15 রকমের বাঁশ দিয়ে এবার হাজরা পার্কের থিম 'শুদ্ধি' - Durga Puja 2024 - DURGA PUJA 2024

🎬 Watch Now: Feature Video

thumbnail
82তম বর্ষে হাজরা পার্কের থিম 'শুদ্ধি' (ইটিভি ভারত)

By ETV Bharat Bangla Team

Published : October 2, 2024 at 7:52 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির এবারের থিম 'শুদ্ধি'। 82তম বর্ষে হাজরা পার্কের অঙ্গীকার সামাজিক ন্যায়বিচার, সমাজের শুদ্ধিকরণ। পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় থিম নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, "82তম বর্ষে পা দিলাম আমরা। অনেক ইতিহাস আছে আমাদের পুজো নিয়ে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখেই এই বছরের থিম 'শুদ্ধি'। আমাদের সমাজে এই থিম আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক। থিম শিল্পী বিমান সাহা। প্রতিমা শিল্পী বিমল পাল।"

তিনি আরও বলেন, "পুজোর ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, দলিত এবং হরিজন সমাজের মানুষদের একসময় পুজোয় প্রবেশাধিকার ছিল না। কিন্তু পুজো হয়ে গেলে আশেপাশের সব নোংরা তাঁরা ফেলতেন। আর মাকে প্যান্ডেলের বাইরে থেকে প্রণাম করতেন। সমাজকে পরিবর্তন করে সবার জন্য দুর্গাপুজো এখানে স্থাপন করেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, চিত্তরঞ্জন দাশ। এই যে শুদ্ধিকরণ সেটাই আরও একবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছি আমরা। নানা জায়গা থেকে আসা অনেক রকমের বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ।" 

সায়নদেব চট্টোপাধ্যায়ের আরও সংযোজন, "আমরা বলতে চাইছি এত রকমের বাঁশ যদি একত্রিত হয়ে একটা সৃষ্টি করতে পারে তা হলে সমাজের সব মানুষ একসঙ্গে থাকলে একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করলে তো সমাজটা সুন্দর হয়ে উঠবে। এবার আমাদের মণ্ডপের বাইরে বিশাল দুর্গার প্রতীকি মুখ থাকবে। কারণ দলিতরা আগে বাইরে থেকে দেখতেন মাকে। সেটাই আমরা এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে চলেছি। আছে আরও অনেক চমক।"

শিল্পী বিমান সাহা বলেন, "এই পুজোর ইতিহাসটাকেই এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। শুরুতে হরিজন সমাজকে ঢুকতে দেওয়া হত না পুজোতে। অথচ তাঁদের ছাড়া ভাবাই যায় না পুজো। পুজো মিটে গেলে শহরটাকে ঝাঁ চকচকে করে তোলেন তাঁরাই। কিন্তু তাঁরাই পুজো প্যান্ডেলে ঢুকতে পারতেন না। দূর থেকে দেখতেন মাকে। সবমিলিয়ে 15  রকমের বাঁশ রয়েছে। অসম, উত্তরবঙ্গ-সহ আরও নানা জায়গা থেকে এসেছে বাঁশ। দেখতে একই কিন্তু সেগুলির জাত আলাদা। সব জাত মিলেমিশে কীভাবে একটা ভালো কাজ হতে পারে সেটাই দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে এখানে।"

হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির এবারের থিম 'শুদ্ধি'। 82তম বর্ষে হাজরা পার্কের অঙ্গীকার সামাজিক ন্যায়বিচার, সমাজের শুদ্ধিকরণ। পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় থিম নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, "82তম বর্ষে পা দিলাম আমরা। অনেক ইতিহাস আছে আমাদের পুজো নিয়ে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখেই এই বছরের থিম 'শুদ্ধি'। আমাদের সমাজে এই থিম আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক। থিম শিল্পী বিমান সাহা। প্রতিমা শিল্পী বিমল পাল।"

তিনি আরও বলেন, "পুজোর ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, দলিত এবং হরিজন সমাজের মানুষদের একসময় পুজোয় প্রবেশাধিকার ছিল না। কিন্তু পুজো হয়ে গেলে আশেপাশের সব নোংরা তাঁরা ফেলতেন। আর মাকে প্যান্ডেলের বাইরে থেকে প্রণাম করতেন। সমাজকে পরিবর্তন করে সবার জন্য দুর্গাপুজো এখানে স্থাপন করেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, চিত্তরঞ্জন দাশ। এই যে শুদ্ধিকরণ সেটাই আরও একবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছি আমরা। নানা জায়গা থেকে আসা অনেক রকমের বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ।" 

সায়নদেব চট্টোপাধ্যায়ের আরও সংযোজন, "আমরা বলতে চাইছি এত রকমের বাঁশ যদি একত্রিত হয়ে একটা সৃষ্টি করতে পারে তা হলে সমাজের সব মানুষ একসঙ্গে থাকলে একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করলে তো সমাজটা সুন্দর হয়ে উঠবে। এবার আমাদের মণ্ডপের বাইরে বিশাল দুর্গার প্রতীকি মুখ থাকবে। কারণ দলিতরা আগে বাইরে থেকে দেখতেন মাকে। সেটাই আমরা এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে চলেছি। আছে আরও অনেক চমক।"

শিল্পী বিমান সাহা বলেন, "এই পুজোর ইতিহাসটাকেই এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। শুরুতে হরিজন সমাজকে ঢুকতে দেওয়া হত না পুজোতে। অথচ তাঁদের ছাড়া ভাবাই যায় না পুজো। পুজো মিটে গেলে শহরটাকে ঝাঁ চকচকে করে তোলেন তাঁরাই। কিন্তু তাঁরাই পুজো প্যান্ডেলে ঢুকতে পারতেন না। দূর থেকে দেখতেন মাকে। সবমিলিয়ে 15  রকমের বাঁশ রয়েছে। অসম, উত্তরবঙ্গ-সহ আরও নানা জায়গা থেকে এসেছে বাঁশ। দেখতে একই কিন্তু সেগুলির জাত আলাদা। সব জাত মিলেমিশে কীভাবে একটা ভালো কাজ হতে পারে সেটাই দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে এখানে।"

ABOUT THE AUTHOR

...view details