মাধ্যমিকে পঞ্চম আরামবাগের দুই কৃতী ! সিঞ্চনের লক্ষ্য় ইঞ্জিনিয়ারিং, আসিফ হতে চায় চিকিৎসক
যুগ্মভাবে পঞ্চম হয়েছে সিঞ্চন নন্দী ও চৌধুরী মহম্মদ আসিফ ৷ প্রাপ্ত নম্বর 691 ৷ কীভাবে এলো সাফল্য ? উত্তর খুঁজল ইটিভি ভারত ৷

Published : May 2, 2025 at 5:34 PM IST
আরামবাগ, 2 মে: মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করল হুগলির দুই ছাত্র ৷ তাদের একজন আরামবাগের গৌরহাটি হরদাস ইনস্টিটিউশনের সিঞ্চন নন্দী। তার প্রাপ্ত নম্বর 691 নম্বর । ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় সিঞ্চন । অন্যদিকে, একই নম্বর পেয়েছে কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র চৌধুরী মহম্মদ আসিফ ৷ আগামিদিনে চিকিৎসক হতে চায় সে ৷
সিঞ্চনের বাবা পেশায় পোস্টমাস্টার। বাড়িতে বাবা-মা ছাড়াও দাদু ও ঠাকুমা রয়েছেন । সিঞ্চনের সাফল্যে প্রত্যেকেই খুশি । মা গৃহবধূ । প্রিয় বিষয় অঙ্ক ও পদার্থ বিজ্ঞান ৷ পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসে সিঞ্চন। সকালের বদলে রাত জেগে পড়াশোনা করতেই তার ভালো লাগে। মাধ্যমিকের এই সাফল্য পরিবার ও শিক্ষকদের উৎসর্গ করেছে সিঞ্চন ৷
আরামবাগের এই কৃতীর কথায়, "স্কুলে সবসময় প্রথম হয়েছি । আশা ছিল মাধ্যমিকে ব়্যাঙ্ক করব ৷ তবে এতটা ভালো হবে সেটা ভাবতে পারেনি । ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই । স্কুলের শিক্ষকরা আমাকে সব সময় সাহায্য করেছেন ৷ দিনের থেকে রাতে পড়তে আমি বেশি ভালোবাসি । নতুন যারা মাধ্যমিক দেবে তাদের বলব ভালো করে টেক্সট বইটা পড়তে হবে ।" স্বভাবতই খুশি সিঞ্চনের মা মুনমুন নন্দী ৷ তিনি বলেন, "ছেলের সাফল্যে আমরা ভীষণ আনন্দিত । এতটা আশা করিনি ৷ তবে, ভেবেছিলাম ছেলে ভালো রেজাল্ট করবে । ছেলে চায় ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতে ৷ ছেলে যেটা চাইবে সেটাই হবে।"
মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে আসিফ। তার প্রাপ্ত নম্বর 691 । আগামিদিনে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে এই কৃতী ছাত্র ৷ তার এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পরিবার ও স্কুলে । গোঘাট থানার শেওড়া পঞ্চায়েতে আমডোবা গ্রামে বাড়ি চৌধুরী মহম্মদ আসিফের । কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মিশন বহুমুখী স্কুলে হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতো আসিফ । বহুদিন মাধ্যমিকে হস্টেল থেকে ভালো ফল আসেনি । তাই এই বছর সেই লক্ষ্য় নিয়েই প্রস্তুতি নিয়েছিল আসিফ ৷ তবে যা আশা করেছিল তার থেকে অনেক বেশি ফল হয়েছে বলে জানায় আসিফ ৷ পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও তার বেশ আগ্রহ রয়েছে । সকালে এবং রাতে 4 ঘণ্টা করে পড়াশোনা করত সে ৷ বাকি সময় বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা থেকে শুরু করে শরীরচর্চার দিকে নজর দিত ।

