ETV Bharat / state

মাধ্যমিকে চতুর্থ স্থানাধিকারী, আইআইটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং করার স্বপ্ন মাতৃহারা সেলিমের

মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করেছে সেলিম ৷ এবারের মাধ্যমিকে তার প্রাপ্ত নম্বর 692 ৷ একই নম্বর পেয়ে চতুর্থ হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের সুপ্রতীক মান্নাও ৷

MADHYAMIK RESULTS 2025
মাধ্যমিকে রাজ্য চতুর্থ মহম্মদ সেলিম এবং সুপ্রতীক মান্না (ইটিভি ভারত)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : May 2, 2025 at 8:19 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

পূর্ব বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুর, 2 মে: ছোট বেলায় মা মারা গিয়েছে ৷ ফলে মামার বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা মহম্মদ সেলিমের ৷ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এ বছর 692 নম্বর পেয়ে রাজ্যে চতুর্থ হয়েছে সে ৷ পূর্ব বর্ধমান জেলার নিরোল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সেলিম ৷ ভবিষ্যতে আইআইটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চায় সে ৷

সেলিমের মতে, মনের ইচ্ছা ও পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই ৷ মাধ্যমিক পরীক্ষায় খুব ভালো ফল করতে হবে এটা মাথায় রেখেই পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করে সেলিম। তবে, ভালো ফল যে হবে সেই আশা ছিল তার ৷ তাই মেধাতালিকায় চতুর্থ হয়ে খুব খুশি ৷ সেলিম বাংলায় পেয়েছে 100, ইংরেজিতে 95, অংকে 100, ভৌত বিজ্ঞানে 100, জীবন বিজ্ঞানে 99, ইতিহাসে 98 ও ভূগোলে 100 নম্বর ৷

ভালো রেজাল্ট করতে হবে এটাই সেলিমের মাথার মধ্যে ঘুরতো ৷ সেই মতো সারাদিন একটা নির্দিষ্ট সময় করে নিয়ে আট থেকে দশ ঘণ্টা পড়াশোনা করত সেলিম ৷ বাড়িতে মামা পড়াশোনা কীভাবে করতে হবে সেই গাইড করতেন ৷ নিরোল হাইস্কুলের শিক্ষকেরা বুঝিয়ে দিতেন অন্যান্য বিষয়গুলি ৷ সেলিমের মতে, "নিজের মতো করে ভালোবেসে পড়াশোনা করতে হবে ৷ তাই নিজেই বিভিন্ন বই ঘেঁটে বাংলা, ইতিহাস, ভূগোল নোট তৈরি করে পড়াশোনা করেছি ৷ ইংরেজি ও সায়েন্স গ্রুপের জন্য চারজন শিক্ষকের কাছে পড়তে যেতাম ৷ তবে, ভালো ফল করতেই হবে এটা মাথায় রেখেই পড়াশোনা করতাম ৷ ভবিষ্যতে আমি আইআইটি-তে ভর্তি হতে চাই ৷"

পূর্ব মেদিনীপুর

এবারের মাধ্যমিকে পাশের হারে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ৷ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মধ্যে মেধাতালিকায় উঠে এসেছে নয় জনের নাম ৷ তাদের মধ্যে সেরা স্থান দখল করেছে সুপ্রতীক মান্না ৷ 692 নম্বর পেয়ে রাজ্যে চতুর্থ হয়েছে সে ৷

সুপ্রতীকের কথায়, এত বড় সাফল্যের পিছনে বাবা-মা ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবদান থাকলেও, বেশি ভরসা ছিল তার গৃহশিক্ষকের উপরে ৷ সুপ্রতীকের বাবা একজন আইনজীবী এবং মা একজন স্কুলের শিক্ষিকা ৷ শুক্রবার সকালে এত বড় সাফল্যে খবর পেয়ে আনন্দিত গোটা পরিবার ৷