ETV Bharat / state

'ওপারের ইউনুস যাহা, এপারের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাহা', কটাক্ষ শুভেন্দুর

বৃহস্পতিবার কলকাতার রানি রাসমণি রোডে সভা করছেন সন্ন্যাসীদের সংগঠন ৷ তার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে হয়েছে তাঁদের ৷ এনিয়ে তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করেন শুভেন্দু ৷

Leader of Opposition Suvendu Adhikari
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : December 5, 2024 at 4:20 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

কলকাতা, 5 ডিসেম্বর: কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে সভা করতে হচ্ছে সাধুদের ৷ অথচ তৃণমূল কংগ্রেসের সভা করতে কোনও অনুমতি লাগে না ৷ এই বিষয়ে কটাক্ষ করে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "ওপারের ইউনুস যাহা, এপারের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাহা ৷"

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন সারা বিশ্ব ৷ আক্রান্ত হচ্ছেন হিন্দু-সহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ ৷ বৃহস্পতিবার ফের এনিয়ে মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ৷ এদিন বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "বাংলাদেশে প্রতিদিন সংখ্যালঘু হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন ৷ বনগাঁ বর্ডারে এসে মহিলারা আতঙ্কে কান্নাকাটি করছেন ৷ তাই আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে ওখানকার হিন্দুদের কর্মসূচিগুলিতে অংশগ্রহণ করা উচিত ৷"

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (ইটিভি ভারত)

তিনি আরও বলেন, "সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়, গত 29 নভেম্বর সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মাদ্রাসার শিশুদের যে রানি রাসমণিতে জড়ো করেছিল, তার জন্য তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়নি ৷ এরপর ফিরহাদ হাকিম এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলকে নিয়ে বৈঠক করেছিল, তাঁদেরও আদালতে যেতে হয়নি ৷ অথচ হিন্দু সন্ন্যাসীদের আজ আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে রানি রাসমণিতে সভা করতে হচ্ছে ৷ আসলে ওপারের ইউনুস যাহা, এপারের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাহা ৷"

বঙ্গ বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা আরও বলেন, "এটা একটা অরাজনৈতিক সভা, তাই দলীয় পতাকা ও ঝান্ডা ছাড়া সবাই যেতে পারেন ৷ আমি হিন্দু, আমি যাব ৷ আমার সঙ্গে যাঁদের যোগাযোগ আছে, তাঁদের সবাইকে অনুরোধ করেছি আজ আসার জন্য ৷ 1971 সালে পাকিস্তানকে সরাতে দেড় বছর লেগেছিল ৷ এখানেও একই সময় লাগবে ৷"

বাংলাদেশে মহিলারা যেন বাজারে না যান, সেই নিয়ে ফতোয়া জারি করা হয়েছে ৷ এই বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "যে তালিবানি সরকার সংবিধান বদলে বাংলাদেশের মানুষের ব্যক্তিগত আইনের উপর হস্তক্ষেপ করছে বলেই মনে করছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ৷