ETV Bharat / state

বিচারক বললে তবেই অপরাধী, দুলাল খুনে নন্দুর গ্রেফতারিতে মন্তব্য ফিরহাদের

রাজ্যের মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, পুলিশ দুলাল খুন-কাণ্ডে যাদের গ্রেফতার করেছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের কি অপরাধী বলে মনে করছে না?

Firhad Hakim
নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারির গ্রেফতারি নিয়ে মন্তব্য করলেন ফিরহাদ হাকিম (নিজস্ব ছবি)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : January 9, 2025 at 10:59 AM IST

2 Min Read
Choose ETV Bharat

কলকাতা, 9 জানুয়ারি: মালদায় তৃণমূল কাউন্সিলর দুলাল সরকার খুনে দলেরই নেতা ও তাঁর ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ৷ ধৃতরা হলেন শহর তৃণমূলের সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ও স্বপন শর্মা ৷ এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের মালদা জেলার পরিদর্শক ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ৷ তাঁর কথায়, "তখনই একজন অপরাধী, যখন বিচারক তাকে অপরাধী বলবেন ।"

তাঁর এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে পুলিশ দুলাল খুন-কাণ্ডে যাদের গ্রেফতার করেছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের কি অপরাধী বলে মনে করছে না, যতক্ষণ না আদালত তাদের অপরাধী বলছে ?

ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য (ইটিভি ভারত)

মালদায় তৃণমূল নেতা খুন-কাণ্ডে বুধবার ফিরহাদ হাকিম স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, "তদন্তে আমরা কেউ নাক গলাব না । তদন্ত তদন্তের মতো হোক । প্রকৃত দোষী সাজা পাক । আদালত ঠিক করুক কে দোষী । আমার ক্ষমতা নেই মন্ত্রী হয়ে কিছু বলব । অপরাধীরা সাজা পাক । খুন যদি কেউ করে থাকে, তাহলে অন্যায় করেছে । আদালতের সামনে প্রমাণ-সহ যাক পুলিশ । আদালত যাকে সাজা দেবে সেই অপরাধী ।"

এ দিন ধৃত নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি দাবি করেন, দুলাল সরকার খুনের পিছনে দলের বড় মাথা আছে । সেই বিষয়ে ফিরহাদের বক্তব্য, "বড় মাথা ছোট মাথা নিয়ে কিছু যায় আসে না । তথ্য প্রমাণ নিয়ে কোর্টের সামনে যাক । কারণ, বিচারের চোখে পট্টি থাকে । তখনই একজন অপরাধী, যখন বিচারক তাকে অপরাধী বলবেন । আমাদের সরকার নিরপেক্ষ সরকার ৷ তাই যারা অপরাধ করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।"

উল্লেখ্য, এদিকে নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারির গ্রেফতারিতে ভিন্ন সুর মালদা জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের ৷ বুধবারই জেলা তৃণমূলের সভাপতি আবদুর রহিম বকসি বলেছিলেন, "দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন, কাউকে রেয়াত করা হবে না ৷ নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এই ঘটনায় জড়িত হলে তাঁরও শাস্তি হবে ৷" একই কথা শোনা গিয়েছিল ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর গলায়ও ৷ তাঁর কথায়, "দলে থেকে কেউ এমন ঘটনায় জড়িত থাকলে তাঁকে মাফ করা যায় না ৷ দুলাল সরকারকে খুনের ঘটনায় নন্দু তিওয়ারি জড়িত ৷ অনেকদিন ধরেই দুলালকে সরানোর চেষ্টা করছিল ৷"