ETV Bharat / state

ব্যারাকপুরে গান্ধিজীর প্রয়াণ দিবস পালন, এক মঞ্চে রাজ্যপাল ও পার্থ ভৌমিক

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস অনুষ্ঠান শেষে জানান, মহাত্মা গান্ধির আদর্শ ও নীতি অনুসরণ করে বাঁচতে হবে ৷ তিনি সবসময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক ৷

Governor CV Ananda Bose
ব্যারাকপুর গান্ধি ঘাটে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (নিজস্ব ছবি)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : January 30, 2025 at 7:21 PM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

ব্যারাকপুর, 30 জানুয়ারি: জাতির জনক মহাত্মা গান্ধির প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে উত্তর 24 পরগনার ব্যারাকপুরের গান্ধি ঘাটে আয়োজিত হল প্রার্থনা সভা ৷ সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে একই সঙ্গে দেখা গেল রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিককে ৷ এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ ও জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদি-সহ আরও অনেকে ৷

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহাত্মা গান্ধির মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাজ্যপাল ৷ তিনি বলেন, "এটি এমন একটি দিন যখন মহাত্মা এই জাতির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন । আমরা তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছি । এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের ভবিষ্যতে মহাত্মা গান্ধির আদর্শ ও নীতি অনুসরণ করে বাঁচতে হবে । সারা দেশ মহাত্মা গান্ধিকে আজ স্মরণ করে ও তাঁকে শ্রদ্ধা জানায় । আজকের দিন আমাদের শেখায় যে, মহাত্মা গান্ধি সবসময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক । তিনি দেশের জন্য যা করেছেন তার জন্য আমারা সারাজীবন তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ থাকব ।"

Governor CV Ananda Bose
একই মঞ্চে হাজির রাজ্যপাল ও পার্থ ভৌমিক (নিজস্ব ছবি)

এদিকে এদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলায় পুণ্যার্থীদের মৃত্যু নিয়ে সাংসদ পার্থ ভৌমিক উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নিশানা করেছেন ৷ তিনি বলেন, "গঙ্গাসাগরের ভক্তদের পূণ্যস্নান করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেন । মমতা বন্দ্যোাপধ্যায়ের শাসনকালে সেইসব ভক্তদের কোনওদিনই কোনও অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়নি । ভক্তরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন বা তাঁদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী কাজটা করেন । কিন্তু যাঁরা মন দিয়ে কাজটা করেন না, যাঁরা বোঝেন না যে পুণ্যার্থীদের কোথায় সুবিধা অসুবিধা হতে পারে, সে ক্ষেত্রে এই ধরনের দুঃখজনক ঘটনাগুলি ঘটে, যেভাবে কুম্ভ মেলায় ঘটেছে ।"

তিনি আরও বলেন, "ধর্ম পালন করতে গিয়ে যদি মানুষকে মৃত্যুবরণ করতে হয়, তবে বোঝা যায় যে সেখানকার ব্যবস্থাপনা ঠিক নেই । সেখানে নিরাপত্তা, পরিকল্পনা, ম্যানেজমেন্টের অভাব ছিল । উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমি অনুরোধ করব, মুখে ধর্মের কথা না বলে ধর্মীয় মানুষরা যাতে ঠিকঠাকভাবে ধর্ম পালন করতে পারেন তার ব্যবস্থা করুন ।"