বৃষ্টি-ঝড়ের তাণ্ডবলীলা গঙ্গাসাগরে, দানা'র প্রভাবে সাগরদ্বীপের পরিস্থিতি কী ?
বিধ্বংসী দৈত্যাকার ঢেউ আছড়ে পড়ছে উপকূলে ৷ আতঙ্কিত এলাকাবাসী। শুক্রবার সকালে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি।

Published : October 25, 2024 at 10:32 AM IST
|Updated : October 25, 2024 at 10:40 AM IST
গঙ্গাসাগর, 25 অক্টোবর: ঘূর্ণিঝড় দানা'র ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া একটু আগেই শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন ৷ ঝড়ের গতি কম অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে ওড়িশা ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৷ বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ঘূর্ণিঝড় দানা'র প্রভাবে তাণ্ডবলীলা শুরু করেছে প্রকৃতি। ঘূর্ণিঝড় দানা স্থলভাগে আছড়ে পড়ায় পর তার প্রভাব দেখা গিয়েছে উপকূল এলাকায় ৷
গঙ্গাসাগরের একাধিক এলাকায় দমকা ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে মাটি থেকে উপড়ে গিয়েছে বড় বড় গাছ ৷ গঙ্গাসাগর আশ্রমের মন্দিরের সামনে সমুদ্রসৈকতে যে সকল ত্রিফলা বাতি ছিল সেই সকল বাতিস্তম্ভগুলি কার্যত ভেঙে পড়েছে ৷
দানার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ 24 পরগনার উপকূল তীরবর্তী এলাকাগুলিতে। গতকাল মধ্যরাত থেকে জেলাজুড়ে চলছে ভারী বৃষ্টিপাত। মুষলধারে বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার জেরে এলাকায় একাধিক নদী বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷

একটানা বৃষ্টির জেরে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সামনে যে সকল প্রসাদের স্টল রয়েছে, তা জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গনের কার্যত অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও ব্যবসায়ীদের দাবি, বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ইতিমধ্যে গঙ্গাসাগরের পুণ্যার্থী শূন্য করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র সৈকতে যে সকল দোকান রয়েছে সেই সকল ব্যবসায়ীদের গঙ্গাসাগর কপিলমুনি মন্দিরের প্রসাদ স্টলে আশ্রয় নিতে হয়েছে। ভেসেল পরিষেবা বন্ধ রয়েছে ৷

এখনও পর্যন্ত গঙ্গাসাগরে চলছে মুষলধারে বৃষ্টি এবং পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ঝোড়ো হাওয়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পূর্বের একাধিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিপুল ক্ষতি হয়েছে এই গঙ্গাসাগরের। সব মিলিয়ে আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা।

