স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতি নিয়ে ফের মুখ্যসচিবকে ইমেল জুনিয়র ডাক্তারদের
ইমেলে প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, 21 অক্টোবরের আলোচনার ভিত্তিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে আমরা লিখতে বাধ্য হচ্ছি।

Published : October 25, 2024 at 12:42 PM IST
|Updated : October 25, 2024 at 12:51 PM IST
কলকাতা, 25 অক্টোবর: ফের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ইমেল করলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। ইমেল করে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির কী করে সম্ভব তা জানানো হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র চিকিৎসক ফ্রন্টের তরফে। বৃহস্পতিবার রাত 12টার পর তাঁরা ইমেল করেন মুখ্যসচিবকে। তবে ইমেলের শুরুতেই ঘূর্ণিঝড় দানা সর্ম্পকে লেখেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।
কী লিখেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা
তাঁরা লেখেন, "মাননীয় আপনি দানা ঘূর্ণিঝড় নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। আমরাও প্রস্তুত আছি। তবে কিছু জিনিসের উপর জোর দেওয়া দরকার বলে আমরা মনে করি।"

মূলত জুনিয়র চিকিৎসকরা এদিন 6টি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন ইমেলে। সেখানে রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কী করে উন্নতি করা সম্ভব, তা জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁরা প্রথমেই বলেছেন, কেন্দ্রীয়ভাবে রেফাব়েল ব্যবস্থা। কিন্তু ইতিমধ্যেই তার পাইলট প্রজেক্ট শুরু হয়েছে রাজ্যে। কিন্তু তাতে খুশি নন চিকিৎসকরা। তাই সেখানে উন্নতির জন্য নিজেদের কিছু পরিকল্পনা দেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এছাড়াও, প্রতি ঘণ্টায় রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে খালি বেডের সংখ্যা জানাতে হবে। যার জন্য প্রথমেই বন্ধ হওয়া প্রয়োজন হুমকি, দুর্নীতি ও দালালরাজ।

এরসঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকরা ইমেলের মাধ্যমে মুখ্যসচিবকে লিখেছেন, "আগামী 6 মাসে রাজ্যের হাসপাতালগুলোর বর্তমান অবস্থা কী! তা দেখে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে শয্যার সংখ্যা বাড়াতে হবে।" পাশাপাশি ফের রেফাব়েল ব্যবস্থার কথা তুলে আনেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা লেখেন, "এই রেফাব়েল ব্যবস্থার মধ্যে জানাতে ওই হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওষুধ রয়েছে কি না। তার সঙ্গে যথাযথ পরিকাঠামো আছে কি না, সেটাও জানাতে হবে।"
তার সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই রেফাব়েল সিস্টেমের জন্য ডেটা এন্ট্রির ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে হবে অবিলম্বে। আর যদি রেফার করা রোগীরা হাসপাতালেও যথাযথ চিকিৎসা না-পান তাহলে সেটা কোথায় পাওয়া যাবে সেই সংক্রান্ত একটা বোর্ড টাঙানো হোক। তাহলে রোগী পরিবারদের বুঝতে হবে। সবশেষে জুনিয়র চিকিৎসকরা মুখ্যসচিবের ইমেলে টাস্ক ফোর্সের কথাও উল্লেখ করেছেন।
অনুপ্রেরণা 'দিদি তিলোত্তমা' ! রুমেলিকার গবেষণা পত্রে মহিলা বিড়ি শ্রমিকদের যন্ত্রণার কাহিনি

