ETV Bharat / bharat

রাম মন্দিরে অনুদান বিতর্ক: খোলা বইয়ের মতো আমার জীবন, মুখ খুললেন চম্পত রাই

অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান ও প্রণামীর টাকা তছরূপের অভিযোগে দেশজুড়ে তোলপাড়। এই আবহে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া দিলেন চম্পত রাই ৷

AYODHYA RAM MANDIR TEMPLE
রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই (ফাইল ছবি- এএনআই)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : July 7, 2026 at 9:45 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

অযোধ্যা, 7 জুলাই: রামমন্দিরের প্রণামী চুরির ঘটনায় চম্পত রাইয়ের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে শ্রী রামজন্মভূমি ট্রাস্ট। কোটি কোটি টাকার এই আর্থিক কেলেঙ্কারির জেরে বিতর্কের মুখে পড়ে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক (General Secretary) পদ থেকে আগেই ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণের পরের দিনই মুখ খুললেন চম্পত রাই ৷ রাম মন্দিরে অনুদান বিতর্কে তিনি জানিয়ে দিলেন, 'আমার জীবন একটি খোলা বই'।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, "রামমন্দির থেকে তথাকথিত অনুদান চুরি সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিক। তার পরেই আমার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের জবাব দেব।" বিতর্ক শুরু হওয়ার পর এই তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া ৷ দেশজুড়ে রাজনৈতিক এই শোরগোলের মাঝে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করা হয়েছে। সোমবার রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্রের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয় এবং কৃষ্ণ মোহনকে ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

রামভক্তদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে রাই লিখেছেন, "গত 7 জুন থেকে মন্দিরের দানবাক্স থেকে প্রণামী গণনার সময় তথাকথিত চুরির ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা এবং গুজব চলেছে ৷ অনেক মানুষ ব্যক্তিগত কারণে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন ৷ আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে, এসআইটি তার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর, প্রচারিত প্রতিটি অভিযোগের আমি ক্রমানুসারে জবাব দেব এবং সত্য সামনে আসবে।"

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) আন্তর্জাতিক সহ-সভাপতি রাই বলেন, "1991 সালে সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাকে অযোধ্যায় পাঠানো হয়েছিল। গত 45 বছর ধরে একজন প্রচারক হিসেবে আমি যেখানেই গিয়েছি, আমার জীবন একটি খোলা বইয়ের মতো।"

উল্লেখ্য়,তবে নতুন সাধারণ সম্পাদকের নাম এখনই হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে না। আগামী 19-20 জুলাই দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) দ্বিবার্ষিক জাতীয় কার্যনির্বাহী বৈঠক রয়েছে। সেখানেই সাংগঠনিক রদবদল এবং এই নতুন নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।