আলিপুরদুয়ারে প্রার্থী দিল বামেরা, আরএসপিকে আসন ছাড়ল সিপিএম
Alipurduars Lok Sabha Constituency: গত 14 তারিখ বামফ্রন্টের তরফে প্রথম দফায় 16 জনের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল ৷ এরপর রবিবার আরও একটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল তারা ৷ আলিপুরদুয়ারের প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়া হল আরএসপি-র মিলি ওরাওঁকে ৷

Published : March 17, 2024 at 6:35 PM IST
|Updated : March 17, 2024 at 7:02 PM IST
কলকাতা, 17 মার্চ: দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। সেখানে আলিপুরদুয়ার লোকসভা আসনে মিলি ওরাওঁকে প্রার্থী করা হয়েছে। যিনি একজন তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। এই প্রথমবার লোকসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন তিনি। দু'দফা মিলিয়ে 17টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হল। যাদের মধ্যে 15 জন নতুন মুখ।
রবিবার ফের বামফ্রন্টের বৈঠক বসেছিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে। সেই বৈঠকে অলিপুরদুয়ার আসন আরএসপিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের নির্বাচিত প্রার্থী মিলি ওরাওঁকে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বাকি আসনগুলোতে কবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট জানানো হয়নি। তবে খুব দ্রুত জানানো হবে বলেই আলিমুদ্দিন সূত্রে দাবি। অন্যদিকে, রবিবারই বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। কারণ, আইএসএফের তরফে বলা হয়েছিল, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করা হলে তারা নিজেদের দাবি থেকে সরে আসবেন।
যদিও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য রাজ্যসভার সাংসদ। তাঁকে কোনওভাবেই লোকসভা আসনে নামতে দেওয়া হচ্ছে না।" তবে পরবর্তী প্রার্থী তালিকা ঘোষণার বিষয়ে সেলিম বলেন, "প্রথম দফায় তিনটি আসনে ভোট। সেখানে প্রার্থী দিয়ে দিয়েছি আমরা। তাই, বাকি আসনগুলোতে প্রার্থীদের নাম সঠিক সময়ে দেওয়া হবে। বামফ্রন্টের বৈঠক ছিল আজ। সহযোগিতার সঙ্গে আমরা আছি বৈঠকে। সঠিক সময়ে দেওয়া হবে ৷
কংগ্রেস বা আইএসএফ-এর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, "বামপন্থীরা সবসময় সবকিছুতে পজিটিভ দেখে। রাজনীতি সম্ভাবনার। আমরা আশাবাদী । আমরা কোনও শর্ত দিচ্ছি না । আমরা আলোচনা করছি । নির্বাচনের দামামা গতকাল বাজিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞাপনের মোড়কে সকল দুর্নীতিকে ঢাকার চেষ্টা করা হয়েছে। আর বিজেপি এই দুর্নীতির বৈজ্ঞানিক নাম দিয়েছে ইলেক্টোরাল বন্ড।"
তিনি আরও বলেন, "সুপ্রিম কোর্ট বলেছে গণতন্ত্রকে শেষ করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ইলেক্টোরাল বন্ডকে। বোতল পিছু মদের দাম অনুযায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে টাকা যায়। বিজেপি এসে যার পোশাকি নাম দিল ইলেক্টোরাল বন্ড। এখানেই হয়েছে তৃণমূল-বিজেপির বন্ড। এই লুট দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই। আমরা ইলেক্টোরাল বন্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করছি ৷"
আরও পড়ুন:

