্রফেশনাল আর্টিস্টদের সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শিল্পী সংসদ, সেই ধারা আজও অব্যাহত। অর্ধেন্দু মুখোপাধ্যায় তখন সম্পাদক। উনিও অনেক বড় মাপের মানুষ ছিলেন। চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং অভিনেতা ছিলেন উনি। অবিবাহিত ছিলেন এবং শিল্পী সংসদই ছিল তাঁর সংসার। আমাকে ওনার কাছে পাঠানো হয়, আমি সভ্যপদ লাভ করি। পরে উত্তম কুমারের সঙ্গে শিল্পী সংসদের কাজের যোগাযোগ সচল রাখতে আমাকে অর্ধেন্দু দা নিযুক্ত করেন। উত্তম কুমারের কাছাকাছি এবং তাঁর সান্নিধ্যে ওভাবেই আসি আমি।

ইটিভি ভারত: আপনার কাছে মহানায়ক কী?

সাধন বাগচী: এক কথায় বলতে গেলে 'মহামানব'। কেন জানতে চাইলে একাধিক কারণ বলতে পারি। তবে, এক্ষুণি যেটা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, 1975 সালে সুপ্রিয়া দেবীর মেয়ে সোমার বিয়ে হচ্ছে। মহানায়ক তাঁকে দত্তক মেয়ে পরিচয়ে সম্প্রদান করবেন। আর আমি তারই কিছুদিন আগে কলকাতা কর্পোরেশনে একটা চাকরির আবেদন করেছিলাম। কর্পোরেশনের প্রথম লিস্টে আমার নাম ছিল না। জানার পর মহানায়ক বিচলিত হয়ে পড়লেন। সেই সময় সেবাব্রত গুপ্ত, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকতেন সবসময়। সম্প্রদানে বসেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে মহানায়ক জিজ্ঞেস করলেন সাধনের চাকরির কী হল? অবাক লাগল ওই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বসেও উনি আমার চাকরি নিয়ে চিন্তা করেছিলেন। এ ছাড়াও আরও অনেক ঘটনা আছে, যা ওঁকে আমার কাছে 'মহামানব' করে তুলেছে।

ইটিভি ভারত: মূলত কোন উদ্দেশ্যে মহানায়ক শিল্পী সংসদ গড়ে তোলেন?

সাধন বাগচী: খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রশ্ন করলেন। মহানায়ক কোনও তাগিদে শিল্পী সংসদ গড়ে তোলেননি। গড়ে তোলেন একটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। তার আগে তিনি ছিলেন অভিনেত্রী সংঘের সভাপতি। তখন সম্পাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এক্সিকিউটিভ কমিটিতে ছিলেন অনুপ কুমার, দিলীপ রায়-সহ আরও কয়েকজন। এই সময়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময়ে বামপন্থীরা শিল্পীদের নিজের ভাবধারায় প্রভাবিত করতে পেরেছিল। অভিনেত্রী সংঘের লোকজনও অনেকেই ছিল। তাদের কাছে নির্দেশ এলো ভিয়েতনামবাসীর পাশে দাঁড়াতে হবে। উত্তম কুমার তখন বললেন আমার বাড়ির পাশের মানুষগুলিই তো অভুক্ত, তাদের না দেখে আমি আগে ভিয়েতনামবাসীকে দেখব? সে কথা ওদের পছন্দ হল না। না পছন্দ হওয়ায় মহানায়ককে বিভিন্নভাবে বিব্রত করা এবং দোষ দেওয়া শুরু করল।

একদিন সকালে ময়রা স্ট্রিটে পোস্টার দেখা গেল- 'উত্তম কুমার চোর'। উনি মর্মাহত হন। সেদিনই স্থির করেন একটা স্বতন্ত্র সংস্থা বানাবেন। নাম হবে 'শিল্পী সংসদ'। শুধু অভিনেতা-অভিনেত্রী নয়, পেশাদার সঙ্গীত শিল্পী, নৃত্যশিল্পী, নাট্যশিল্পীরাও যুক্ত হলেন তাতে। উত্তম কুমারের কানে আসে অনেক প্রবীণ শিল্পীই কাজহারা, কষ্টে আছেন। উত্তম কুমার তখন ঠিক করলেন এদের পাশে দাঁড়াতে হবে। টাকা তোলা হত নাটকের মাধ্যমে। জনপ্রিয় সব নাটক মঞ্চস্থ হত তখন। আস্তে আস্তে টাকা আসতে শুরু করল। কিন্তু সেই টাকা যথেষ্ট ছিল না। সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েও টাকা তোলা হত। সেটাও যথেষ্ট হত না। মহানায়ক ঠিক করলেন ছবি করতে হবে শিল্পী সংসদকে। তখন রমাপদ চৌধুরীর গল্প 'বনপলাশীর পদাবলী' নেওয়া হল। কে না ছিলেন সেই ছবিতে। উত্তম কুমারের পরিচালনায় প্রথম ও শেষ ছবি ওটাই। খুব হিট হয়। এরপরেই একটা ফান্ড তৈরি হয়। এরপর 'দুই পৃথিবী' তৈরি হয় শিল্পী সংসদের প্রযোজনায় পীযূষ বসুর পরিচালনায়। ওই ছবিতে ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়কে উত্তম কুমার প্রথম ব্রেক দিলেন। এই ছবিটা ব্যবসা করার পর অনেক শিল্পীকে সাহায্য দিতে পেরেছিল শিল্পী সংসদ।

