ETV Bharat / bharat

মায়ের জন্ম তারিখ মিলিয়ে কেনা টিকিট ! লটারিতে 240 কোটি টাকা পেলেন যুবক

এ যেন দরজায় এসে কড়া নেড়েছেন স্বয়ং মা লক্ষ্মী! এক-দু'কোটি টাকা নয় একেবারে 240 কোটি টাকা জিতে তাক লাগিয়ে দিলেন তেলেঙ্গানার অনিল কুমার ৷

LOTTERY TICKET JACKPOT Winner Anil Kumar
লটারি জেতা বোল্লা অনিল কুমার (ইনাডু)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : November 9, 2025 at 7:01 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

হায়দরাবাদ, 9 নভেম্বর: কথায় আছে ভাগ্য যখন সহায় হয়, তখন কোনও কর্ম ছাড়াই ফল পাওয়া যায় ৷ এমনই ভাগ্যের অধিকারী হলেন তেলেঙ্গানার যুবক ৷ একটিমাত্র লটারিতে রাতারাতি বদলে গেল তাঁর ভাগ্য ৷ এক-দুই কোটি টাকা নয় একেবারে 240 কোটি টাকা জিতে নিলেন খাম্মাম জেলার ভেমসুর মণ্ডলের ভিমাবরম এলাকার বাসিন্দা অনিল কুমার ৷ এ যেন দরজায় এসে কড়া নেড়েছেন স্বয়ং মা লক্ষ্মী!

এক সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্ম বোল্লা অনিল কুমারের ৷ বাবার নাম বোল্লা মাধবরাও এবং মা ভুলালক্ষ্মী ৷ হায়দরাবাদ শহর থেকেই প্রাথমিক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষা সম্পূর্ণ করেন তিনি ৷ এরপর সফট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে চাকরিজীবন শুরু করেন ৷ বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন অনিল ৷

বেশ কয়েকদিন ধরে লটারি কিনে ভাগ্য পরীক্ষা করছিলেন অনিল ৷ কিন্তু, আশানুরূপ ফল পাননি ৷ সম্প্রতি তাঁর মায়ের জন্মদিনের সঙ্গে সংখ্যা মিলিয়ে লটারির টিকিট কাটেন ৷ আর তাতেই স্বয়ং মা লক্ষ্মী তাঁর দরজায় এসে উপস্থিত হন ৷

অনিলের বিশাল অঙ্কের এই টিকিট জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে তেলগু রাজ্যে ৷ রাতারাতি খ্যাতি অর্জন করেন তিনি, যেন এক সেলিব্রিটি ৷ সকলের মুখে একটাই কথা শুধু কঠোর পরিশ্রম করলেই হয় না ৷ ভাগ্য সহায় হলে সবকিছুই সম্ভব হয় ৷ ছেলের এই অভাবনীয় প্রাপ্তিতে অনিলের মা ভুলালক্ষ্মী বলেন, "স্থানীয় এক সরকারি স্কুলে খুব কষ্ট করে পড়াশোনা করেন আমার ছেলে ৷ সত্তেনাপল্লি পলিটেকনিক কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে হায়দরাবাদে চলে যান ৷ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে তাঁর এই লটারি জয়ে আমি খুব আনন্দিত ৷"

ছেলের এতবড় অঙ্কের অর্থপ্রাপ্তিতে এক নয়া পথের দিশা দেখছে অনিলের পরিবার ৷ শুধু পরিবারের সদস্যরাই নন, বিদেশের মাটিতে গ্রামের ছেলের এই অর্থপ্রাপ্তিতে আনন্দিত অনিলের গ্রামের বাসিন্দারাও ৷ তাঁর বাবা বোল্লা মাধবরাও বলেন, "ছোট থেকেই খুব কষ্ট করে ছেলে পড়াশোনা করেছেন ৷ পলিটেকনিক করেছেন ৷ বেশ কয়েকদিন হায়দরাবাদে চাকরিও করেন তিনি ৷ এরপর কর্মসূত্রে দুবাই চলে যান ৷ ফোন করে বললেন লটারি জিতেছেন ৷ প্রথমে বিশ্বাস হচ্ছিল না ৷ পড়ে তাঁর কাছের বন্ধুরাও ফোন করে একই কথা জানালেন ৷ খুব খুশি হয়েছি ৷"

পড়ুন: মিরাকেল! অঙ্গদানের জন্য মৃতদেহে রক্ত চলাচল করলেন এশিয়ার প্রথম চিকিৎসক