আজ থেকে বদলে যাচ্ছে এসপ্ল্যানেড-হাওড়া ময়দান মেট্রোর সময়সূচি - Kolkata Metro
Green Line Metro in Kolkata Revised train Timings: ফের কলকাতা মেট্রোর সূচিতে পরিবর্তন ৷ মেট্রোর গ্রিন লাইন 2 অর্থাৎ এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান মেট্রোর সূচিতে বদল ৷ ভিড় সামাল দিতেই আরও এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে পরিষেবার । দেখে নিন, নতুন সময়সূচি ৷

Published : September 12, 2024 at 9:34 AM IST
|Updated : September 12, 2024 at 10:32 AM IST
কলকাতা, 12 সেপ্টেম্বর: আজ থেকেই বদলে যাচ্ছে কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইন 2-এর সময়সূচি ৷ বুধবার এমনটাই জানানো হয়েছে কলকাতা মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে ৷ দিনের ব্যস্ত সময়ে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড রুটে যাত্রীর সংখ্যা অনেকটাই বেশি থাকছে ৷ তাই যাত্রী ভিড় সামাল দিতেই আরও এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে পরিষেবার সময়।
বুধবার পর্যন্ত গ্রিন লাইন 2-তে আগের সময়সূচি মেনেই ট্রেন চলেছে ৷ অর্থাৎ সকাল 9টা থেকে বেলা 11টা এবং বিকাল 5টা থেকে রাত 8টা পর্যন্ত পরিষেবা দেওয়ার হয়েছে ৷ এক্ষেত্রে দু'টি ট্রেনের মধ্যে 12 মিনিটের ব্যবধান ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকে পরিষেবা আরও এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে ৷ তবে দু'টি ট্রেনের মধ্যে সময়ের ব্যবধান একই থাকছে ৷
আজ থেকে সকাল 9টা থেকে দুপুর 12টা পর্যন্ত পরিষবা দেওয়ার হবে। আবার বিকাল 5টা থেকে রাত 9টা পর্যন্ত পরিষেবা পাওয়া যাবে কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইন 2-তে ৷ অর্থাৎ দিনের ব্যস্ত সময় প্রতি 12 মিনিট অন্তর পাওয়া যাবে একটি মেট্রো। আর যেই সময় ভিড় কম থাকে, সেই সময় প্রতি 20 মিনিট অন্তর পাওয়া যাবে মেট্রো। কলকাতা মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না-আসা পর্যন্ত এই সময়সূচি মেনেই কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইন 2-তে পরিষেবা পাওয়া যাবে ৷
চলতি বছর 15 মার্চ থেকে শুরু হয়েছে দেশের মধ্যে প্রথম নদীর নীচ দিয়ে মেট্রো চলাচল ৷ অর্থাৎ হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা ৷ 15 মার্চ বাণিজ্যিক পরিষেবা চালু হলেও এই অংশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেছিলেন 6 মার্চ ৷
কলকাতাই দেশে প্রথম নদী নিচ দিয়ে মেট্রো চালিয়ে ইতিহাস রচনা করবে। যা নিঃসন্দেহে পরিবহনের ক্ষেত্রে এক বিপ্লব। বিশ্বমানের প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই মেট্রো। পাশাপাশি, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সিগন্যালিং ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রেকের ভেতরে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ সবকিছু বিশ্বের আর যে কোনও প্রথম সারির দেশের পরিষেবা ও প্রযুক্তিকে টেক্কা দিতে পারে।

