281 বছরের বাড়ির পুজোয় প্রথা 4 দিন বলি, 131 কিলো চালের নৈবেদ্যর - DURGA PUJA 2025

🎬 Watch Now: Feature Video

thumbnail
বনেদিয়ানার পরিচয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম বহন করে চলেছে দেব সরকার পরিবার (ইটিভি ভারত)

By ETV Bharat Bangla Team

Published : September 14, 2025 at 6:02 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

আকাশে শরতের মেঘ জানান দিচ্ছে, উমা আসছে বাপেরবাড়িতে। আর কিছুদিনের অপেক্ষা, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো দোরগোড়ায়। বাংলার একাধিক জায়গায় রয়েছে জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজো ৷ আর জমিদার পুজো মানে ঐতিহাসিক কাহিনি। জমিদার বাড়ির আনাচে কানাচে এখনও কান পাতলে শোনা যায় অতীতের ইতিহাসের গল্প। দেবী দুর্গার আরাধনায় ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে সেই বনেদিয়ানার পরিচয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম বহন করে চলেছে দক্ষিণ 24 পরগনার ফলতার দেব সরকার পরিবার। 

281 বছর ধরে ফলতার মালা গ্রামে দেব সরকার বাড়িতে পূজিত হয়ে আসছে উমা। কথিত রয়েছে, আনুমানিক প্রায় 350 আগে পলাশির যুদ্ধের আগে থেকে এই দেব সরকার বংশের উত্থান ঘটে ও পুজোও শুরু হয়। বিহারীলাল দেব ব্যবসায়িক সূত্রে ফলতার মালা গ্রামে আসেন। তিনি ছিলেন কলকাতার সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়িক পরিবারের সদস্য। তাঁর রাজপ্রাসাদের মতো বড় বাড়ি ছিল ৷ বাড়িটির সামনের অংশ উন্মুক্ত ও জলাশয়দ্বারা বেষ্টিত। এই কারণে শত্রুপক্ষ এই বাড়িতে সহজে আক্রমণ করতে পারতেন না ৷ 

পরবর্তীতে তাঁদের ব্যবসা এবং জমিদারি বৃদ্ধির পর বিহারীলাল দেবের পুত্র কালীকৃষ্ণ দেব 1152 বঙ্গাব্দে প্রথম এই অঞ্চলে দুর্গাপুজোর প্রচলন করেন। দেব সরকার বাড়ির দুর্গাপুজোয় রয়েছে বিশেষত্ব ৷ এখানে প্রতিমা একচালাতেই। একটি সুপ্রাচীন বেলগাছে দেবীর বোধন হয়। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত 131 কিলো চালের নৈবেদ্য হয় এবং চারদিন বলি প্রথার প্রচলন রয়েছে। দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে দেবসরকার বংশের সমস্ত পরিবার-পরিজন দেশ-বিদেশ থেকে মালা গ্রামে আসেন। মৃৎশিল্পী শ্রীকান্ত চিত্রকর বংশপরম্পরায় এখানে মূর্তি নির্মাণ করে আসছেন । 

এবিষয়ে পরিবারের সদস্য তাপস দেব সরকার বলেন, "অতীতের জৌলুস আর আগের মতো নেই। জমিদারি প্রথা উঠে গিয়েছে। এখনও বলিদান প্রথা রয়েছে ৷ বর্তমান প্রজন্মের সদস্যরা এই পুজোর হাল ধরেছে। নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকেন পরিবারের সদস্যরা। একসময় 15দিন ব্যাপী যাত্রাপালা ও কবিগান হত ৷ মহিলাদের মনোরঞ্জনের আলাদা ব্যবস্থা থাকত ভিতর মহলে। একসময় ইংরেজ সাহেবরা নিমন্ত্রিত থাকতেন এই দুর্গোৎসবে। চারণকবি মুকুন্দ দাস একসময় পালাগান করেছিলেন এই দেব সরকার বাড়িতে। "

পরিবারের অন্য সদস্য সজল দেব সরকারের কথায়, "পুজোর চারটে দিন তাঁরা চূড়ান্ত ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কাটান ৷ নৈবেদ্য থেকে শুরু করে পুজোর অন্যান্য কাজে পুরুষদের পাশাপাশি পরিবারের মহিলা সদস্যরা হাত লাগান। পুজোর চারটে দিন বাড়ির পুজোতেই মেতে থাকেন তাঁরা ৷"