ইটিভি ভারত: মহানায়কের পরিবারের কাছেই শুনেছি উনি নাকি কোনও পুজো ওপেনিং-এ যেতেন না। কিন্তু ফাটাকেষ্ট নাকি সেই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছিলেন?

সাধন বাগচী: খুব সম্মানের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে বরণ করে তারপর স্টেজে নিয়ে যাওয়া হয়। মহানায়ককে ভয় দেখিয়ে কিছু করানো যেত না। উনি মনে করেছিলেন যে যাওয়া যায় তাই গিয়েছিলেন। শিল্পীদের উন্নতিকল্পে অনেক মহৎ উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। এমনকী বন্যাত্রাণে বেরিয়ে রবীন্দ্র সরণী দিয়ে তিনি যখন যাচ্ছিলেন তখন সেখানকার বাড়ির মহিলারা গয়না খুলে দিয়ে দিচ্ছিলেন তাঁকে।

বাড়ির পুরুষরা তখন উত্তমকুমারকে তখন বলেন, "আপনি চলে যান। না হলে বাড়ির মেয়েরা সর্বস্ব দিয়ে দেবে। আমরা দেউলিয়া হয়ে যাবো।"

ইটিভি ভারত: সেই সময়ে তাঁর মহিলা ফ্যানের তো অভাব ছিল না!

সাধন বাগচী: উনি চলে যাওয়ার দিন কত মহিলা যে বিধবা হয়েছিলেন, কত বাড়িতে যে সেদিন অরন্ধন হয়েছিল তার ইয়ত্তা নেই। এ এক বিরল ঘটনা।

ইটিভি ভারত: উনি চলে যাওয়ার পরে ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও পরিবর্তন দেখতে পেয়েছিলেন?

সাধন বাগচী: যে সব শিল্পী নিজেকে উত্তম কুমারের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতেন তাঁরা অনেকেই ভেবেছিলেন এবার ভালো ভালো চরিত্রগুলো আমরা পেয়ে যাবো। একটা আপদ চুকেছে। শেষ অবধি সেটা তো হল না। অন্য বাঁকে চলে গেল ইন্ডাস্ট্রি। স্বপন সাহা, সুখেন দাস, অঞ্জন চৌধুরী তখন কিছু অবাস্তব ছবি করতে শুরু করলেন। তবে, একথাও ঠিক, ওইভাবেই ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই একটা বিরাট পরিবর্তন হল। কিন্তু বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজ এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। হলের সামনে সম্ভ্রান্তদের গাড়ির লাইন আর থাকত না তখন। যারা সাহিত্যধর্মী ছবি ভালোবাসত তারা সরে গেল। আর দেখত না সেই ছবি। সেই ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি।

ইটিভি ভারত: আজ কি কারোর মধ্যে মহানায়কের সেই ছায়া দেখতে পান?

সাধন বাগচী: না সেটা তো হবে না। ওনাকে যদি পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন তা হলেই তার উত্তর পাবেন। উত্তম কুমার একটা ছবিতে কোনও চরিত্রে শট দেওয়ার পরে আর ওখানে দাঁড়াতেনই না। মেক আপ রুমে গিয়ে পরের শটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতেন। এই একাগ্রতা তো সকলের মধ্যে নেই। দ্বিতীয় কথা হল, উনি সহ অভিনেতাদের বুঝতেই দিতেন না যে উনি 'উত্তম কুমার'। নবাগতকেও বুঝতেই দিতেন না উনি উত্তম কুমার। মাধবী দি আমাকে বলেছেন, 'শঙ্খবেলা' ছবিতে উত্তম কুমারের সঙ্গে অভিনয় করার সময় ওনার বেশ নার্ভাসই লাগছিল। কিন্তু উনি বুঝতেই দেননি যে উনি উত্তম কুমার'। শিল্পী হিসেবে বড় মনের দরকার। উত্তম কুমারের মনটা একটা বিষয় যেভাবে ভাববে, সারা পৃথিবী সেটা অন্যভাবে ভাববে।

ইটিভি ভারত: উত্তম ভার্সেস সৌমিত্র- বাঙালির কাছে ঠিক যেন ডার্বি ম্যাচ। ওনারা কী বলতেন?

