প্রফেসর জে ফিলিপ উইমেন লিডারশিপ অ্যাওর্য়াড পেলেন মাগদর্শী চিটফান্ডের এমডি শৈলজা কিরণ
শনিবার ছিল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ম্যানেজমেন্ট স্কুলের 37তম প্রতিষ্ঠা দিবস । সেখানেই তাঁকে সম্মানিত করা হয় ।

Published : August 29, 2026 at 9:11 PM IST
বেঙ্গালুরু, 29 অগস্ট: কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য় অবদানের জন্য প্রফেসর জে ফিলিপ উইমেন লিডারশিপ অ্যাওর্য়াড পেলেন মাগদর্শী চিটফান্ডের এমডি শৈলজা কিরণ । শনিবার বেঙ্গালুরুর একটি অনুষ্ঠান তাঁকে সম্মানিত করা হয় । এই সম্মান নিজের সহকর্মী, কর্মচারী এবং পরিবারের সদস্য়দের উৎসর্গ করেছেন এমডি । তিনি মনে করেন, যে কোনও সাফল্য আসলে দলগত সংহতির উদাহরণ । বহু মানুষের পরিশ্রমের ফসল।
তিনি বলেন, " প্রফেসর জে ফিলিপের নামে পুরস্কার পাওয়া আমার কাছে খুবই গর্বের বিষয় । তিনি ছিলেন এমন এক শিক্ষক যিনি বিশ্বাস করতেন যে কোনও প্রতিষ্ঠানের উচিত এমন সব নেতৃত্বের জন্ম দেওয়া যাঁদের মধ্যে যোগ্যতার পাশাপাশি সহমর্মিতাও থাকবে। " এদিন ছিল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ম্যানেজমেন্ট স্কুলের 37তম প্রতিষ্ঠা দিবস । সেখানেই তাঁকে সম্মানিত করা হয় ।
ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলির কীভাবে পরিচালিত হওয়া উচিত তা নিয়েও বেশ কয়েকটি মন্তব্য করেন তিনি । তাঁর মতে, প্রতিটি ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানকে আধুনিক এবং প্রতি মুহূর্তে বদলে যাওয়া বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তাদের এতদিন ধরে চলতে থাকা পঠনপাঠনের প্রচলিত ধারনাকে পরিত্য়াগ করতে হবে । এআই যেভাবে দুনিয়াকে বদলে দিচ্ছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতেই হবে ।
তাঁর আশঙ্কা, কোনও প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে অতীতে তারা দারুণ সাফল্য পেয়েছে তাই পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই তাহলে পিছিয়ে পড়বে। প্রযুক্তি নিয়ে তিনি বলেন," প্রযুক্তি মানুষকে আরও শক্তিশালী করবে, তাদের বদলি হয়ে উঠবে না । তাই ছাত্রদের প্রযুক্তি শেখানোর পাশাপাশি ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের উচিত পড়ুয়াদের মানবিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা ।"
তাঁর বয়স তখনও 30-এর থেকেও কম । সে সময় তাঁর সংস্থার 12টি শাখা ছিল । বছরে লেনদেন হত একশো কোটি টাকার কাছাকাছি । সেই স্মৃতি মনে করিয়ে তিনি বলেন, একজন প্রকৃত ব্য়বসায়ী অপার সম্ভাবনা দেখতে পান, অন্যরা শুধু সীমাবদ্ধতার খোঁজ পেয়ে থাকেন । বক্তব্যের এই অংশে তিনি আরও বলেন, ""ব্যবস্থাপনা বা ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত পড়ুয়াদের নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন, উদ্ভাবনী চিন্তায় সক্ষম, যে কোনও সমস্যা সমাধানের যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামিদিনের নেতৃত্বে দেবেন । তাঁদের মনন গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপরই বর্তায় ।"

