কৃত্রিম ফুলের মালা বানিয়ে কর্মসংস্থানের দিশা দেখাচ্ছেন চুঁচুড়ার শঙ্করী - ARTIFICIAL FLOWER GARLANDS
🎬 Watch Now: Feature Video

Published : September 14, 2025 at 8:21 PM IST
বিশ্বকর্মা পুজো থেকে দুর্গা, কালী থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো ৷ কৃত্রিম ফুলের মালা তৈরি করে মহিলাদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখাচ্ছেন চুঁচুড়া শঙ্করী হালদার। সংসার সামলে পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ব্যবসা করে চলেছেন তিনি। বাইক চালিয়ে কারিগরদের কাঁচামাল পৌঁছনো থেকে মার্কেট সামলানো, সবটাই একা করে চলেছেন তিনি।
শুধু হুগলি নয় অন্য জেলাতেও পৌঁছছে তাঁর তৈরি মালা। এই কুটির শিল্পে প্রায় একশো জন বাড়ির মহিলাদের যুক্ত করেছেন তিনি। পুজোর মরশুমে কয়েক লক্ষ টাকার ব্যবসা করেন শঙ্করী। তাঁর এই কারখানায় কাপড়ের গোলাপ, পদ্ম, জবা-সহ বিভিন্ন ধরনের ফুল ও মালা তৈরি হয়। এছাড়াও ঘর সাজানোর বিভিন্ন রকমের জিনিস তৈরি করা হয়। পরিবার সামলে এভাবেই একা হাতে ব্যবসা সামলাচ্ছেন মহিলা ব্যবসায়ী।
শঙ্করীর স্বামী দিনমজুর। 2007 সালে স্বামীর শারীরিক অসুস্থতা ও আর্থিক অনটন তাঁকে এই কাজ করতে বাধ্য করেছিল।আগে অন্য জায়গা থেকে কাজ এনে কৃত্রিম ফুলের মালা তৈরি করতেন। নিজের উদ্যোগেই কলকাতার বড়বাজার থেকে কাঁচামাল এনে ব্যবসা শুরু করেন লড়াকু শঙ্করীর। 18 বছর ধরে কঠর পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি ৷ প্রথমে 300 টাকা দিয়ে বিভিন্ন রকমের কাপড়ের ফুলের পাপড়ি-সহ মালা তৈরি সরঞ্জাম কিনে আনেন। সেখান থেকেই তাঁর ব্যবসা শুরু।
বর্তমানে একাধিক পাইকারি বাজারে কৃত্রিম ফুল ও মালা সাপ্লাই দেন। বিশেষ করে বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে কৃত্রিম মালা ও ফুলের চেন বিশাল চাহিদা থাকে বাজারে। সেই কথা মাথায় রাখার পাশাপাশি, সারা বছরই এই উলের মালা ব্যবসা চালিয়ে যান ৷ বিশ্বকর্মা পুজো থেকে দুর্গা, লক্ষ্মী, কালী ও জগদ্ধাত্রী-সহ একাধিক পুজোর মালার সাপ্লাই দেন তিনি। তাঁর সঙ্গে চুঁচুড়া-সহ অন্যান্য জেলার মহিলারাও এই ফুলের মালা তৈরি করেন। আর এই মালা তৈরি করে অনেকটাই সাবলম্বী হচ্ছে গৃহবধূরা।
আর্টিফিশিয়াল ফুল ও মালা তৈরির সংস্থার মালিক শঙ্করী হালদার বলেন, "প্রথম বছর আমি এই মালা তৈরি করে দু'টি দোকানে সাপ্লাই দিই । ধীরে ধীরে হুগলি জেলা-সহ অন্যান্য জায়গাতেও পাইকারি মাল বিক্রি করি। আমি ব্যবসা করে স্বনির্ভর হয়েছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি কাউকে সাহায্য করতে পারি না। কিন্তু আমার এখানে অন্যান্য মহিলারা সংসার চালাক এটাই আমি চাই। আপাতত 80 জন কারিগর কাজ করেন।"
জ্যোৎস্না কুণ্ডু নামের এক কারিগর বলেন, "কৃত্রিম ফুলের মালা তৈরি করছি 10 বছর ধরে। বাড়ির কাজ সামলে প্রতিমাসে সমানভাবে রোজগার হয় না। মাসে 2 থেকে 3 হাজার টাকা মজুরি পাই। সারাবছর কাপড়ের ফুলের মালা তৈরি করি।বিশ্বকর্মা পুজো থেকে আমাদের কাজের চাপ বাড়ে।"
চন্দননগর ফটক গোড়া (বিখ্যাত পুজো কমিটি) জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি 8 বছর ধরে 18 ফুটের মালা তৈরি করান। সেই কমিটির এক সদস্য সুজয় শেঠ বলেন, "দুর্গাপুজো ও জগদ্ধাত্রীর মালা বানানো হয় শঙ্করী হালদারের থেকে। ওনার তৈরি মালা অনেকেই প্রশংসা করেন। বহু জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি ওনাকে কৃত্রিম ফুলের মালার অর্ডার দেন ওনার কাছে। শঙ্করী যেভাবে মহিলা হয়ে ব্যবসা করছেন এটা সত্যি বড় ব্যাপার। মালা ছাড়াও বিভিন্ন রকমের ঘর সাজানোর ডেকোরেশনের জিনিসও পাওয়া যায় এখানে ৷"