সাধন বাগচী: এগুলো সব তৈরি হয়েছিল কফি হাউজ থেকে। তখন সো কলড একটা ইন্টেলেকচুয়াল শ্রেণী ছিল। কংগ্রেস তখন ক্ষমতায়। বামপন্থীরা তখন বিভিন্নভাবে বাংলায় নিজেদের জায়গাটা তৈরি করার জন্য শিক্ষিত সমাজের লোকেদের বোকা বানানোর চেষ্টা করে গিয়েছে। আপনি এক বললে ওরা দুই বলবে আর আপনি তিন বললে ওরা চার বলবে। যেটা হওয়ার না সেটা নিয়েই ওরা বিপ্লব করত। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় শিক্ষিত তাই উনি ছিলেন ওদের ক্লাস। আর উত্তম কুমার শুধু প্রি ইউনিভার্সিটি পাশ তাই তিনি তাদের লোক ছিলেন না। কিন্তু পরবর্তীকালে এই সমাজ তাদের ভুল বুঝতে পেরেছিল। সৌমিত্র দা'র মধ্যেও আমি অনুশোচনা দেখতে পেয়েছি।

ইটিভি ভারত: মহানায়কের পছন্দের অভিনেত্রী কে ছিলেন?

সাধন বাগচী: ওই প্রশ্নের জবাব দেওয়া মুশকিল। উত্তম কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন প্রায় 34-35 জন নায়িকা। তাঁদের মধ্যে থেকে কাকে ছেড়ে কাকে বলবেন আপনি? তবে, কয়েকজনের অভিনয় পছন্দ করতেন এবং তাঁদের ভয়ও পেতেন। যেমন সুপ্রিয়া দেবী। উনি অভিনয়ে কখন কী করে বসেন ঠিক ছিল না। একইভাবে নিজের ভাই তরুণ কুমারকেও উনি ভয় করতেন। ওনার অভিনয়ও ছিল তেমনি। সাবিত্রীও তেমনিই ছিলেন।

ইটিভি ভারত: মুম্বইতে প্রচুর সুযোগ এলেও বাংলা ছেড়ে কেন যাননি উনি?

সাধন বাগচী: মহানায়ক কান পাতলা মানুষ ছিলেন। কেউ কেউ বলেছিলেন মুম্বই না যেতে, উনি যাননি। 'বিশ সাল বাদ' ছবিটা ওনার করার কথা ছিল। কিন্তু ছেড়ে দেন বাংলা ছেড়ে যাবেন না বলে। তারপর বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় ছবিটা করেন। মহানায়ক তখন ইন্ডাস্ট্রির শিখরে ছিলেন। এছাড়া বাংলা না ছাড়ার পিছনে আরও কিছু সমস্যা ছিল ওনার। গৌরী দেবী, ওনার মা, ছেলে গৌতম, ময়রা স্ট্রিটে সুপ্রিয়া দেবী ছিলেন, শিল্পী সংসদ ছিল। কত বড় মাপের অভিনেতা ছিলেন তার পরিমাপ করা বেশ কঠিন। একদিন আমাকে ডেকে বললেন পণ্ডিত রবি শঙ্করের একটা ক্লাসিক্যাল অনুষ্ঠান করতে হবে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। উনি সারা ভারতবর্ষের লোকশিল্পীদের নিয়ে একটা অনুষ্ঠান করতে চেয়েছিলেন। আমাকেই বলেন সে কথা। কিন্তু তা আর করে উঠতে পারেননি। এর কিছুদিন পরেই উনি মারা যান। আজকের কোনও শিল্পী, অর্গানাইজারের মনে এই চিন্তা এসেছে? ওনার চিন্তাভাবনা ছিল সুদূরপ্রসারী। উত্তম কুমার এক ও অনন্য।

ইটিভি ভারত: উনি কি যথার্থ সম্মান পেয়েছিলেন ?

সাধন বাগচী: ওনার প্রজন্মের শিল্পীরাই ওনাকে ঠিক করে বুঝতে পারেননি। খুব কম সংখ্যক শিল্পীর মধ্যে সেই উপলব্ধিটা ছিল। শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়ের মধ্যে সেই উপলব্ধি আমি দেখেছিলাম। ওঁরা বুঝেছিলেন মহানায়ক কত বড় মনের মানুষ ছিলেন। আরও একজনের পরিমাপ হল না। যিনি চলে গেলে আমরা বিরাট কিছু হারাব, তিনি মাধবী মুখোপাধ্যায়।

ইটিভি ভারত: মহানায়কের আর্কাইভের কাজ কতদূর?

সাধন বাগচী: চেষ্টা চলছে। এখনই এই নিয়ে কিছু বলা যাবে না। তবে বেসরকারি উদ্যোগে হবে। সরকারি বদান্যতা থাকবে না। শিল্পী সংসদ একটি ছবিও করবে, কথা চলছে। বম্বের এক বাঙালি ফান্ড দিচ্ছেন। প্রযোজনায় শিল্পী সংসদ। স্ক্রিপ্টের কাজ চলছে। এটুকু বলতে পারি 'বনপলাশির পদাবলী', 'দুই পৃথিবী'র মানের ছবি হবে।

আরও পড়ুন