হাঁটু সমান জল, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুল যাচ্ছে কচি-কাঁচারা - WATERLOGGING PROBLEM - WATERLOGGING PROBLEM
🎬 Watch Now: Feature Video

Published : August 26, 2024 at 8:29 PM IST
South 24 Parganas Waterlogging: নিম্নচাপের প্রভাবে জেরে টানা বৃষ্টি দক্ষিণ 24 পরগনা জেলাজুড়ে। জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই জেলার একাধিক উপকূল তীরবর্তী এলাকায়। স্কুলের সামনেই এক হাঁটু করে জল। সেই এক হাঁটু জল পেরিয়ে যেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। কুলপি বিধানসভার মেনাপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা 200 থেকে 250 জন ৷ মাঠ নাকি পুকুর বোঝার উপায় নেই। ছবিটা দক্ষিণ 24 পরগনার কুলপি বিধানসভার রামকৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেনাপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়। বৃষ্টি হলেই স্কুলের সামনের মাঠে জমে যায় এক হাঁটু সমান জল ৷ কখনও বাবা, মায়ের কোলে চেপে আবার কখনও নিজেরাই বিপদের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে হয় কচিকাঁচাদের।
প্রতিদিনই এইভাবেই জমা জল পেরিয়ে আসতে হয়। এই জমা জলে বিষাক্ত সাপ ঘুরে বেড়ায়। অভিভাবকরা বারেবারে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি। যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা ৷ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিধায়ককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, এমন কোনও স্কিম নেই যেখানে মাটি ফেলা যায় ফলে তাদেরও হাত পা-বাঁধা বলে দায় এড়ান বিধায়ক, বলে অভিযোগ । তবে প্রশ্ন উঠছে এভাবে আর কতদিন প্রাণ ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হবে স্কুলে ওই কচি-কাঁচাদের?
South 24 Parganas Waterlogging: নিম্নচাপের প্রভাবে জেরে টানা বৃষ্টি দক্ষিণ 24 পরগনা জেলাজুড়ে। জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই জেলার একাধিক উপকূল তীরবর্তী এলাকায়। স্কুলের সামনেই এক হাঁটু করে জল। সেই এক হাঁটু জল পেরিয়ে যেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। কুলপি বিধানসভার মেনাপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা 200 থেকে 250 জন ৷ মাঠ নাকি পুকুর বোঝার উপায় নেই। ছবিটা দক্ষিণ 24 পরগনার কুলপি বিধানসভার রামকৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেনাপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়। বৃষ্টি হলেই স্কুলের সামনের মাঠে জমে যায় এক হাঁটু সমান জল ৷ কখনও বাবা, মায়ের কোলে চেপে আবার কখনও নিজেরাই বিপদের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে হয় কচিকাঁচাদের।
প্রতিদিনই এইভাবেই জমা জল পেরিয়ে আসতে হয়। এই জমা জলে বিষাক্ত সাপ ঘুরে বেড়ায়। অভিভাবকরা বারেবারে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি। যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা ৷ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিধায়ককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, এমন কোনও স্কিম নেই যেখানে মাটি ফেলা যায় ফলে তাদেরও হাত পা-বাঁধা বলে দায় এড়ান বিধায়ক, বলে অভিযোগ । তবে প্রশ্ন উঠছে এভাবে আর কতদিন প্রাণ ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হবে স্কুলে ওই কচি-কাঁচাদের?

