ETV Bharat / bharat

উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে সুড়ঙ্গে দু'টি ট্রেনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত 88 শ্রমিক

ফের সুড়ঙ্গে দুর্ঘটনা উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে ৷ দু'টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন বহু শ্রমিক ৷

Uttarakhand Tunnel Accident
উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে সুড়ঙ্গে দুর্ঘটনা (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : December 31, 2025 at 2:28 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

গোপেশ্বর (উত্তরাখণ্ড), 31 ডিসেম্বর: সুড়ঙ্গের মধ্যে দু'টি লোকো ট্রেনের সংঘর্ষে আহত হলেন অন্তত 88 জন শ্রমিক ৷ মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় ৷

রাত ন'টা নাগাদ বিষ্ণুগাদ-পিপালকোটি হাইড্রো ইলেক্ট্রিক প্রোজেক্টের সুড়ঙ্গে বোরিং মেশিন চালিয়ে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছিল ৷ শিফট চেঞ্জের সময় একটি খালি ট্রেন সুড়ঙ্গের বাইরে যাচ্ছিল ৷ আরেকটি ট্রেন শ্রমিকদের নিয়ে সুড়ঙ্গের ভিতরে আসছিল ৷ এই সময় দু'টি ট্রেনের সংঘর্ষ হয় ৷

প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় আহত শ্রমিকদের সুড়ঙ্গ থেকে বের ককরে গোপেশ্বরের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয় ৷ সেখানে তাঁরা চিকিৎসাধীন ৷

চামোলির জেলাশাসক গৌরব কুমার জানান, দুর্ঘটনার সময় ট্রেনে সব মিলিয়ে 109 জন লোক ছিল ৷ তাঁদের বেশিরভাগই শ্রমিক ৷ ট্রেনটি ঘটনাস্থল থেকে বের করে আনা হয়েছে ৷ আহতরা সকলেই এখন স্থিতিশীল ৷

জেলাশাসক বলেন, "প্রায় 88 জন আহত হয়েছেন ৷ তাঁদের মধ্যে 70 জন আহত হয়েছেন ৷ গোপেশ্বরের জেলা হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে ৷ 66 জনকে চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৷ চারজনের আঘাত গুরুতর ৷ তাঁরা এখনও জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৷ 18 জন আহত শ্রমিকের চিকিৎসা হয়েছে পিপলকোটির বিবেকানন্দ হাসপাতালে ৷ তাঁদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৷ আহতরা এখন স্থিতিশীল ৷"

পিপলকোটিতে সুড়ঙ্গটির নির্মাতা সংস্থা টিএইচডিসি ৷ লোকো ট্রেনে সুড়ঙ্গের ভিতরে শ্রমিক, আধিকারিক এবং নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়া-আসার কাজ হয় ৷ চামোলির সাব-ডিভিশনার ম্যাজিস্ট্রেট জানান, "প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ৷ কেন এই দুর্ঘটনা হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৷ প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে এই বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে ৷" অলকানন্দা নদীতে হেলাং ও পিপলকোটির উপর 444 মেগাওয়াটের হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট তৈরি হচ্ছে ৷

এর আগে 2023 সালের নভেম্বরে উত্তরাখণ্ডের উত্তর কাশীর সিল্কিয়ারা টানেল হঠাৎ ধস নামে ৷ আটকে পড়েন 41 জন শ্রমিক ৷ 16 দিন তথা 400 ঘণ্টা ওই সুড়ঙ্গে আটকে থাকার পর 29 নভেম্বর রাতে তাঁদের বের করে আনা হয় ৷