বিশ্বকর্মা পুজো থেকে দুর্গা, কালী থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো ৷ কৃত্রিম ফুলের মালা তৈরি করে মহিলাদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখাচ্ছেন চুঁচুড়া শঙ্করী হালদার। সংসার সামলে পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ব্যবসা করে চলেছেন তিনি। বাইক চালিয়ে কারিগরদের কাঁচামাল পৌঁছনো থেকে মার্কেট সামলানো, সবটাই একা করে চলেছেন তিনি।
শুধু হুগলি নয় অন্য জেলাতেও পৌঁছছে তাঁর তৈরি মালা। এই কুটির শিল্পে প্রায় একশো জন বাড়ির মহিলাদের যুক্ত করেছেন তিনি। পুজোর মরশুমে কয়েক লক্ষ টাকার ব্যবসা করেন শঙ্করী। তাঁর এই কারখানায় কাপড়ের গোলাপ, পদ্ম, জবা-সহ বিভিন্ন ধরনের ফুল ও মালা তৈরি হয়। এছাড়াও ঘর সাজানোর বিভিন্ন রকমের জিনিস তৈরি করা হয়। পরিবার সামলে এভাবেই একা হাতে ব্যবসা সামলাচ্ছেন মহিলা ব্যবসায়ী।
শঙ্করীর স্বামী দিনমজুর। 2007 সালে স্বামীর শারীরিক অসুস্থতা ও আর্থিক অনটন তাঁকে এই কাজ করতে বাধ্য করেছিল।আগে অন্য জায়গা থেকে কাজ এনে কৃত্রিম ফুলের মালা তৈরি করতেন। নিজের উদ্যোগেই কলকাতার বড়বাজার থেকে কাঁচামাল এনে ব্যবসা শুরু করেন লড়াকু শঙ্করীর। 18 বছর ধরে কঠর পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি ৷ প্রথমে 300 টাকা দিয়ে বিভিন্ন রকমের কাপড়ের ফুলের পাপড়ি-সহ মালা তৈরি সরঞ্জাম কিনে আনেন। সেখান থেকেই তাঁর ব্যবসা শুরু।
বর্তমানে একাধিক পাইকারি বাজারে কৃত্রিম ফুল ও মালা সাপ্লাই দেন। বিশেষ করে বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে কৃত্রিম মালা ও ফুলের চেন বিশাল চাহিদা থাকে বাজারে। সেই কথা মাথায় রাখার পাশাপাশি, সারা বছরই এই উলের মালা ব্যবসা চালিয়ে যান ৷ বিশ্বকর্মা পুজো থেকে দুর্গা, লক্ষ্মী, কালী ও জগদ্ধাত্রী-সহ একাধিক পুজোর মালার সাপ্লাই দেন তিনি। তাঁর সঙ্গে চুঁচুড়া-সহ অন্যান্য জেলার মহিলারাও এই ফুলের মালা তৈরি করেন। আর এই মালা তৈরি করে অনেকটাই সাবলম্বী হচ্ছে গৃহবধূরা।
আর্টিফিশিয়াল ফুল ও মালা তৈরির সংস্থার মালিক শঙ্করী হালদার বলেন, "প্রথম বছর আমি এই মালা তৈরি করে দু'টি দোকানে সাপ্লাই দিই । ধীরে ধীরে হুগলি জেলা-সহ অন্যান্য জায়গাতেও পাইকারি মাল বিক্রি করি। আমি ব্যবসা করে স্বনির্ভর হয়েছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি কাউকে সাহায্য করতে পারি না। কিন্তু আমার এখানে অন্যান্য মহিলারা সংসার চালাক এটাই আমি চাই। আপাতত 80 জন কারিগর কাজ করেন।"
জ্যোৎস্না কুণ্ডু নামের এক কারিগর বলেন, "কৃত্রিম ফুলের মালা তৈরি করছি 10 বছর ধরে। বাড়ির কাজ সামলে প্রতিমাসে সমানভাবে রোজগার হয় না। মাসে 2 থেকে 3 হাজার টাকা মজুরি পাই। সারাবছর কাপড়ের ফুলের মালা তৈরি করি।বিশ্বকর্মা পুজো থেকে আমাদের কাজের চাপ বাড়ে।"
চন্দননগর ফটক গোড়া (বিখ্যাত পুজো কমিটি) জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি 8 বছর ধরে 18 ফুটের মালা তৈরি করান। সেই কমিটির এক সদস্য সুজয় শেঠ বলেন, "দুর্গাপুজো ও জগদ্ধাত্রীর মালা বানানো হয় শঙ্করী হালদারের থেকে। ওনার তৈরি মালা অনেকেই প্রশংসা করেন। বহু জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি ওনাকে কৃত্রিম ফুলের মালার অর্ডার দেন ওনার কাছে। শঙ্করী যেভাবে মহিলা হয়ে ব্যবসা করছেন এটা সত্যি বড় ব্যাপার। মালা ছাড়াও বিভিন্ন রকমের ঘর সাজানোর ডেকোরেশনের জিনিসও পাওয়া যায় এখানে ৷"