আকাশে শরতের মেঘ জানান দিচ্ছে, উমা আসছে বাপেরবাড়িতে। আর কিছুদিনের অপেক্ষা, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো দোরগোড়ায়। বাংলার একাধিক জায়গায় রয়েছে জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজো ৷ আর জমিদার পুজো মানে ঐতিহাসিক কাহিনি। জমিদার বাড়ির আনাচে কানাচে এখনও কান পাতলে শোনা যায় অতীতের ইতিহাসের গল্প। দেবী দুর্গার আরাধনায় ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে সেই বনেদিয়ানার পরিচয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম বহন করে চলেছে দক্ষিণ 24 পরগনার ফলতার দেব সরকার পরিবার। 

281 বছর ধরে ফলতার মালা গ্রামে দেব সরকার বাড়িতে পূজিত হয়ে আসছে উমা। কথিত রয়েছে, আনুমানিক প্রায় 350 আগে পলাশির যুদ্ধের আগে থেকে এই দেব সরকার বংশের উত্থান ঘটে ও পুজোও শুরু হয়। বিহারীলাল দেব ব্যবসায়িক সূত্রে ফলতার মালা গ্রামে আসেন। তিনি ছিলেন কলকাতার সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়িক পরিবারের সদস্য। তাঁর রাজপ্রাসাদের মতো বড় বাড়ি ছিল ৷ বাড়িটির সামনের অংশ উন্মুক্ত ও জলাশয়দ্বারা বেষ্টিত। এই কারণে শত্রুপক্ষ এই বাড়িতে সহজে আক্রমণ করতে পারতেন না ৷ 

পরবর্তীতে তাঁদের ব্যবসা এবং জমিদারি বৃদ্ধির পর বিহারীলাল দেবের পুত্র কালীকৃষ্ণ দেব 1152 বঙ্গাব্দে প্রথম এই অঞ্চলে দুর্গাপুজোর প্রচলন করেন। দেব সরকার বাড়ির দুর্গাপুজোয় রয়েছে বিশেষত্ব ৷ এখানে প্রতিমা একচালাতেই। একটি সুপ্রাচীন বেলগাছে দেবীর বোধন হয়। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত 131 কিলো চালের নৈবেদ্য হয় এবং চারদিন বলি প্রথার প্রচলন রয়েছে। দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে দেবসরকার বংশের সমস্ত পরিবার-পরিজন দেশ-বিদেশ থেকে মালা গ্রামে আসেন। মৃৎশিল্পী শ্রীকান্ত চিত্রকর বংশপরম্পরায় এখানে মূর্তি নির্মাণ করে আসছেন । 

এবিষয়ে পরিবারের সদস্য তাপস দেব সরকার বলেন, "অতীতের জৌলুস আর আগের মতো নেই। জমিদারি প্রথা উঠে গিয়েছে। এখনও বলিদান প্রথা রয়েছে ৷ বর্তমান প্রজন্মের সদস্যরা এই পুজোর হাল ধরেছে। নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকেন পরিবারের সদস্যরা। একসময় 15দিন ব্যাপী যাত্রাপালা ও কবিগান হত ৷ মহিলাদের মনোরঞ্জনের আলাদা ব্যবস্থা থাকত ভিতর মহলে। একসময় ইংরেজ সাহেবরা নিমন্ত্রিত থাকতেন এই দুর্গোৎসবে। চারণকবি মুকুন্দ দাস একসময় পালাগান করেছিলেন এই দেব সরকার বাড়িতে। "

পরিবারের অন্য সদস্য সজল দেব সরকারের কথায়, "পুজোর চারটে দিন তাঁরা চূড়ান্ত ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কাটান ৷ নৈবেদ্য থেকে শুরু করে পুজোর অন্যান্য কাজে পুরুষদের পাশাপাশি পরিবারের মহিলা সদস্যরা হাত লাগান। পুজোর চারটে দিন বাড়ির পুজোতেই মেতে থাকেন তাঁরা ৷"

ABOUT THE AUTHOR

...view details