ETV Bharat / bharat

SIR প্রক্রিয়ায় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণীয়, সঙ্গে লাগবে আরও একটি নথি; নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

এসআইআর প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের উল্লিখিত নথিগুলির মধ্যে একটি জন্মের শংসাপত্র ৷ কিন্তু এই নথি না-থাকায় সমস্যায় পড়েছেন বহু ভোটার ৷ সমাধান সুপ্রিম কোর্টের ৷

SIR in West Bengal
সুপ্রিম কোর্টে SIR প্রক্রিয়ার মামলা (ফাইল ছবি)
author img

By PTI

Published : February 25, 2026 at 1:24 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

নয়াদিল্লি, 25 ফেব্রুয়ারি: জন্মের শংসাপত্র না-থাকলে মাধ্যমিকের অ্য়াডমিট কার্ড ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় পরিচয়পত্র হিসাবে জমা দিতে পারবেন ভোটাররা ৷ কিন্তু তার সঙ্গে পরীক্ষায় পাশের শংসাপত্রও জমা দিতে হবে ভোটারকে ৷ বুধবার সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে ৷

অনেক ভোটারের কাছে জন্মের শংসাপত্র নেই ৷ তাই নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন তাঁরা ৷ এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রথম দিকে জন্মের শংসাপত্রের পরিবর্তে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট গ্রহণীয় বলে জানা গিয়েছিল ৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড প্রামাণ্য নথি নয় বলে জানিয়ে দেয় ৷

এদিন প্রবীণ আইনজীবী ডিএস নাইডু বিষয়টি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য় বাগচি এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে উত্থাপন করেন ৷ আদালতে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, অ্যাডমিট কার্ডই কি শুধু একজনের পরিচয়পত্র হিসাবে গ্রহণ করা যায় ? তখন বেঞ্চ জানায়, ইতিমধ্যে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে ৷ শুধু অ্যাডমিট কার্ড কারও পরিচয়ের প্রধান প্রামাণিক নথি নয় ৷

বেঞ্চ বলেছে, "24 ফেব্রুয়ারি অর্ডারের তিন নম্বর অনুচ্ছেদে (iii) সি-তে বিষয়টি পরিষ্কার করে বলা হয়েছে ৷ জন্মের প্রমাণ ও বাবা-মায়ের পরিচয়ের প্রয়োজনে দশম শ্রেণির পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যাবে ৷ সঙ্গে পাশের শংসাপত্রও দিতে হবে ৷" আদালত আরও জানায়, 15 ফেব্রুয়ারির আগে জমা পড়া যে সব নথি এখনও আপলোড করা হয়নি, সেগুলি ইআরও, এইআরও আগামিকাল বিকেল 5টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের হাতে তুলে দেবেন ৷"

গতকালই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজে রাজ্যের বিচারকদের পাশাপাশি প্রয়োজনে প্রতিবেশী ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারকদের আনা যায় ৷ এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত নেবেন ৷