ট্রেন থামিয়ে শিঙাড়ার দোকানে ট্রেনের চালক ! ব্যাখ্যা দিল রেল কর্তৃপক্ষ
মাঝরাস্তায় ট্রেন থামিয়ে নেমে একটি চা-শিঙাড়ার দোকানে গেলেন ট্রেনের এক চালক ৷ এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই বিতর্ক তৈরি হয় ৷ ব্যাখ্যা দিল রেল কর্তৃপক্ষ ৷

Published : July 8, 2026 at 9:49 PM IST
ইন্দোর, 8 জুলাই: ট্রেন দাঁড় করিয়ে রেখে মাঝপথে শিঙাড়া কিনতে গেলেন এক সহকারী লোকো পাইলট ৷ এই ভিডিয়ো সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তৈরি হয় বিতর্ক ৷ তাহলে কি রেল কর্তৃপক্ষ যে সময়ানুবর্তিতা নিয়ে নানাবিধ দাবি করে, সেসব শুধুই কথার কথা ৷ ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর ও মাউ-এর মধ্যে চলাচলকারী একটি ট্রেনকে কেন্দ্র করে ৷ অভিযোগ, চালক প্রতিদিন শিঙাড়া খাওয়ার জন্য ট্রেনটিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে থামান এবং শিঙাড়া কিনে ফিরে ট্রেন চালান ৷
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে ট্রেনটি দাঁড়িয়ে আছে ৷ একজন হালকা নীল রঙা শার্ট পরা ব্যক্তি ট্রেন থেকে নেমে কাছাকাছি একটি শিঙাড়া বিক্রির দোকানে ঢুকে শিঙাড়া কিনলেন ৷ তারপর আবার শিঙাড়া ভর্তি প্যাকেট নিয়ে ট্রেনে উঠে গেলেন ৷ এরপর ট্রেন হর্ন বাজিয়ে যাত্রা শুরু করে ৷ এইভাবে রোজ 10 মিনিট ট্রেন দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে সহকারী লোকো পাইলটের বিরুদ্ধে ৷
এই অভিযোগ পেয়ে পশ্চিম রেলওয়ের রতলাম ডিভিশনের জনসংযোগকারী আধিকারিক মুকেশ কুমার বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছিলেন ৷ বুধবার তিনি জানান, ওই ট্রেনটি যাত্রীবাহী নয় ৷ তিনি বলেন, "আমরা সোশাল মিডিয়ায় ওই ভিডিয়ো দেখেছি ৷ এর তদন্ত করা হয়েছে ৷ সংশ্লিষ্ট দফতর ট্রেনটির দাঁড়িয়ে থাকার জায়গাটি নিশ্চিত করেছে ৷"
তিনি আরও বলেন, "ওই ট্রেনটি ডেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন নয় ৷ এই দাবি মিথ্যা ৷ সম্পূর্ণ ভুল তথ্য ৷ এটা মালবাহী ট্রেন ৷ রেলের নিয়ম মেনে হোম সিগন্যালের কাছে পণ্যবাহী ট্রেনটিকে দাঁড় করানো হয়েছিল ৷ কারণ সামনেই ইঞ্জিনিয়ারিং কাজকর্ম চলছিল ৷ তাই সিগন্যাল অন ছিল না ৷ এই সময়ে ওই ব্যক্তি ট্রেন থেকে নেমে শিঙাড়া কিনতে গিয়েছিলেন ৷ তিনি স্পেয়ার ড্রাইভার ৷ অর্থাৎ তিনি ট্রেন চালাচ্ছিলেন না ৷ প্রধান লোকো পাইলট ও অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট ভিতরেই ছিলেন ৷ তাই ওই ভাইরাল ভিডিয়োয় যে দাবি করা হয়েছে যে লোকো পাইলট ট্রেন থামিয়ে খাবারদাবার কিনছে এবং ট্রেনটি ডেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন- এই দু'টি তথ্যই ভ্রান্ত, ভিত্তিহীন ৷ সিগন্যাল ছিল না বলেই ট্রেনটি ওখানে দাঁড়িয়েছিল ৷ আর এটা পণ্যবাহী ট্রেন, যাত্রীবাহী নয় ৷"

