ETV Bharat / state

গ্রেফতার মালিক, ভস্মীভূত বাজি কারখানা পরিদর্শনে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা

কল্যাণীতে বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার বাজি কারখানার মালিক। বিস্ফোরণের পর পরিবার-সহ গা-ঢাকা দিয়েছিল ওই ব্যক্তি। শুক্রবারই পুলিশি তল্লাশিতে ধরা পড়ে খোকন।

KALYANI CRACKER FACTORY FIRE
গ্রেফতার বাজি কারখানার মালিক (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : February 8, 2025 at 12:49 PM IST

|

Updated : February 8, 2025 at 1:49 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

কল্যাণী, 8 ফেব্রুয়ারি: কল্যাণীর বাজি কারখানার বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে 4 জনের ৷ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে কারখানার মালিক সাধন বিশ্বাস ওরফে খোকনকে। শনিবার ঘটনাস্থলে আসছে ফরেনসিক প্রতিনিধি দল ৷

বিস্ফোরণের পর কল্যাণী থানার পুলিশ গভীর রাত পর্যন্ত বাজি কারখানায় তল্লাশি চালায়। তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ একাধিক বাজি তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। এরপর ঘটনাস্থলে আসছে ফরেনসিক প্রতিনিধি দল। মূলত কী কারণে আগুন লাগল, আগুনের গতিবেগ কতটা ছিল-সেই সমস্ত তদন্ত করবে তারা।

ভস্মীভূত বাজি কারখানার পরিদর্শনে যাচ্ছে ফরেনসিক দল (ইটিভি ভারত)
  • শুক্রবার দুপুরে নদিয়ার কল্যাণী থানার অন্তর্গত রথতলা এলাকার একটি বাজি কারখানায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট আওয়াজ শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিস্ফোরণের পর কারখানায় আগুন লেগে যায়। আগুনের অভিঘাত এতটাই ছিল যে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভস্মীভূত হয়ে যায় পুরো কারখানা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন কল্যাণী থানার পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা। দমকলের 5টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিলেও পৌঁছতে পারেনি ৷
  • যে কারখানায় আগুন লেগেছে সেখানে যাওয়ার রাস্তা ভীষণ শুরু। তার ফলে দমকলের কোনও ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারেনি। দমকল কর্মীরা বালতি করে জল নিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন ৷ সেই কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটা বেগ পেতে হয় তাঁদের। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর দেখা যায় ঘটনাস্থলেই তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কা জনক অবস্থায় আরেকজনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনিও মারা যান। এরপরেই প্রশ্ন উঠেছে কীভাবে বেআইনিভাবে ওই কারখানাগুলি চলত?

বিজেপির প্রতিক্রিয়া

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে করে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, "সরকারি লাইসেন্স নিয়ে কোনও ফাঁকা জায়গায় বাজি কারখানা হোক। তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু জনবসতি আছে এমন এলাকায় বাজি কারখানা চললে প্রাণহানির আশঙ্কা থেকে যায়। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে তার মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরেই এসপি অফিস। তা সত্ত্বেও এসপি কিছু করতে পারেননি। এর থেকেই বোঝা যায় পুলিশের কিছু করার নেই। ঘটনার সম্পূর্ণ দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পুলিশ কিছু করতে গেলেই তাঁকে বদলি করে দেবে। সেই ভয়ে পুলিশ কিছু করে না ৷"

Last Updated : February 8, 2025 at 1:49 PM IST