ঠাকুরপুকুর এসবি পার্কে দেবীর হাত ধরে ফিরুন 'শৈশবে' - Durga Puja 2024 - DURGA PUJA 2024

🎬 Watch Now: Feature Video

thumbnail
এসবি পার্ক এবার দেখাবে দুর্গার 'শৈশবকাল' (ইটিভি ভারত)

By ETV Bharat Bangla Team

Published : September 30, 2024 at 8:41 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

54 বছরে ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক সর্বজনীনের থিম 'আমাদের দুগ্গা মা'। মণ্ডপজুড়ে ছেলেবেলার আঁকিবুঁকি। এক লহমায় দর্শনার্থী পৌঁছে যাবেন নিজের ছেলেবেলায়। কিংবা খুঁজে পাবেন সন্তানের শৈশব। কেননা মণ্ডপের দেওয়ালজুড়ে প্যাস্টেল কালারে শিশুবেলার কচি হাতের আঁকিবুঁকি চারিদিকে। যেগুলি এঁকেছেন প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরাই। মাতৃপ্রতিমাও সেই প্যাস্টেল কালারের ছোঁয়াতেই উজ্জ্বল। থিম ভাবনা ও প্রতিমা গড়বেন পূর্ণেন্দু দে, আলো দেবব্রত মাইতি, আবহে মানব বন্দ্যোপাধ্যায়। 

কেন এই থিম? এ প্রসঙ্গে উদ্যোক্তা সঞ্জয় মজুমদার বলেন, "বাচ্চাদের নিয়ে এখন প্রধান সমস্যা হল তারা অতিমাত্রায় ফোন দেখে। আমরা বাবা, মায়েরাই ফোন ধরিয়ে দিই তারা খেতে না-চাইলে। এতে পড়াশোনারও ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের শিল্পী ভেবেছিলেন বাচ্চাদের এত মোবাইলের প্রতি নেশাতে তাদের কল্পনাশক্তি আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট হচ্ছে। বিজ্ঞানেও তার প্রভাব পড়ছে। ইউরোপিয় দেশগুলির দিকে তাকালে দেখব, সম্প্রতি সেখানে বয়স অনুযায়ী স্ক্রিনিং টাইম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।" 

তিনি আরও বলেন, "কী অদ্ভুত! ছোটবেলায় আমরা মা, ঠাকুমার কাছে গল্প শুনে খেতাম, ঘুমোতাম। আজকের বাচ্চারা সেই সব কিছুই পায় না। আমরা এবারের পুজোতে এই ভাবনা মাথায় রেখেই কাজ করছি, যা বাচ্চা এবং অভিভাবক-- উভয়েরই ভালো লাগবে বলে আশা করছি।" মণ্ডপসজ্জা নিয়ে তিনি বলেন, "সামনের দিকটা সাদা কালো আর ভিতরটা রঙিন। স্কুল ভ্যান, পশু, পাখি, মাছ, ব্যাঙ সব পাবে বাচ্চারা। টিন, পেপার, কয়েক লক্ষ প্যাস্টেল কালার ব্যবহার করা হয়েছে। ছোটদের নড়বড়ে হাতের আঁকা আঁকছেন দক্ষ শিল্পীরা। যেটা ভীষণ কঠিন কাজ। এবারের পুজোর টাইটেল ট্র‍্যাক গাইছে 8-10 বছরের বাচ্চারা। তৃতীয়া অর্থাৎ আগামী রবিবার সন্ধে 7টায় এবারের পুজোর উদ্বোধন। অনাথ আশ্রমের বাচ্চারা করবে পুজোর উদ্বোধন।"

54 বছরে ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক সর্বজনীনের থিম 'আমাদের দুগ্গা মা'। মণ্ডপজুড়ে ছেলেবেলার আঁকিবুঁকি। এক লহমায় দর্শনার্থী পৌঁছে যাবেন নিজের ছেলেবেলায়। কিংবা খুঁজে পাবেন সন্তানের শৈশব। কেননা মণ্ডপের দেওয়ালজুড়ে প্যাস্টেল কালারে শিশুবেলার কচি হাতের আঁকিবুঁকি চারিদিকে। যেগুলি এঁকেছেন প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরাই। মাতৃপ্রতিমাও সেই প্যাস্টেল কালারের ছোঁয়াতেই উজ্জ্বল। থিম ভাবনা ও প্রতিমা গড়বেন পূর্ণেন্দু দে, আলো দেবব্রত মাইতি, আবহে মানব বন্দ্যোপাধ্যায়। 

কেন এই থিম? এ প্রসঙ্গে উদ্যোক্তা সঞ্জয় মজুমদার বলেন, "বাচ্চাদের নিয়ে এখন প্রধান সমস্যা হল তারা অতিমাত্রায় ফোন দেখে। আমরা বাবা, মায়েরাই ফোন ধরিয়ে দিই তারা খেতে না-চাইলে। এতে পড়াশোনারও ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের শিল্পী ভেবেছিলেন বাচ্চাদের এত মোবাইলের প্রতি নেশাতে তাদের কল্পনাশক্তি আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট হচ্ছে। বিজ্ঞানেও তার প্রভাব পড়ছে। ইউরোপিয় দেশগুলির দিকে তাকালে দেখব, সম্প্রতি সেখানে বয়স অনুযায়ী স্ক্রিনিং টাইম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।" 

তিনি আরও বলেন, "কী অদ্ভুত! ছোটবেলায় আমরা মা, ঠাকুমার কাছে গল্প শুনে খেতাম, ঘুমোতাম। আজকের বাচ্চারা সেই সব কিছুই পায় না। আমরা এবারের পুজোতে এই ভাবনা মাথায় রেখেই কাজ করছি, যা বাচ্চা এবং অভিভাবক-- উভয়েরই ভালো লাগবে বলে আশা করছি।" মণ্ডপসজ্জা নিয়ে তিনি বলেন, "সামনের দিকটা সাদা কালো আর ভিতরটা রঙিন। স্কুল ভ্যান, পশু, পাখি, মাছ, ব্যাঙ সব পাবে বাচ্চারা। টিন, পেপার, কয়েক লক্ষ প্যাস্টেল কালার ব্যবহার করা হয়েছে। ছোটদের নড়বড়ে হাতের আঁকা আঁকছেন দক্ষ শিল্পীরা। যেটা ভীষণ কঠিন কাজ। এবারের পুজোর টাইটেল ট্র‍্যাক গাইছে 8-10 বছরের বাচ্চারা। তৃতীয়া অর্থাৎ আগামী রবিবার সন্ধে 7টায় এবারের পুজোর উদ্বোধন। অনাথ আশ্রমের বাচ্চারা করবে পুজোর উদ্বোধন।"

ABOUT THE AUTHOR

...view details