ETV Bharat / bharat

দু'টি ভিন্ন এনকাউন্টারে নিকেশ বহু মাওবাদী, উদ্ধার 12 জনের দেহ

ছত্তিশগড়ের দু'টি জেলায় দু'টি ভিন্ন এনকাউন্টারে মাওবাদীদের মৃত্যু হয় ৷ তাদের মধ্যে 12 জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে ৷ এখনও এনকাউন্টার চলছে ৷

Maoist Encounter
মাওবাদী নিকেশ অভিযান (ফাইল ছবি)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : January 3, 2026 at 1:29 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

বিজাপুর, 3 জানুয়ারি: দু'টি এনকাউন্টারে বস্তারে বেশ কয়েকজন মাওবাদীকে নিকেশ করেছে নিরাপত্তাবাহিনী ৷ শনিবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে 12 জনের দেহ ৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোরে এনকাউন্টার শুরু হয় ছত্তিশগড়ের বস্তারের দুটি এলাকায় ৷ তার মধ্যে সুকমায় 10 জনেরও বেশি মাওবাদী নিকেশ হয়েছে ৷ দু'জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বিজাপুর থেকে ৷

সুকমায় মাওবাদী নিকেশ অভিযান নেমেছিল নিরাপত্তাবাহিনী ৷ জঙ্গলে এই অভিযানে 10 জনেরও বেশি সশস্ত্র মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে ৷ এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও অভিযান চলছে ৷ পরে আরও জানানো হবে ৷ বিজাপুরের জঙ্গলেও একই ধরনের আরেকটি এনকাউন্টার হয় ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) ও মাওবাদীদের মধ্যে ৷

বস্তার ডিভিশন সূত্রে খবর, দক্ষিণ বিজাপুর এলাকার জঙ্গলে মাওবাদীরা রয়েছে ৷ গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে অভিযানে নামে ডিআরজি ৷ এরপর এদিন ভোর 5টা নাগাদ ডিআরজি এবং মাওবাদীদের মধ্যে এনকাউন্টার শুরু হয় ৷ ইনস্পেক্টর জেনারেল সুন্দররাজ পি জানিয়েছেন, এনকাউন্টারের জায়গায় থেকে দু'জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে ৷ তিনি বলেন, "এনকাউন্টার শেষ হলে বাকি তথ্য জানা যাবে ৷" নিরাপত্তাবাহিনীর কোনও কর্মীর জখম হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি ৷

সরকারি সূত্রে খবর, গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছত্তিশগড়ের বিভিন্ন জেলার এনকাউন্টার স্থল থেকে 256 জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে ৷ পুলিশ মাওবাদীদের থেকে সর্বমোট 665টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে ৷ এর মধ্যে AK-47s, LMGs, INSAS rifles, এবং SLR-এর মতো 250টি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রও রয়েছে ৷ এছাড়া 303টি রাইফেল, ভারমার রাইফেল, BGL লঞ্চার, সিঙ্গল শট উইপন এবং কারবাইন রয়েছে ৷

এর আগে গতকাল মাও কমান্ডার বার্সা দেবাকে গ্রেফতার করেছে তেলেঙ্গানা পুলিশ ৷ সূত্রের খবর, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় এবং মহারাষ্ট্রের সীমানা অঞ্চলের জঙ্গলে আরও 15 জন সশস্ত্র মাওবাদীর সঙ্গে দেবার গতিবিধি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কড়া নজর রেখেছিল ৷ এরপরই অতর্কিতে অভিযান চালিয়ে গোটা মাওবাদী দলটিকে পাকড়াও করে পুলিশ ৷ এরা সকলেই দেবা'র নেতৃত্বে ব্যাটালিয়নে কাজ করছিল ৷

পুলিশের দাবি, বার্সা দেবা বর্তমানে মাওবাদী দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অন্যতম ৷ টিপ্পিরি তিরুপতি ওরফে দেবজি এবং তেলেঙ্গানা রাজ্য সম্পাদক বাদে চোক্কারাও ওরফে দামোদরের পাশাপাশি দেবাও বর্তমানে দলে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল ৷ কয়েকদিন আগে মারেডুমিল্লিতে সংঘর্ষে শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিডমার মৃত্যুর পর দেবার গ্রেফতারি পুলিশের সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে ৷ দেবা ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার পুভার্তি গ্রামের বাসিন্দা ৷ হিডমারও আদি নিবাস ছিল এই পুভার্তি গ্রাম ৷ এরা দু'জনেই প্রায় একই সময়ে মাওবাদী দলে যোগ দিয়েছিল বলে খবর।